ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্লুলেস ডাকাতির রহস্য উদঘাটন করে শ্রেষ্ঠ ডিবি কর্মকর্তা মফিজুল সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে মানববন্ধন, ওসির বিরুদ্ধে ক্ষোভ মানবজমিন-এ রিপোর্টার পদে লিখিত পরীক্ষা ২৯ সেপ্টেম্বর বরিশালে তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের বিক্ষোভ ভাঙ্গায় ১২০ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপসহ মা-মেয়েসহ তিনজন আটক জুড়ী সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযানে ৩৮ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ নতুন তিন আইনে বাংলাদেশে মানবাধিকার সুরক্ষা সংকুচিত হয়েছে: এইচআরডব্লিউ ৮৫ বছর বয়সে না ফেরার দেশে মার্কিন অভিনেতা জেমস স্লোয়ান নবীনগরে নতুন এসিল্যান্ড হিসেবে যোগ দিলেন শারমিন সুলতানা জাতিসংঘে প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রীর ১০ কর্মসূচি ও কূটনৈতিক তৎপরতা

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতারা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:০৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের পরবর্তী ধাপ ও যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য আগামী সপ্তাহে উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে একটি বৈঠকের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই বৈঠকে অংশ নিতে পারেন বলে জানা গেছে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে আগামী মঙ্গলবার এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। বিষয়টি সম্পর্কে সরাসরি অবগত তিনটি সূত্রের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হতে পারে যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা এবং এতে উপসাগরীয় দেশগুলোর ভূমিকা। ট্রাম্প এবং তার শীর্ষ কর্মকর্তারা বর্তমানে যুদ্ধ শেষের পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে একটি পরিকল্পনা তৈরির কাজ করছেন। সূত্রগুলোর দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর এই পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত রূপ নিতে পারে। বৈঠকের জন্য মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে প্রাথমিকভাবে আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে, যদিও হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

এই বৈঠকে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সদস্য ছয়টি দেশের নেতা অথবা পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নিতে পারেন। দেশগুলো হলো সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত এবং ওমান। একটি সূত্র জানিয়েছে, আলোচনার প্রয়োজনে পরবর্তীতে আরও কিছু আরব ও মুসলিম দেশের নেতাদের এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হতে পারে।

ইরানের সঙ্গে সংঘাতের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলো হামলার শিকার হয়েছে এবং তেল ও গ্যাস রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় তাদের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। বুধবার ট্রাম্প আশা প্রকাশ করে বলেন যে, তারা যুদ্ধের শেষের দিকে পৌঁছে গেছেন। তিনি পুনরায় দাবি করেছেন যে ইরান চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী এবং যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি তাদের কাছ থেকে এ বিষয়ে বার্তা পেয়েছে।

এদিকে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও নিউইয়র্কে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে একজন ইসরাইলি কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো বৈঠক আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত হয়নি। গত বছরের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালেও ট্রাম্প আটটি আরব ও মুসলিম দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন, যেখানে তিনি গাজা যুদ্ধ বন্ধের একটি শান্তি প্রস্তাবের খসড়া তুলে ধরেছিলেন। এক সপ্তাহ পর পরিকল্পনাটি প্রকাশ্যে আনা হয় এবং এর কিছুদিন পর যুদ্ধ অবসানের একটি চুক্তি হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতারা

আপডেট সময় : ০৮:০৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের পরবর্তী ধাপ ও যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য আগামী সপ্তাহে উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে একটি বৈঠকের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই বৈঠকে অংশ নিতে পারেন বলে জানা গেছে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে আগামী মঙ্গলবার এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। বিষয়টি সম্পর্কে সরাসরি অবগত তিনটি সূত্রের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হতে পারে যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা এবং এতে উপসাগরীয় দেশগুলোর ভূমিকা। ট্রাম্প এবং তার শীর্ষ কর্মকর্তারা বর্তমানে যুদ্ধ শেষের পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে একটি পরিকল্পনা তৈরির কাজ করছেন। সূত্রগুলোর দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর এই পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত রূপ নিতে পারে। বৈঠকের জন্য মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে প্রাথমিকভাবে আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে, যদিও হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

এই বৈঠকে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সদস্য ছয়টি দেশের নেতা অথবা পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নিতে পারেন। দেশগুলো হলো সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত এবং ওমান। একটি সূত্র জানিয়েছে, আলোচনার প্রয়োজনে পরবর্তীতে আরও কিছু আরব ও মুসলিম দেশের নেতাদের এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হতে পারে।

ইরানের সঙ্গে সংঘাতের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলো হামলার শিকার হয়েছে এবং তেল ও গ্যাস রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় তাদের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। বুধবার ট্রাম্প আশা প্রকাশ করে বলেন যে, তারা যুদ্ধের শেষের দিকে পৌঁছে গেছেন। তিনি পুনরায় দাবি করেছেন যে ইরান চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী এবং যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি তাদের কাছ থেকে এ বিষয়ে বার্তা পেয়েছে।

এদিকে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও নিউইয়র্কে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে একজন ইসরাইলি কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো বৈঠক আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত হয়নি। গত বছরের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালেও ট্রাম্প আটটি আরব ও মুসলিম দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন, যেখানে তিনি গাজা যুদ্ধ বন্ধের একটি শান্তি প্রস্তাবের খসড়া তুলে ধরেছিলেন। এক সপ্তাহ পর পরিকল্পনাটি প্রকাশ্যে আনা হয় এবং এর কিছুদিন পর যুদ্ধ অবসানের একটি চুক্তি হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin