ঢাকা ১০:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এআই-এর যুগেও নিজের অবস্থানে অনড় ‘লিপস্টিক কিং’ লি জিয়াকি টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের শুনানি আজ যুক্তরাষ্ট্রে শি জিনপিংকে লাল গালিচা অভ্যর্থনা, আলোচনায় বাণিজ্যসহ নানা ইস্যু টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে পাকিস্তানের আবরার, পেছনে ফেললেন রশিদকে টানা সাত দিন কমল বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম মহানবী (সা.)-এর ইনসাফ: মানবজাতির জন্য অনুপম আদর্শ মুকসুদপুরে পৃথক স্থান থেকে নারীসহ দুইজনের মরদেহ উদ্ধার ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত ৫ গুণ বাড়ালো ইসি মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির নতুন সময়সূচি ঘোষণা নোয়াখালীতে নিম্নমানের সেতু নির্মাণ, দুই প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার প্রেসিডেন্টকে মালয়েশিয়ায় আমন্ত্রণ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৩০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



মালয়েশিয়ায় আশ্রয় গ্রহণকারী রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংকে সরকারি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। গত বুধবার এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

আনোয়ার ইব্রাহিম জানান, তিনি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টকে আমন্ত্রণ জানানোর পাশাপাশি এটি স্পষ্ট করেছেন যে, দুই দেশ বন্ধু হতে পারে এবং বাণিজ্য করতে পারে, তবে তার শর্ত হলো মিয়ানমারকে অবশ্যই তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় তিনি প্রায় দুই সপ্তাহ আগে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিসভার সামনে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন।

মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব নিতে হবে বলে উল্লেখ করে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানান, একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক শরণার্থীকে ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব না হলে ধাপে ধাপে এই প্রত্যাবাসন সম্পন্ন করা যেতে পারে। তিনি বলেন, শুধু মিয়ানমারের দিকে রাগে চিৎকার করার চেয়ে এটি ভালো কূটনীতি। তিনি আরও প্রশ্ন রাখেন, তাদের কে নেবে বা কোথায় পাঠানো হবে, যখন তাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্বই নেই।

আলোচনার প্রেক্ষিতে মিয়ানমার প্রাথমিকভাবে ৫,০০০ শরণার্থীকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ১,৫০০ জনকে ফেরানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর প্রথম ধাপে ১,৪৭৬ জনকে প্রত্যাবাসন করা হবে।

আনোয়ার ইব্রাহিম জোর দিয়ে বলেন, শুধু রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে পাঠালেই হবে না, বরং তাদের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবার নিশ্চয়তাও থাকতে হবে। তার দাবি অনুযায়ী, আলোচনায় মিয়ানমার এই শর্তগুলো মেনে নিতে সম্মত হয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মালয়েশিয়ায় দুই লাখের বেশি শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থী রয়েছে, যার মধ্যে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা এক লাখ ২৬ হাজারের বেশি। মিয়ানমার যদি এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে, তবে এটি হবে মিন অং হ্লাইংয়ের কোনো আসিয়ান সদস্য রাষ্ট্রে পঞ্চম সফর। এর আগে তিনি লাওস, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনাম সফর করেছেন। এছাড়া চীন, ভারত ও রাশিয়াও তার সফরের তালিকায় রয়েছে। ২০২১ সালের পর থেকে আসিয়ান মিয়ানমারের নির্বাচনকে স্বীকৃতি দেয়নি এবং জোটের শীর্ষ সম্মেলনে দেশটির শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে।

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ০৮আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ১৩

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার প্রেসিডেন্টকে মালয়েশিয়ায় আমন্ত্রণ

আপডেট সময় : ০১:৩০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মালয়েশিয়ায় আশ্রয় গ্রহণকারী রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংকে সরকারি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। গত বুধবার এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

আনোয়ার ইব্রাহিম জানান, তিনি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টকে আমন্ত্রণ জানানোর পাশাপাশি এটি স্পষ্ট করেছেন যে, দুই দেশ বন্ধু হতে পারে এবং বাণিজ্য করতে পারে, তবে তার শর্ত হলো মিয়ানমারকে অবশ্যই তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় তিনি প্রায় দুই সপ্তাহ আগে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিসভার সামনে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন।

মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব নিতে হবে বলে উল্লেখ করে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানান, একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক শরণার্থীকে ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব না হলে ধাপে ধাপে এই প্রত্যাবাসন সম্পন্ন করা যেতে পারে। তিনি বলেন, শুধু মিয়ানমারের দিকে রাগে চিৎকার করার চেয়ে এটি ভালো কূটনীতি। তিনি আরও প্রশ্ন রাখেন, তাদের কে নেবে বা কোথায় পাঠানো হবে, যখন তাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্বই নেই।

আলোচনার প্রেক্ষিতে মিয়ানমার প্রাথমিকভাবে ৫,০০০ শরণার্থীকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ১,৫০০ জনকে ফেরানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর প্রথম ধাপে ১,৪৭৬ জনকে প্রত্যাবাসন করা হবে।

আনোয়ার ইব্রাহিম জোর দিয়ে বলেন, শুধু রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে পাঠালেই হবে না, বরং তাদের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবার নিশ্চয়তাও থাকতে হবে। তার দাবি অনুযায়ী, আলোচনায় মিয়ানমার এই শর্তগুলো মেনে নিতে সম্মত হয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মালয়েশিয়ায় দুই লাখের বেশি শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থী রয়েছে, যার মধ্যে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা এক লাখ ২৬ হাজারের বেশি। মিয়ানমার যদি এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে, তবে এটি হবে মিন অং হ্লাইংয়ের কোনো আসিয়ান সদস্য রাষ্ট্রে পঞ্চম সফর। এর আগে তিনি লাওস, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনাম সফর করেছেন। এছাড়া চীন, ভারত ও রাশিয়াও তার সফরের তালিকায় রয়েছে। ২০২১ সালের পর থেকে আসিয়ান মিয়ানমারের নির্বাচনকে স্বীকৃতি দেয়নি এবং জোটের শীর্ষ সম্মেলনে দেশটির শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে।

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ০৮আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ১৩

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh