ঢাকা ০৩:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঈশ্বরদীতে ক্রেতা সেজে দুই ভরি স্বর্ণের মালা নিয়ে চম্পট গোপালগঞ্জে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ ইবির আইন অনুষদের ১৯ শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে মনোনীত নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে নতুন আশাবাদ, নিউইয়র্কে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নিউইয়র্কে মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে ব্যর্থতার সুযোগ নেই: রুহুল আমিন হাওলাদার রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর নাটোর সদর উপজেলায় বক্তব্য দেওয়ার সময় মারা গেলেন মাদ্রাসা শিক্ষক

দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলন: নতুন বিশ্ব ব্যবস্থার ডাক দিলেন নেতারা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সম্প্রতি ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নেতারা একত্রিত হয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে এই সম্মেলনে যোগ দেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বিদ্যমান সীমান্ত বিরোধ ও ভূ-রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব থাকা সত্ত্বেও তাদের এক টেবিলে আসা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ব্রিকস নেতাদের প্রচলিত নিয়মের অনুসারী না হয়ে বরং নিয়ম সৃষ্টিকারী হওয়ার আহ্বান জানান। ভারত এই জোটকে সরাসরি পশ্চিমবিরোধী হিসেবে দাঁড় করাতে না চাইলেও, পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে ভারসাম্য বজায় রেখে কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরস্পরবিরোধী অবস্থানে থাকা রাষ্ট্রপ্রধানদের এক টেবিলে বসাতে পারা ভারতের জন্য একটি বড় সাফল্য। বিশেষ করে দীর্ঘ সাত বছর পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ভারত সফর এবং সীমান্ত উত্তেজনার পরও দুই নেতার ইতিবাচক আলোচনা ও করমর্দন সম্মেলনের অন্যতম আলোচিত বিষয় ছিল।

সম্মেলনের প্রথম দিনে গৃহীত 'নয়াদিল্লি ঘোষণা'-তে ইউক্রেন যুদ্ধের মতো বিতর্কিত বিষয়গুলো সতর্কতার সাথে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও একতরফা শুল্ক নীতির সমালোচনা করা হলেও সেখানে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো দেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে সম্মেলনের মূল আলোচনার বাইরে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষ নেতাদের সরাসরি বৈঠক এই বৈরী ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

পরিশেষে, পশ্চিমা প্রভাবের বাইরে একটি নতুন বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রবল আকাঙ্ক্ষা ব্রিকস দেশগুলোর মধ্যে থাকলেও, সেই লক্ষ্য অর্জনের বাস্তব রূপরেখা ও কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করাই এখন জোটটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলন: নতুন বিশ্ব ব্যবস্থার ডাক দিলেন নেতারা

আপডেট সময় : ১০:৩০:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সম্প্রতি ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নেতারা একত্রিত হয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে এই সম্মেলনে যোগ দেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বিদ্যমান সীমান্ত বিরোধ ও ভূ-রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব থাকা সত্ত্বেও তাদের এক টেবিলে আসা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ব্রিকস নেতাদের প্রচলিত নিয়মের অনুসারী না হয়ে বরং নিয়ম সৃষ্টিকারী হওয়ার আহ্বান জানান। ভারত এই জোটকে সরাসরি পশ্চিমবিরোধী হিসেবে দাঁড় করাতে না চাইলেও, পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে ভারসাম্য বজায় রেখে কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরস্পরবিরোধী অবস্থানে থাকা রাষ্ট্রপ্রধানদের এক টেবিলে বসাতে পারা ভারতের জন্য একটি বড় সাফল্য। বিশেষ করে দীর্ঘ সাত বছর পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ভারত সফর এবং সীমান্ত উত্তেজনার পরও দুই নেতার ইতিবাচক আলোচনা ও করমর্দন সম্মেলনের অন্যতম আলোচিত বিষয় ছিল।

সম্মেলনের প্রথম দিনে গৃহীত 'নয়াদিল্লি ঘোষণা'-তে ইউক্রেন যুদ্ধের মতো বিতর্কিত বিষয়গুলো সতর্কতার সাথে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও একতরফা শুল্ক নীতির সমালোচনা করা হলেও সেখানে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো দেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে সম্মেলনের মূল আলোচনার বাইরে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষ নেতাদের সরাসরি বৈঠক এই বৈরী ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

পরিশেষে, পশ্চিমা প্রভাবের বাইরে একটি নতুন বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রবল আকাঙ্ক্ষা ব্রিকস দেশগুলোর মধ্যে থাকলেও, সেই লক্ষ্য অর্জনের বাস্তব রূপরেখা ও কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করাই এখন জোটটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh