মার্কিন রণতরিতে হামলার দাবি ইরানের, সেন্টকমের কঠোর প্রত্যাখ্যান
- আপডেট সময় : ১০:০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, তারা মার্কিন নৌবাহিনীর একটি বিমানবাহী রণতরি ও একটি যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ইরানি বাহিনীর ভাষ্যমতে, এই হামলার মুখে দুটি মার্কিন জাহাজই ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-তে প্রকাশিত আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়। আইআরজিসির দাবি, মার্কিন সামরিক বাহিনী হামলার বিষয়টি স্বীকার করায় তাদের এই সফল অভিযানের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। একই সঙ্গে তারা কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
তবে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের এই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। এক পৃথক বিবৃতিতে সেন্টকম জানিয়েছে, আঞ্চলিক জলসীমায় টহল দেওয়ার সময় ইরানের ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মার্কিন যুদ্ধজাহাজ দুটি দক্ষতার সাথে এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। এতে কোনো মার্কিন নৌসদস্য আহত হননি এবং জাহাজগুলোও কোনো ধরনের ক্ষতির শিকার হয়নি।
ঘটনার পরপরই মার্কিন বাহিনী পাল্টা হামলা চালিয়ে ইরানের তিনটি অপরিশোধিত তেল ট্যাঙ্কার ধ্বংস করেছে বলে সেন্টকম জানিয়েছে। এর আগে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) আইআরজিসি নেভি হরমুজ প্রণালীতে তিনটি তেল ট্যাঙ্কার এবং ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র-সংযুক্ত তিনটি জাহাজে হামলা চালানোর কথা নিশ্চিত করেছিল। ইরানি ট্যাঙ্কারে মার্কিন হামলার জবাবেই তারা এই পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে বলে দাবি করেছে। গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এই তীব্র সামরিক সংঘাত অব্যাহত রয়েছে।





























