ফকল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দিলেন ডনাল্ড ট্রাম্প
- আপডেট সময় : ০২:২৪:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

বৃটেনের নিয়ন্ত্রণাধীন ফকল্যান্ড দ্বীপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থান পুনর্বিবেচনা করার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তার এই মন্তব্যের পর বৃটেনের ক্ষমতাসীন লেবার দলের সদস্যদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে বৃটেনের ওপর প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর জন্য চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যেই ট্রাম্প এমন কৌশল গ্রহণ করতে চাচ্ছেন। যদিও ফকল্যান্ড দ্বীপটি বর্তমানে বৃটিশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তবে আর্জেন্টিনা দীর্ঘদিন ধরেই দ্বীপটির মালিকানা দাবি করে আসছে। বর্তমানে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডনাল্ড ট্রাম্প জানান, তিনি সবসময়ই সব ধরনের অবস্থান পর্যালোচনা করে দেখেন এবং ফকল্যান্ডের বিষয়টিও তার বিবেচনায় রয়েছে। টেলিগ্রাফের কাছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পেন্টাগন ন্যাটো সদস্যদের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাজেটের ৫ শতাংশে উন্নীত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং বৃটেন এক্ষেত্রে বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণে রয়েছে। ওই কর্মকর্তার মতে, বৃটেনকে চাপে ফেলে রাজি করানোর জন্যই ফকল্যান্ডের বিষয়টি সামনে আনা হচ্ছে।
তবে বৃটিশ চ্যান্সেলর জন হিলি দ্য টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, প্রতিরক্ষা খাতে বাজেটের ৩ শতাংশ ব্যয় করার লক্ষ্যে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যুক্তরাষ্ট্রের এমন কোনো পরিকল্পনার কথা তাদের জানা নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। হিলি স্পষ্ট করে বলেছেন, ফকল্যান্ডের বাসিন্দারা যতদিন চাইবে, ততদিন এই দ্বীপ বৃটিশদের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।
বৃটিশ সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ন্যাটোর ইউরোপীয় সদস্যদের মধ্যে একমাত্র বৃটেনেরই নিজস্ব পরমাণু অস্ত্র রয়েছে এবং তারা ফকল্যান্ডকে বৃটিশ ভূখণ্ড হিসেবে বজায় রাখতে অনড়। উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে পেন্টাগনের একটি গোপন চিঠি ফাঁস হয়েছিল, যেখানে ইরান যুদ্ধে বৃটেনের সমর্থন না পাওয়ার জেরে ফকল্যান্ডের ওপর থেকে সমর্থন তুলে নেওয়ার হুমকি দেয়া হয়েছিল।





























