ঢাকা ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সৌন্দর্যের ভেতর ইতিহাসের শরীর: হেগেল ও মার্কসের নন্দনতত্ত্বের তুলনামূলক পাঠ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহত করা হবে: এস এম জিলানী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা বনশ্রীতে কুকুরকে খাওয়াতে গিয়ে তরুণীকে মারধর, থানায় অভিযোগ ঈশ্বরদীতে ক্রেতা সেজে দুই ভরি স্বর্ণের মালা নিয়ে চম্পট গোপালগঞ্জে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ ইবির আইন অনুষদের ১৯ শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে মনোনীত নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে নতুন আশাবাদ, নিউইয়র্কে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক

পশ্চিম তীরের কুসরায় অবরুদ্ধ চার ফিলিস্তিনি, নেই চলাচলের সুযোগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৩২:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পশ্চিম তীরের নাবলুসের কাছে কুসরা গ্রামে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর চেকপোস্টের কারণে চার ফিলিস্তিনি নাগরিক নিজ বাড়িতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। তাদের পরিবারের সদস্যরা খাবার, প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও ওষুধ নিয়ে তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না। অথচ একই এলাকায় বসবাসরত ইসরাইলি বসতির বাসিন্দারা কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই অবাধে চলাফেরা করছেন।

আটকে পড়া ব্যক্তিদের একজন ফিলিস্তিনি-আমেরিকান লুই আবু রিদি। তিনি জানিয়েছেন, পরিবারের সদস্যরা যখন তাদের বাড়িতে আসতে চান, তখন ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে আগে সমন্বয় করতে হয়। এই প্রক্রিয়ায় কয়েক দিন সময় লেগে যায়। আল জাজিরাকে আবু রিদি বলেন, সামরিক বাহিনী তাদের পরিবারের সদস্যদের খাবার, প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও ওষুধ নিয়ে আসতে বাধা দিচ্ছে।

ইসরাইলি সেনাদের সঙ্গে কথা বলেও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না বলে জানান আবু রিদি। সেনারা এলাকাটিকে ‘বন্ধ সামরিক এলাকা’ হিসেবে উল্লেখ করছে। আবু রিদি বলেন, তারা দাবি করছে এটি একটি বন্ধ সামরিক এলাকা এবং এখানে কেউ থাকতে পারবে না। অথচ বসতির লোকজন সেখানে অবাধে চলাফেরা করতে পারছে। তিনি আরও জানান, সর্বশেষ হামলার ঘটনাটি তার বাড়ি থেকে মাত্র ৩০০ গজ দূরে ঘটেছে।

গত ২৯ আগস্ট গ্রামটিতে হামলার পর সেখানে আটকে থাকা বাসিন্দার সংখ্যা তিন থেকে বেড়ে চারজনে দাঁড়িয়েছে। আগস্ট মাস থেকে কুসরা গ্রামের তিনটি বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে এবং গত এক মাসে সেখানে ইসরাইলি বসতিদের সহিংসতাও বেড়েছে।

এই পরিস্থিতিতে আবু রিদির পরিবার চরম সংকটে পড়েছে। তার ৮৩ বছর বয়সি মায়ের ওষুধ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। তার বোন একজন স্কুলশিক্ষক, যার আগামী সপ্তাহে বিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা। এছাড়া তার ভাই ও প্রতিবেশীরা এক মাস ধরে কাজে যেতে পারছেন না। তারা নিজেদের বাড়িতেই আটকা পড়ে আছেন।

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০: ৫১আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০: ৫৯

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

পশ্চিম তীরের কুসরায় অবরুদ্ধ চার ফিলিস্তিনি, নেই চলাচলের সুযোগ

আপডেট সময় : ১১:৩২:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পশ্চিম তীরের নাবলুসের কাছে কুসরা গ্রামে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর চেকপোস্টের কারণে চার ফিলিস্তিনি নাগরিক নিজ বাড়িতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। তাদের পরিবারের সদস্যরা খাবার, প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও ওষুধ নিয়ে তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না। অথচ একই এলাকায় বসবাসরত ইসরাইলি বসতির বাসিন্দারা কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই অবাধে চলাফেরা করছেন।

আটকে পড়া ব্যক্তিদের একজন ফিলিস্তিনি-আমেরিকান লুই আবু রিদি। তিনি জানিয়েছেন, পরিবারের সদস্যরা যখন তাদের বাড়িতে আসতে চান, তখন ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে আগে সমন্বয় করতে হয়। এই প্রক্রিয়ায় কয়েক দিন সময় লেগে যায়। আল জাজিরাকে আবু রিদি বলেন, সামরিক বাহিনী তাদের পরিবারের সদস্যদের খাবার, প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও ওষুধ নিয়ে আসতে বাধা দিচ্ছে।

ইসরাইলি সেনাদের সঙ্গে কথা বলেও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না বলে জানান আবু রিদি। সেনারা এলাকাটিকে ‘বন্ধ সামরিক এলাকা’ হিসেবে উল্লেখ করছে। আবু রিদি বলেন, তারা দাবি করছে এটি একটি বন্ধ সামরিক এলাকা এবং এখানে কেউ থাকতে পারবে না। অথচ বসতির লোকজন সেখানে অবাধে চলাফেরা করতে পারছে। তিনি আরও জানান, সর্বশেষ হামলার ঘটনাটি তার বাড়ি থেকে মাত্র ৩০০ গজ দূরে ঘটেছে।

গত ২৯ আগস্ট গ্রামটিতে হামলার পর সেখানে আটকে থাকা বাসিন্দার সংখ্যা তিন থেকে বেড়ে চারজনে দাঁড়িয়েছে। আগস্ট মাস থেকে কুসরা গ্রামের তিনটি বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে এবং গত এক মাসে সেখানে ইসরাইলি বসতিদের সহিংসতাও বেড়েছে।

এই পরিস্থিতিতে আবু রিদির পরিবার চরম সংকটে পড়েছে। তার ৮৩ বছর বয়সি মায়ের ওষুধ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। তার বোন একজন স্কুলশিক্ষক, যার আগামী সপ্তাহে বিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা। এছাড়া তার ভাই ও প্রতিবেশীরা এক মাস ধরে কাজে যেতে পারছেন না। তারা নিজেদের বাড়িতেই আটকা পড়ে আছেন।

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০: ৫১আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০: ৫৯

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh