ঢাকা ০৪:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র বিতর্ক মানচিত্রে ‘লিটল ইতালি’ বাদ, নিউইয়র্কের তহবিল বন্ধের হুমকি ট্রাম্পের বিশ্ব অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে রাশিয়ার জ্বালানি: পুতিন নারায়ণগঞ্জে সরকারি প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে ওয়ালটনের সাথে চুক্তি পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার খবর অস্বীকার চীনের পুতিনের সঙ্গে সফল আলোচনা, যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেল পাঠাবে রাশিয়া: ট্রাম্প ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে লংমার্চ কেন খাইবার পাখতুনখাওয়ায় থমকে? দর্শনা চেকপোস্টে ভারতে পালানোর সময় হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার মঞ্চে এল হান্ট থিয়েটারের নতুন নাটক ‘তবুও প্রেম আসে’ সীতাকুণ্ডে কলাবাগানে তরুণীর হাত-পা বাঁধা লাশ, স্বামীসহ গ্রেপ্তার ৪

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনি ক্রীড়াবিদের সংখ্যা ১০১৪ জন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৩৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের চলমান সামরিক অভিযানে নিহত ফিলিস্তিনি ক্রীড়াবিদের সংখ্যা ১,০১৪ জনে পৌঁছেছে। ফিলিস্তিনি ক্রীড়া গণমাধ্যম ফেডারেশনের মহাসচিব মুস্তফা সিয়াম জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে খেলোয়ার, কোচ, রেফারি এবং ফিলিস্তিনি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা রয়েছেন। সর্বশেষ শনিবার গাজা শহরের তাল আল-হওয়া এলাকায় ইসরাইলি হামলায় জাবালিয়া সার্ভিসেস ক্লাবের ডিফেন্ডার আবদেল ফাত্তাহ আবু আল-আইশ নিহত হওয়ার পর এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায়। আবু আল-আইশ তার দলের সাথে ফিলিস্তিনি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত 'হাজার শহীদ কাপ' টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, যা ৪ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়ার কথা ছিল।

আবু আল-আইশ জাবালিয়া সার্ভিসেস ক্লাবের হয়ে প্রথম বিভাগে খেলতেন এবং পূর্বে আহলি বেইত হানুনের জার্সিতেও মাঠ কাঁপিয়েছেন। তাকে উত্তর গাজার অন্যতম উদীয়মান প্রতিভা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। রবিবার গাজা শহরে ক্রীড়াবিদ ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। মুস্তফা সিয়ামের মতে, এই প্রাণহানি এবং ক্রীড়া পরিকাঠামো ধ্বংসের ফলে ফিলিস্তিনি ক্রীড়াঙ্গন এক গভীর অস্তিত্বের সংকটের মুখে পড়েছে।

ইসরাইলি হামলায় গাজার স্টেডিয়াম, ক্লাব, স্পোর্টস হল ও একাডেমিগুলো বিধ্বস্ত হয়েছে, যার অনেকগুলোই বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ফেডারেশনের তথ্যমতে, গাজার ৫৬টি ক্লাবের মধ্যে ৫০টিরও বেশি এবং ফিফার সহায়তায় নির্মিত প্রায় ২০টি ফাইভ-এ-সাইড ফুটবল মাঠ ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। গাজার পাশাপাশি অধিকৃত পশ্চিম তীরেও ক্রীড়াবিদদের হত্যা এবং কোচ ও প্রশাসকদের আটকের ঘটনা ঘটছে।

তীব্র সম্পদ সংকট ও স্থাপনা ধ্বংসের মধ্যেও ফিলিস্তিনি ক্রীড়া সংস্থাগুলো সীমিত পরিসরে কার্যক্রম শুরুর চেষ্টা করছিল। মার্চ মাসের শুরুতে মাত্র তিনটি মাঠ ব্যবহার করে একটি ফাইভ-এ-সাইড ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে এই পুনরুজ্জীবনের চেষ্টা শুরু হয়েছিল। ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর শুরু হওয়া এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৭৩,০০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১,৭৪,০০০-এরও বেশি আহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও ইসরাইল চুক্তিটি লঙ্ঘন করে চলেছে এবং গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, তাদের হামলায় ১,৩২০ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৪,৩৮৫ জন আহত হয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনি ক্রীড়াবিদের সংখ্যা ১০১৪ জন

আপডেট সময় : ১০:৩৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের চলমান সামরিক অভিযানে নিহত ফিলিস্তিনি ক্রীড়াবিদের সংখ্যা ১,০১৪ জনে পৌঁছেছে। ফিলিস্তিনি ক্রীড়া গণমাধ্যম ফেডারেশনের মহাসচিব মুস্তফা সিয়াম জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে খেলোয়ার, কোচ, রেফারি এবং ফিলিস্তিনি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা রয়েছেন। সর্বশেষ শনিবার গাজা শহরের তাল আল-হওয়া এলাকায় ইসরাইলি হামলায় জাবালিয়া সার্ভিসেস ক্লাবের ডিফেন্ডার আবদেল ফাত্তাহ আবু আল-আইশ নিহত হওয়ার পর এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায়। আবু আল-আইশ তার দলের সাথে ফিলিস্তিনি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত 'হাজার শহীদ কাপ' টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, যা ৪ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়ার কথা ছিল।

আবু আল-আইশ জাবালিয়া সার্ভিসেস ক্লাবের হয়ে প্রথম বিভাগে খেলতেন এবং পূর্বে আহলি বেইত হানুনের জার্সিতেও মাঠ কাঁপিয়েছেন। তাকে উত্তর গাজার অন্যতম উদীয়মান প্রতিভা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। রবিবার গাজা শহরে ক্রীড়াবিদ ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। মুস্তফা সিয়ামের মতে, এই প্রাণহানি এবং ক্রীড়া পরিকাঠামো ধ্বংসের ফলে ফিলিস্তিনি ক্রীড়াঙ্গন এক গভীর অস্তিত্বের সংকটের মুখে পড়েছে।

ইসরাইলি হামলায় গাজার স্টেডিয়াম, ক্লাব, স্পোর্টস হল ও একাডেমিগুলো বিধ্বস্ত হয়েছে, যার অনেকগুলোই বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ফেডারেশনের তথ্যমতে, গাজার ৫৬টি ক্লাবের মধ্যে ৫০টিরও বেশি এবং ফিফার সহায়তায় নির্মিত প্রায় ২০টি ফাইভ-এ-সাইড ফুটবল মাঠ ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। গাজার পাশাপাশি অধিকৃত পশ্চিম তীরেও ক্রীড়াবিদদের হত্যা এবং কোচ ও প্রশাসকদের আটকের ঘটনা ঘটছে।

তীব্র সম্পদ সংকট ও স্থাপনা ধ্বংসের মধ্যেও ফিলিস্তিনি ক্রীড়া সংস্থাগুলো সীমিত পরিসরে কার্যক্রম শুরুর চেষ্টা করছিল। মার্চ মাসের শুরুতে মাত্র তিনটি মাঠ ব্যবহার করে একটি ফাইভ-এ-সাইড ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে এই পুনরুজ্জীবনের চেষ্টা শুরু হয়েছিল। ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর শুরু হওয়া এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৭৩,০০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১,৭৪,০০০-এরও বেশি আহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও ইসরাইল চুক্তিটি লঙ্ঘন করে চলেছে এবং গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, তাদের হামলায় ১,৩২০ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৪,৩৮৫ জন আহত হয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh