ঢাকা ০৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রতি ডেপুটি স্পিকারের আহ্বান আবু ইয়াকুব ইউসুফ আল-কুমি: ইবন আরাবির বর্ণনায় এক সুফি সাধক সোনারগাঁয়ে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১২ ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে ট্যাব ও প্রশিক্ষণ শুরু সমাজসেবা অধিদপ্তরের জাতিসংঘে আজ প্রথম ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান না ফেরার দেশে প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক আখতার হুসেন বঙ্গভবনের সিংহ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন প্রেসিডেন্ট বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল, কারণ জানাল রয়টার্স টেকসই উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান ববি হাজ্জাজের স্কুলে ঢুকে ছাত্রকে মারধর, ছাত্রদল সভাপতি আজীবন বহিষ্কার

প্রচলিত অস্ত্রের ঘাটতি থাকলে ইরানে পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা: ট্রাম্পের উপদেষ্টা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:১৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত সামরিক উপায়ে ইরানের নেতৃত্বকে উৎখাত করতে ব্যর্থ হলে দেশটি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পথ বেছে নিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সন্ত্রাসবিরোধী সাবেক উপদেষ্টা জো কেন্ট। পডকাস্টার টাকার কার্লসনের অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ আশঙ্কার কথা জানান। কেন্ট বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনাকে এড়িয়ে যাওয়া বোকামি হবে।

কেন্টের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরান সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার উপায় খুঁজতে হিমশিম খাচ্ছে। ওয়াশিংটন যদি ইরানকে পুরোপুরি আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে চায়, তবে তাদের সামনে দুটি বিকল্প রয়েছে: পুরোদমে স্থল অভিযান অথবা পারমাণবিক হামলা। তবে ইরানের বিশাল ভূখণ্ড ও জনসংখ্যার কারণে স্থল অভিযানকে তিনি অবাস্তব বলে বর্ণনা করেন। তাঁর ধারণা, ওয়াশিংটন তাত্ত্বিকভাবে ইরানের পার্বত্য এলাকায় মাটির গভীরে থাকা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনাগুলোতে সীমিত পারমাণবিক হামলার পথ বেছে নিতে পারে।

এর আগে এপ্রিল মাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন যে, তেহরান ওয়াশিংটনের দাবি না মানলে তাদের পুরো সভ্যতা ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এমনকি মার্কিন বাহিনী ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুর মতো বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকিও দিয়ে রেখেছেন তিনি। গত মাসের শেষ দিকে ইরানের ওপর একটি সম্ভাব্য হামলা হঠাৎ স্থগিত করা হয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেন্টাগনের উচ্চ নির্ভুলতার অস্ত্র ও ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে আসার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তবে ট্রাম্প ও অন্যান্য জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তারা গোলাবারুদের সংকটের খবর জোরালোভাবে অস্বীকার করেছেন।

এদিকে ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে একঘরে করতে ট্রাম্প সম্প্রতি একটি ‘চূর্ণবিচূর্ণ করে দেওয়ার মতো অর্থনৈতিক অভিযান’ বা ‘ইকোনমিক ডি–ডে’ ঘোষণার কথা জানিয়েছেন। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এরই মধ্যে নতুন করে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছেন, যার আওতায় ইরানসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ৬০টি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে চীনে অবস্থিত ২১টি প্রতিষ্ঠানও অন্তর্ভুক্ত। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তেহরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে অস্বীকৃতি জানানো দেশগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে ওয়াশিংটন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রচলিত অস্ত্রের ঘাটতি থাকলে ইরানে পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা: ট্রাম্পের উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৫:১৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত সামরিক উপায়ে ইরানের নেতৃত্বকে উৎখাত করতে ব্যর্থ হলে দেশটি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পথ বেছে নিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সন্ত্রাসবিরোধী সাবেক উপদেষ্টা জো কেন্ট। পডকাস্টার টাকার কার্লসনের অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ আশঙ্কার কথা জানান। কেন্ট বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনাকে এড়িয়ে যাওয়া বোকামি হবে।

কেন্টের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরান সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার উপায় খুঁজতে হিমশিম খাচ্ছে। ওয়াশিংটন যদি ইরানকে পুরোপুরি আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে চায়, তবে তাদের সামনে দুটি বিকল্প রয়েছে: পুরোদমে স্থল অভিযান অথবা পারমাণবিক হামলা। তবে ইরানের বিশাল ভূখণ্ড ও জনসংখ্যার কারণে স্থল অভিযানকে তিনি অবাস্তব বলে বর্ণনা করেন। তাঁর ধারণা, ওয়াশিংটন তাত্ত্বিকভাবে ইরানের পার্বত্য এলাকায় মাটির গভীরে থাকা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনাগুলোতে সীমিত পারমাণবিক হামলার পথ বেছে নিতে পারে।

এর আগে এপ্রিল মাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন যে, তেহরান ওয়াশিংটনের দাবি না মানলে তাদের পুরো সভ্যতা ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এমনকি মার্কিন বাহিনী ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুর মতো বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকিও দিয়ে রেখেছেন তিনি। গত মাসের শেষ দিকে ইরানের ওপর একটি সম্ভাব্য হামলা হঠাৎ স্থগিত করা হয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেন্টাগনের উচ্চ নির্ভুলতার অস্ত্র ও ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে আসার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তবে ট্রাম্প ও অন্যান্য জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তারা গোলাবারুদের সংকটের খবর জোরালোভাবে অস্বীকার করেছেন।

এদিকে ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে একঘরে করতে ট্রাম্প সম্প্রতি একটি ‘চূর্ণবিচূর্ণ করে দেওয়ার মতো অর্থনৈতিক অভিযান’ বা ‘ইকোনমিক ডি–ডে’ ঘোষণার কথা জানিয়েছেন। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এরই মধ্যে নতুন করে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছেন, যার আওতায় ইরানসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ৬০টি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে চীনে অবস্থিত ২১টি প্রতিষ্ঠানও অন্তর্ভুক্ত। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তেহরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে অস্বীকৃতি জানানো দেশগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে ওয়াশিংটন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo