ঢাকা ০৭:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকার ২৫৭ পূজামণ্ডপে ২৪ ঘণ্টা পুলিশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করল ডিএমপি কালিয়াকৈরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট কুড়িগ্রামে ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশার ৫ যাত্রী নিহত পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প ইনানীতে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: একই পরিবারের ৬ জনসহ নিহত ১০ একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বাতিলের দাবিতে এনসিপির তিন দফা শারদীয় দুর্গাপূজায় বান্দরবানে বিজিবির বিশেষ নিরাপত্তা ও নজরদারি উখিয়ার রিসোর্টে ভয়াবহ আগুনে শিশুসহ ১০ জনের মৃত্যু, একই পরিবারের ৮ মিষ্টির শূন্য আসনের উপ-নির্বাচনে জামানত ২০ হাজার টাকা ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৫

২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে ৩৫০ ত্রাণকর্মী নিহত, উদ্বেগ জানাল জাতিসংঘ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:০০:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে ৩৫০ জন ত্রাণকর্মী নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় কার্যালয় (ওসিএইচএ) বুধবার (১৯ আগস্ট) বিশ্ব মানবিক দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গাজা ও সুদানেই সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে গাজায় ১৮৬ জন এবং সুদানে ৭১ জন ত্রাণকর্মী নিহত হয়েছেন। টানা তৃতীয় বছরের মতো গাজা ত্রাণকর্মীদের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে বিশ্বজুড়ে নিহত ত্রাণকর্মীর সংখ্যা ২০২৪ সালের তুলনায় কিছুটা কম, কারণ ওই বছর ৩৭৭ জন ত্রাণকর্মী প্রাণ হারিয়েছিলেন।

জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল টম ফ্লেচার এই পরিস্থিতিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, মাত্র তিন বছরে এক হাজারের বেশি ত্রাণকর্মী নিহত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র প্রতিবাদ জানিয়ে এই প্রাণহানি ঠেকানো সম্ভব নয়। রাষ্ট্রগুলোকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে চলতে হবে এবং বেসামরিক নাগরিক ও ত্রাণকর্মীদের সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে আরও ৮২ জন ত্রাণকর্মী নিহত, ৯৭ জন আহত এবং ৩৯ জন অপহৃত হয়েছেন। ওসিএইচএ সশস্ত্র ড্রোন ও মানববিহীন বিমানের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটির মতে, এসব অস্ত্রের সহজলভ্যতা এবং শহর ও নগর এলাকায় বিস্ফোরক হামলার ঝুঁকি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে সুদানে বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর ৮০ শতাংশই সশস্ত্র ড্রোন হামলার কারণে হয়েছে, যেখানে বাজার ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোও আক্রান্ত হয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধেও ড্রোন হামলায় হতাহতের ঘটনা বাড়ছে। টম ফ্লেচার মন্তব্য করেন যে, সশস্ত্র ড্রোন একটি পুরোনো বিপদের নতুন ও ভয়াবহ রূপ, যা বেসামরিক জীবনকে ইচ্ছাকৃত বা বেপরোয়া হামলার মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে ৩৫০ ত্রাণকর্মী নিহত, উদ্বেগ জানাল জাতিসংঘ

আপডেট সময় : ০৬:০০:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে ৩৫০ জন ত্রাণকর্মী নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় কার্যালয় (ওসিএইচএ) বুধবার (১৯ আগস্ট) বিশ্ব মানবিক দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গাজা ও সুদানেই সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে গাজায় ১৮৬ জন এবং সুদানে ৭১ জন ত্রাণকর্মী নিহত হয়েছেন। টানা তৃতীয় বছরের মতো গাজা ত্রাণকর্মীদের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে বিশ্বজুড়ে নিহত ত্রাণকর্মীর সংখ্যা ২০২৪ সালের তুলনায় কিছুটা কম, কারণ ওই বছর ৩৭৭ জন ত্রাণকর্মী প্রাণ হারিয়েছিলেন।

জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল টম ফ্লেচার এই পরিস্থিতিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, মাত্র তিন বছরে এক হাজারের বেশি ত্রাণকর্মী নিহত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র প্রতিবাদ জানিয়ে এই প্রাণহানি ঠেকানো সম্ভব নয়। রাষ্ট্রগুলোকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে চলতে হবে এবং বেসামরিক নাগরিক ও ত্রাণকর্মীদের সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে আরও ৮২ জন ত্রাণকর্মী নিহত, ৯৭ জন আহত এবং ৩৯ জন অপহৃত হয়েছেন। ওসিএইচএ সশস্ত্র ড্রোন ও মানববিহীন বিমানের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটির মতে, এসব অস্ত্রের সহজলভ্যতা এবং শহর ও নগর এলাকায় বিস্ফোরক হামলার ঝুঁকি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে সুদানে বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর ৮০ শতাংশই সশস্ত্র ড্রোন হামলার কারণে হয়েছে, যেখানে বাজার ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোও আক্রান্ত হয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধেও ড্রোন হামলায় হতাহতের ঘটনা বাড়ছে। টম ফ্লেচার মন্তব্য করেন যে, সশস্ত্র ড্রোন একটি পুরোনো বিপদের নতুন ও ভয়াবহ রূপ, যা বেসামরিক জীবনকে ইচ্ছাকৃত বা বেপরোয়া হামলার মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din