ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বৃহস্পতিবার ফেনী সফরে প্রধানমন্ত্রী: দিনভর থাকছে নানা উন্নয়নমূলক কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বেড়েছে ২৪০ শতাংশ সুবর্ণচরে চোরাই গরু বিক্রির অভিযোগে যুবদল নেতা ফারুক বহিষ্কার আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার ঘোষণা বিএনপির, পাশে থাকার আহ্বান জনগণের প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে বিশেষ সহায়তা দেবে সরকার: ড. তিতুমীর ইসিবি চত্বরে আবাসন প্রকল্পে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী শাহরিয়া জনবল সংকটে ধুঁকছে বার আউলিয়া হাইওয়ে থানা, ভরসা এক সার্জেন্ট বিশ্বে প্রতি আটটি ক্যান্সারের একটি সংক্রমণের কারণে হচ্ছে সাভারে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল প্রথম আলো ও শিখো মিয়ানমারের রাখাইনে জান্তার বিমান হামলা, নিহত ৪৯

মধ্যপ্রদেশের খনিতে মিলল ১৭.৯৬ ক্যারেটের হীরা, ভাগ্য ফিরল সাত শ্রমিকের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৫৭:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ভাগ্যের চাকা কখন কীভাবে ঘুরে যায়, তার এক অনন্য নজির তৈরি হলো ভারতের মধ্যপ্রদেশের পান্নায়। দীর্ঘদিনের দারিদ্র্য আর অভাবের সংসার পেছনে ফেলে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন সাতজন শ্রমিক। পরিত্যক্ত এক খনিতে মাটি খুঁড়তে গিয়ে তাদের হাতে উঠে এসেছে ১৭.৯৬ ক্যারেটের এক বিশালাকার ও বহুমূল্য হীরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, হীরাটির বর্তমান বাজারমূল্য অন্তত ৫০ লাখ ভারতীয় রুপি, তবে নিলামে এর দাম কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অখিলেশ পালসহ সাত শ্রমিক দুই বছর আগে পান্নার সারোখা গ্রামে একটি খনি ইজারা নিয়েছিলেন। সাধারণত ধনী ব্যবসায়ীরা জমি ইজারা নিয়ে শ্রমিক নিয়োগ করেন, ফলে হীরা মিললেও তার সুফল শ্রমিকরা পান না। তবে এবার ইজারা তাদের নিজেদের নামে থাকায় ভাগ্য তাদের সহায় হয়েছে। কোনো মূল্যবান পাথর না পাওয়ায় খনিটি এক বছর বন্ধ ছিল। সম্প্রতি বৃষ্টির সময় অখিলেশ পুরোনো খনিটি পর্যবেক্ষণে গেলে তার চোখে পড়ে চকচক করা ওই হীরাটি।

বর্তমানে হীরাটি সরকারি সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি কর ও রয়্যালটির অংশ বাদ দিয়ে বাকি অর্থ ওই সাত শ্রমিক পাবেন। আগামী অক্টোবর মাসে সরকারি উদ্যোগে হীরাটি নিলামে তোলা হবে। হীরা পাওয়ার আগে এই শ্রমিকদের মধ্যে অন্তত তিনজনের বিয়ের পরিকল্পনা টাকার অভাবে আটকে ছিল। এখন হীরা বিক্রির লভ্যাংশ পাওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনছেন তারা, যার মাধ্যমে নিজেদের জীবনের অন্ধকার ঘুচিয়ে সব স্বপ্ন পূরণ করতে চান।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া হীরাটি অত্যন্ত উচ্চমানের এবং বিশ্বজুড়ে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। যে স্থানে এই হীরা পাওয়া গেছে, সেখানে আরও মূল্যবান পাথর থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। নিয়মিত অনুসন্ধান চালানো হলে ভবিষ্যতে ওই অঞ্চলের ভাগ্য পরিবর্তনেরও সম্ভাবনা দেখছেন তারা।

নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি কর এবং রয়্যালটির অংশটুকু বাদ দিয়ে বাকি সমস্ত অর্থই পাবেন ওই ৭ জন শ্রমিক।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

মধ্যপ্রদেশের খনিতে মিলল ১৭.৯৬ ক্যারেটের হীরা, ভাগ্য ফিরল সাত শ্রমিকের

আপডেট সময় : ১১:৫৭:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

ভাগ্যের চাকা কখন কীভাবে ঘুরে যায়, তার এক অনন্য নজির তৈরি হলো ভারতের মধ্যপ্রদেশের পান্নায়। দীর্ঘদিনের দারিদ্র্য আর অভাবের সংসার পেছনে ফেলে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন সাতজন শ্রমিক। পরিত্যক্ত এক খনিতে মাটি খুঁড়তে গিয়ে তাদের হাতে উঠে এসেছে ১৭.৯৬ ক্যারেটের এক বিশালাকার ও বহুমূল্য হীরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, হীরাটির বর্তমান বাজারমূল্য অন্তত ৫০ লাখ ভারতীয় রুপি, তবে নিলামে এর দাম কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অখিলেশ পালসহ সাত শ্রমিক দুই বছর আগে পান্নার সারোখা গ্রামে একটি খনি ইজারা নিয়েছিলেন। সাধারণত ধনী ব্যবসায়ীরা জমি ইজারা নিয়ে শ্রমিক নিয়োগ করেন, ফলে হীরা মিললেও তার সুফল শ্রমিকরা পান না। তবে এবার ইজারা তাদের নিজেদের নামে থাকায় ভাগ্য তাদের সহায় হয়েছে। কোনো মূল্যবান পাথর না পাওয়ায় খনিটি এক বছর বন্ধ ছিল। সম্প্রতি বৃষ্টির সময় অখিলেশ পুরোনো খনিটি পর্যবেক্ষণে গেলে তার চোখে পড়ে চকচক করা ওই হীরাটি।

বর্তমানে হীরাটি সরকারি সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি কর ও রয়্যালটির অংশ বাদ দিয়ে বাকি অর্থ ওই সাত শ্রমিক পাবেন। আগামী অক্টোবর মাসে সরকারি উদ্যোগে হীরাটি নিলামে তোলা হবে। হীরা পাওয়ার আগে এই শ্রমিকদের মধ্যে অন্তত তিনজনের বিয়ের পরিকল্পনা টাকার অভাবে আটকে ছিল। এখন হীরা বিক্রির লভ্যাংশ পাওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনছেন তারা, যার মাধ্যমে নিজেদের জীবনের অন্ধকার ঘুচিয়ে সব স্বপ্ন পূরণ করতে চান।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া হীরাটি অত্যন্ত উচ্চমানের এবং বিশ্বজুড়ে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। যে স্থানে এই হীরা পাওয়া গেছে, সেখানে আরও মূল্যবান পাথর থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। নিয়মিত অনুসন্ধান চালানো হলে ভবিষ্যতে ওই অঞ্চলের ভাগ্য পরিবর্তনেরও সম্ভাবনা দেখছেন তারা।

নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি কর এবং রয়্যালটির অংশটুকু বাদ দিয়ে বাকি সমস্ত অর্থই পাবেন ওই ৭ জন শ্রমিক।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh