ঢাকা ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিবাসীদের জন্য বাড়ছে নিরাপত্তাহীনতা ও প্রাণহানির ঝুঁকি ইসলামের দৃষ্টিতে কথা বলার আদব ও শিষ্টাচার গোপনে আবুধাবি সফরে নেতানিয়াহু, বৈঠক আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সম্পর্ক সুন্দর ও দৃঢ় করতে সালামের গুরুত্ব অপরিসীম আশুলিয়ায় উচ্ছেদ অভিযানে আনসার-হকার সংঘর্ষ, আহত ৪ শরীয়তপুর পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে তালা ভেঙে ল্যাপটপ ও ট্যাব চুরি এইচএসসি উত্তীর্ণদের শিক্ষাবৃত্তি দেবে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন আজকের পর্দায় বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ম্যাচসহ নেশন্স লিগের ফুটবল লড়াই কাশীয়ানীতে ১৯৮ ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার ট্রাম্প-শি বৈঠকে সমঝোতা না হলেও যুক্তরাষ্ট্রে আসবে চীনা বৈদ্যুতিক গাড়ি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আক্রমণাত্মক আচরণে বিতর্কে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৫২:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স তার আক্রমণাত্মক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আচরণের জন্য নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। সমালোচকদের উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি নিয়মিতভাবে ব্যক্তিগত আক্রমণ, কটাক্ষ এবং বিদ্রূপের আশ্রয় নিচ্ছেন, যা মার্কিন রাজনীতিতে বিরল এক ঘটনা। এমনকি রক্ষণশীল কলাম লেখক মার্ক থিয়েসেনের শারীরিক গঠন নিয়েও তিনি বিরূপ মন্তব্য করেছেন।

ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন থিয়েসেন ইরান ইস্যুতে ভ্যান্সের অবস্থানের সমালোচনা করেন। এর কয়েকদিন পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থিয়েসেনের শারীরিক গঠন নিয়ে ভ্যান্স মন্তব্য করেন। থিয়েসেন তার এক পোস্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার বুরিটোর দাম নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন, যার জবাবে ভ্যান্স ইঙ্গিত দেন যে থিয়েসেন হয়তো ক্যাফেটেরিয়ায় একাধিকবার খাবার গ্রহণ করেছেন। এই মন্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়, যেখানে অনেকে ভ্যান্সের নিজের ওজন কমানোর বিষয়টি টেনে আনেন। ভ্যান্সের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে তিনি প্রায় ৩০ পাউন্ড ওজন কমিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ব্যক্তিগত আক্রমণ নতুন কিছু না হলেও, বর্তমান কোনো ভাইস প্রেসিডেন্টের সরাসরি শারীরিক কটাক্ষের ঘটনা খুবই অস্বাভাবিক। ভ্যান্স অবশ্য দীর্ঘদিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আক্রমণাত্মক ভাষার ব্যবহার করে আসছেন। তার আক্রমণের তালিকায় বামপন্থি সমালোচকদের পাশাপাশি নিজ দলের রক্ষণশীলরাও রয়েছেন। তিনি সমালোচকদের ‘বোকা’, ‘অযোগ্য’ বা ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করে থাকেন।

সাংবাদিকদের প্রতিও তার কঠোর মনোভাব স্পষ্ট। এবিসি নিউজের সাবেক প্রতিবেদক টেরি মোরানকে তিনি ‘বামপন্থি উগ্রবাদী’ এবং জিউইশ ইনসাইডারের সাংবাদিক জশ ক্রুশারকে ‘ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বড় পক্ষপাতদুষ্ট’ অথবা ‘সবচেয়ে বোকা সাংবাদিক’ বলে মন্তব্য করেছেন। নিজ দলের সমালোচক ডেভিড রিবোইকে ইরান নীতি নিয়ে মন্তব্য করায় তিনি ‘লুজার’ বলে অভিহিত করেছেন। এছাড়া ডানপন্থি প্রভাবশালী লরা লুমারের সমালোচনা করে ভ্যান্স বলেছেন, তিনি প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভেদ তৈরি করছেন।

বিভিন্ন ইস্যুতে ভ্যান্সের কটু শব্দ ব্যবহারের প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। এক পডকাস্টারের মন্তব্যের জবাবে তিনি ‘আত্মবিশ্বাসী ও অহংকারী বাজে কথা’ ঘৃণা করার কথা জানান। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে ট্রাম্প ও জেফ্রি এপস্টেইন সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশকে তিনি ‘সম্পূর্ণ বাজে কথা’ বলে উড়িয়ে দেন। এছাড়া স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিষয়ক মন্ত্রী রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রকে নিয়ে সিনেটরদের প্রশ্নের সমালোচনা করে তিনি লিখেছেন, ‘আপনারা মিথ্যা বলছেন এবং সবাই তা জানে।’

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আক্রমণাত্মক আচরণে বিতর্কে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স

আপডেট সময় : ০১:৫২:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স তার আক্রমণাত্মক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আচরণের জন্য নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। সমালোচকদের উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি নিয়মিতভাবে ব্যক্তিগত আক্রমণ, কটাক্ষ এবং বিদ্রূপের আশ্রয় নিচ্ছেন, যা মার্কিন রাজনীতিতে বিরল এক ঘটনা। এমনকি রক্ষণশীল কলাম লেখক মার্ক থিয়েসেনের শারীরিক গঠন নিয়েও তিনি বিরূপ মন্তব্য করেছেন।

ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন থিয়েসেন ইরান ইস্যুতে ভ্যান্সের অবস্থানের সমালোচনা করেন। এর কয়েকদিন পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থিয়েসেনের শারীরিক গঠন নিয়ে ভ্যান্স মন্তব্য করেন। থিয়েসেন তার এক পোস্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার বুরিটোর দাম নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন, যার জবাবে ভ্যান্স ইঙ্গিত দেন যে থিয়েসেন হয়তো ক্যাফেটেরিয়ায় একাধিকবার খাবার গ্রহণ করেছেন। এই মন্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়, যেখানে অনেকে ভ্যান্সের নিজের ওজন কমানোর বিষয়টি টেনে আনেন। ভ্যান্সের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে তিনি প্রায় ৩০ পাউন্ড ওজন কমিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ব্যক্তিগত আক্রমণ নতুন কিছু না হলেও, বর্তমান কোনো ভাইস প্রেসিডেন্টের সরাসরি শারীরিক কটাক্ষের ঘটনা খুবই অস্বাভাবিক। ভ্যান্স অবশ্য দীর্ঘদিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আক্রমণাত্মক ভাষার ব্যবহার করে আসছেন। তার আক্রমণের তালিকায় বামপন্থি সমালোচকদের পাশাপাশি নিজ দলের রক্ষণশীলরাও রয়েছেন। তিনি সমালোচকদের ‘বোকা’, ‘অযোগ্য’ বা ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করে থাকেন।

সাংবাদিকদের প্রতিও তার কঠোর মনোভাব স্পষ্ট। এবিসি নিউজের সাবেক প্রতিবেদক টেরি মোরানকে তিনি ‘বামপন্থি উগ্রবাদী’ এবং জিউইশ ইনসাইডারের সাংবাদিক জশ ক্রুশারকে ‘ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বড় পক্ষপাতদুষ্ট’ অথবা ‘সবচেয়ে বোকা সাংবাদিক’ বলে মন্তব্য করেছেন। নিজ দলের সমালোচক ডেভিড রিবোইকে ইরান নীতি নিয়ে মন্তব্য করায় তিনি ‘লুজার’ বলে অভিহিত করেছেন। এছাড়া ডানপন্থি প্রভাবশালী লরা লুমারের সমালোচনা করে ভ্যান্স বলেছেন, তিনি প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভেদ তৈরি করছেন।

বিভিন্ন ইস্যুতে ভ্যান্সের কটু শব্দ ব্যবহারের প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। এক পডকাস্টারের মন্তব্যের জবাবে তিনি ‘আত্মবিশ্বাসী ও অহংকারী বাজে কথা’ ঘৃণা করার কথা জানান। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে ট্রাম্প ও জেফ্রি এপস্টেইন সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশকে তিনি ‘সম্পূর্ণ বাজে কথা’ বলে উড়িয়ে দেন। এছাড়া স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিষয়ক মন্ত্রী রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রকে নিয়ে সিনেটরদের প্রশ্নের সমালোচনা করে তিনি লিখেছেন, ‘আপনারা মিথ্যা বলছেন এবং সবাই তা জানে।’

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh