ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু-খ্রিষ্টানরা অনুপ্রবেশকারী নন, শরণার্থী: শুভেন্দু অধিকারী ৫ আগস্ট উদ্বোধন হবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর ইরানের অবকাঠামোয় হামলার কথা ভাবছেন ট্রাম্প, পাল্টা হুঁশিয়ারি তেহরানের মনোহরদীতে আ.লীগ নেতার ছেলের লাঠির আঘাতে বিএনপি নেতা নিহত বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড ২০ হাজার ডলার প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান শুরু অক্টোবরে দেশের সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জুলাই অভ্যুত্থানে রাকিবুল হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট ভেদরগঞ্জে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, লাইসেন্সহীন ২ ক্লিনিক সিলগালা জুলাই আন্দোলন কারও একার কৃতিত্ব নয়: আতিকুর রহমান রুমন

বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড ২০ হাজার ডলার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৫০টি দেশের আবেদনকারীদের জন্য একটি ভিসা বন্ড কর্মসূচি স্থায়ী করার উদ্যোগ নিয়েছে। এই নতুন নিয়মের আওতায় আবেদনকারীদের মার্কিন ভিসা পাওয়ার শর্ত হিসেবে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দিতে হতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুক্রবার অনলাইনে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ফেডারেল রেজিস্টারের এই বিজ্ঞপ্তি মূলত ‘বি১’ ও ‘বি২’ ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, যা সাধারণত ব্যবসা ও পর্যটন ভ্রমণের জন্য দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কনস্যুলার কর্মকর্তারা ভিসা ইস্যু করার শর্ত হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু অ–অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীকে এই বন্ড জমা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন। বন্ডের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ সংশ্লিষ্ট কনস্যুলার কর্মকর্তাই নির্ধারণ করবেন।

এই কর্মসূচির আওতায় থাকা ৫০টি দেশের মধ্যে ৩০টিই আফ্রিকার। নতুন এই নিয়ম আগামী ৩ আগস্ট থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালে ভিসা বন্ডের একটি পাইলট প্রকল্প চালানো হয়েছিল। পররাষ্ট্র দপ্তর, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়কে যৌথভাবে এই প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পাইলট প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, ভিসাধারীদের বাধ্যবাধকতা বজায় রাখতে এটি কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে।

পাইলট কর্মসূচিতে বন্ডের পরিমাণ ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলারের মধ্যে থাকলেও, চূড়ান্ত নিয়মে ৫ হাজার ডলারের অপশনটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং সর্বোচ্চ সীমা বাড়িয়ে ২০ হাজার ডলার করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পর্যটকদের অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান ঠেকানোই এই নতুন নীতির লক্ষ্য।

তবে অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই কঠোর পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ ভ্রমণকে নিরুৎসাহিত করবে। মানবাধিকারকর্মীদের মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই আগ্রাসী অভিবাসন দমননীতি মুক্তবাক ও ন্যায্য বিচার পাওয়ার অধিকারকে ক্ষুণ্ন করছে এবং সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর জন্য অনিরাপদ পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি বর্ণবৈষম্যকে উসকে দিচ্ছে। অন্যদিকে, ট্রাম্প বরাবরই এসব পদক্ষেপকে জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য প্রয়োজনীয় বলে দাবি করে আসছেন। অবৈধ অভিবাসন বন্ধের কথা বললেও, বর্তমান প্রশাসন চড়া ফি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই–বাছাই বাধ্যতামূলক করার মতো বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে বৈধ অভিবাসনকেও আরও কঠিন করে তুলেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড ২০ হাজার ডলার

আপডেট সময় : ০৭:৫০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
print news

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৫০টি দেশের আবেদনকারীদের জন্য একটি ভিসা বন্ড কর্মসূচি স্থায়ী করার উদ্যোগ নিয়েছে। এই নতুন নিয়মের আওতায় আবেদনকারীদের মার্কিন ভিসা পাওয়ার শর্ত হিসেবে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দিতে হতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুক্রবার অনলাইনে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ফেডারেল রেজিস্টারের এই বিজ্ঞপ্তি মূলত ‘বি১’ ও ‘বি২’ ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, যা সাধারণত ব্যবসা ও পর্যটন ভ্রমণের জন্য দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কনস্যুলার কর্মকর্তারা ভিসা ইস্যু করার শর্ত হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু অ–অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীকে এই বন্ড জমা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন। বন্ডের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ সংশ্লিষ্ট কনস্যুলার কর্মকর্তাই নির্ধারণ করবেন।

এই কর্মসূচির আওতায় থাকা ৫০টি দেশের মধ্যে ৩০টিই আফ্রিকার। নতুন এই নিয়ম আগামী ৩ আগস্ট থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালে ভিসা বন্ডের একটি পাইলট প্রকল্প চালানো হয়েছিল। পররাষ্ট্র দপ্তর, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়কে যৌথভাবে এই প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পাইলট প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, ভিসাধারীদের বাধ্যবাধকতা বজায় রাখতে এটি কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে।

পাইলট কর্মসূচিতে বন্ডের পরিমাণ ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলারের মধ্যে থাকলেও, চূড়ান্ত নিয়মে ৫ হাজার ডলারের অপশনটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং সর্বোচ্চ সীমা বাড়িয়ে ২০ হাজার ডলার করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পর্যটকদের অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান ঠেকানোই এই নতুন নীতির লক্ষ্য।

তবে অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই কঠোর পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ ভ্রমণকে নিরুৎসাহিত করবে। মানবাধিকারকর্মীদের মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই আগ্রাসী অভিবাসন দমননীতি মুক্তবাক ও ন্যায্য বিচার পাওয়ার অধিকারকে ক্ষুণ্ন করছে এবং সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর জন্য অনিরাপদ পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি বর্ণবৈষম্যকে উসকে দিচ্ছে। অন্যদিকে, ট্রাম্প বরাবরই এসব পদক্ষেপকে জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য প্রয়োজনীয় বলে দাবি করে আসছেন। অবৈধ অভিবাসন বন্ধের কথা বললেও, বর্তমান প্রশাসন চড়া ফি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই–বাছাই বাধ্যতামূলক করার মতো বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে বৈধ অভিবাসনকেও আরও কঠিন করে তুলেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo