ঢাকা ০২:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুরে সাহাবীর হত্যা মামলায় বাবা-ছেলে কারাগারে নারায়ণগঞ্জে জুলাই বিপ্লব বার্ষিকীর মাসব্যাপী কর্মসূচি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন ও কর্মসূচি ঘোষণা। মোঃ ইসমাইল হোসেন, ছাগলনাইয়াতে ট্রাক্টর ও সিএনজির সংঘর্ষে নিহত-১ ঢাকার ১৯ গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এআই ক্যামেরা চালু, দেড় হাজার মামলা রেকর্ড সোনাগাজীতে ময়লার স্তূপে কারণে অতিষ্ঠ জনজীবন মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই খুনি গ্রেফতার, রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্রে বিলীন ২৫ বসতঘর, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ রংপুরে ডিবি’র অভিযানে ৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার, মাদক কারবারি আটক-১ লালমনিরহাটে ভারত গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি কুমিল্লায় স্কুল ছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলি সহ গ্রেফতার-৪

যশোর বাঘারপাড়া উপজেলার খাজুরার ফাহিম বাঁচতে চায়

মোঃ ওবাইদুল হক স্টাফ রিপোর্টার যশোর:
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫ ২৮২ বার পড়া হয়েছে

যশোর বাঘারপাড়া উপজেলার খাজুরার ফাহিম বাঁচতে চায়

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মোঃ ওবাইদুল হক
স্টাফ রিপোর্টার যশোর:

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বাঁচতে চায় ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত সাজিম আক্তার ফাহিম (১০)। পাঁচ লাখ টাকা হলেই তার অপারেশন সম্ভব। কিন্তু দরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায় সেটি অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফাহিম যশোরের খাজুরার স্থানীয় বন্দবিলা ইউনিয়নের ঘোপদূর্গাপুর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে। সে ঘোপদূর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

ফাহিমের মা মুক্তি খাতুন জানান, ১ মাস আগে শারীরিক সমস্যা দেয় ফাহিমের। জ্বর জ্বর লাগে, বমি ও মাঝে মাঝে প্রচণ্ড মাথাব্যাথা হয়। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেওয়ার পর যশোরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে দেখানো হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ফাহিমের রক্তে ইনফেকশন শনাক্ত হয়। পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সিটিস্ক্যান রিপোর্টে ব্রেইনে টিউমার ধরা পড়ে।

ফাহিমের বাবা আমিরুল ইসলাম জানান, কয়েকদিন ধরে ফাহিমের চোখ বুঁজে আসছে। জোর করেও তাকিয়ে থাকতে পারে না। দেখতেও পারছে না ঠিকমতো। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ধানমণ্ডির গ্রিণ লাইফ হাসপাতাল নেওয়া হলে দ্রুত অপারেশনের পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা৷ দেরি হলে টিউমার থেকে ক্যানসার হতে পারে।

আমিরুল পেশায় একজন দোকান কর্মচারী। তার দুই ছেলের মধ্যে ফাহিম ছোট। বড় ছেলে কাভার্ডভ্যান চালক শাহ আলম (১৫) কয়েকদিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে। আর মুনিয়া নামে পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যা সন্তানও রয়েছে আমিরুল দম্পত্তির। ঘোপদূর্গাপুর সরকারি আশ্রায়ন প্রকল্পে তাদের বসবাস। ছেলের ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত হওয়ার খবরে এখন দিশেহারা ফাহিমের পরিবার। ইতিমধ্যে সন্তানের চিকিৎসার জন্য ধারদেনা করে ১ লাখ টাকা যোগাড় করতে পেরেছেন ফাহিমের বাবা৷ অপারেশনের বাকি ৪ লাখ টাকা তার পক্ষে যোগাড় করা সম্ভব নয়।

এখন প্রাণপ্রিয় সন্তানকে বাঁচাতে সমাজের হৃদয়বান মানুষের দিকে তাকিয়ে আছে ফাহিমের পরিবার। সবাই মিলে এগিয়ে এলে এই পরিমাণ অর্থ যোগাড় করা হয়তো অতটা কঠিন হবে না৷ ফাহিমকে বাঁচাতে তার বাবা আমিরুলের বিকাশ ও নগদ ০১৭৯০-০৫৩৭৮২ নম্বরে আপনার সহায়তা পৌঁছে দিতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

যশোর বাঘারপাড়া উপজেলার খাজুরার ফাহিম বাঁচতে চায়

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫
print news

মোঃ ওবাইদুল হক
স্টাফ রিপোর্টার যশোর:

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বাঁচতে চায় ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত সাজিম আক্তার ফাহিম (১০)। পাঁচ লাখ টাকা হলেই তার অপারেশন সম্ভব। কিন্তু দরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায় সেটি অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফাহিম যশোরের খাজুরার স্থানীয় বন্দবিলা ইউনিয়নের ঘোপদূর্গাপুর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে। সে ঘোপদূর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

ফাহিমের মা মুক্তি খাতুন জানান, ১ মাস আগে শারীরিক সমস্যা দেয় ফাহিমের। জ্বর জ্বর লাগে, বমি ও মাঝে মাঝে প্রচণ্ড মাথাব্যাথা হয়। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেওয়ার পর যশোরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে দেখানো হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ফাহিমের রক্তে ইনফেকশন শনাক্ত হয়। পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সিটিস্ক্যান রিপোর্টে ব্রেইনে টিউমার ধরা পড়ে।

ফাহিমের বাবা আমিরুল ইসলাম জানান, কয়েকদিন ধরে ফাহিমের চোখ বুঁজে আসছে। জোর করেও তাকিয়ে থাকতে পারে না। দেখতেও পারছে না ঠিকমতো। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ধানমণ্ডির গ্রিণ লাইফ হাসপাতাল নেওয়া হলে দ্রুত অপারেশনের পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা৷ দেরি হলে টিউমার থেকে ক্যানসার হতে পারে।

আমিরুল পেশায় একজন দোকান কর্মচারী। তার দুই ছেলের মধ্যে ফাহিম ছোট। বড় ছেলে কাভার্ডভ্যান চালক শাহ আলম (১৫) কয়েকদিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে। আর মুনিয়া নামে পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যা সন্তানও রয়েছে আমিরুল দম্পত্তির। ঘোপদূর্গাপুর সরকারি আশ্রায়ন প্রকল্পে তাদের বসবাস। ছেলের ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত হওয়ার খবরে এখন দিশেহারা ফাহিমের পরিবার। ইতিমধ্যে সন্তানের চিকিৎসার জন্য ধারদেনা করে ১ লাখ টাকা যোগাড় করতে পেরেছেন ফাহিমের বাবা৷ অপারেশনের বাকি ৪ লাখ টাকা তার পক্ষে যোগাড় করা সম্ভব নয়।

এখন প্রাণপ্রিয় সন্তানকে বাঁচাতে সমাজের হৃদয়বান মানুষের দিকে তাকিয়ে আছে ফাহিমের পরিবার। সবাই মিলে এগিয়ে এলে এই পরিমাণ অর্থ যোগাড় করা হয়তো অতটা কঠিন হবে না৷ ফাহিমকে বাঁচাতে তার বাবা আমিরুলের বিকাশ ও নগদ ০১৭৯০-০৫৩৭৮২ নম্বরে আপনার সহায়তা পৌঁছে দিতে পারেন।