মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, বিনা খরচে যাবে ১০ হাজার কর্মী
- আপডেট সময় : ০৪:৫৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে সরকার। দেশটির শ্রমবাজার পুনরায় কার্যকর করা এবং একটি স্বচ্ছ, সুশৃঙ্খল ও ব্যাপক অংশগ্রহণমূলক নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মোট ৩৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে তালিকাভুক্ত করতে সম্মত হয়েছে মালয়েশিয়া। এর পাশাপাশি বাংলাদেশের বিশেষ অনুরোধে ১০ হাজার কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা খরচে (জিরো কস্ট) দেশটিতে পাঠানোর বিষয়ে মালয়েশীয় কর্তৃপক্ষ নীতিগতভাবে একমত পোষণ করেছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত ৩৩৮টি এজেন্সির মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল), ২৫টি বেসরকারি প্রসেসিং বা সার্ভিস এজেন্সি এবং ৩১২টি অন্যান্য রিক্রুটিং এজেন্সি।
২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী, মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় নির্ধারিত যোগ্যতার ভিত্তিতে এই এজেন্সিগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এজেন্সিগুলোর যোগ্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং বাংলাদেশের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে মালয়েশিয়া কিছু শর্তে নমনীয়তা প্রদর্শন করে। এই প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র ও সহায়ক দলিলসহ ৪২৩টি এজেন্সির তালিকা দেশটির কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছিল।
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বন্ধ ও সীমিত হয়ে যাওয়া বৈদেশিক শ্রমবাজার পুনরায় চালু এবং সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়, যেখানে মালয়েশিয়ার বাজারকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তার প্রথম সরকারি বিদেশ সফরের জন্য মালয়েশিয়াকে বেছে নিয়েছিলেন এবং সেখানে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার চালুর বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মালয়েশিয়ার আইন ও বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের প্রতি সম্মান রেখে বাংলাদেশের বৈধ ও যোগ্য এজেন্সিগুলোর অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে তালিকাভুক্ত এজেন্সিগুলো নিজেরাই মালয়েশিয়ার নিয়োগকর্তা খুঁজে বের করতে, চাকরির চাহিদাপত্র সংগ্রহ করতে এবং বাংলাদেশে কর্মী নির্বাচন করতে পারবে। সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি মেনে তারা এসব কর্মীর নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।




























