ঢাকা ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঈশ্বরদীতে ক্রেতা সেজে দুই ভরি স্বর্ণের মালা নিয়ে চম্পট গোপালগঞ্জে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ ইবির আইন অনুষদের ১৯ শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে মনোনীত নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে নতুন আশাবাদ, নিউইয়র্কে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নিউইয়র্কে মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে ব্যর্থতার সুযোগ নেই: রুহুল আমিন হাওলাদার রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর নাটোর সদর উপজেলায় বক্তব্য দেওয়ার সময় মারা গেলেন মাদ্রাসা শিক্ষক

অতিরিক্ত বিদেশী কর্মী আনার পরিকল্পনা নেই মালয়েশিয়ার, দাবি নাকচ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:১৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



মালয়েশিয়ায় অতিরিক্ত কোনো বিদেশী কর্মী আনার আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই বলে স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী আর. রমনন। সম্প্রতি বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে একটি খবর প্রকাশিত হয়, যেখানে দাবি করা হয়েছিল যে চলতি মাসের শেষ থেকে আগামী ছয় মাসের মধ্যে দফায় দফায় প্রায় ২ লাখ বাংলাদেশী কর্মী নেবে মালয়েশিয়া।

এই দাবিকে পুরোপুরি নাকচ ও খারিজ করে দিয়েছেন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী। তিনি বলেন, "ছয় মাসের মধ্যে দুই লাখ কর্মী আসা কীভাবে যুক্তিযুক্ত হতে পারে? তার মানে কি আমরা প্রতিদিন এক হাজারের বেশি বাংলাদেশী কর্মী দেশে নিয়ে আসব? এটি অবাস্তব, অসংলগ্ন এবং একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।" তিনি ফ্রি মালয়েশিয়া টুডেকে নিশ্চিত করেছেন যে, ২০৩০ সালের মধ্যে মালয়েশিয়া সরকার তাদের মোট শ্রমশক্তির মধ্যে বিদেশী কর্মীর অনুপাত ১০ শতাংশে নামিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আর. রমনন আরও জানান, বাংলাদেশী সমকক্ষদের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি বুঝতে পেরেছেন যে পূর্বের বক্তব্যটিতে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ১৩তম মালয়েশিয়া পরিকল্পনার অধীনে অর্থনীতি মন্ত্রণালয় যে সীমা নির্ধারণ করেছে, তার ভিত্তিতে বিভিন্ন শিল্প ও খাতের প্রকৃত চাহিদার ওপর নির্ভর করেই কর্মী নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়। কোনো নির্দিষ্ট খাতে প্রকৃত ও জরুরি প্রয়োজন দেখা দিলেই কেবল তা মন্ত্রিসভায় আলোচনার জন্য উত্থাপন করা হবে।

এদিকে মালয়েশিয়া সরকারের মুখপাত্র ও যোগাযোগ মন্ত্রী ফাহমি ফাদজিলও এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, বাংলাদেশী প্রতিমন্ত্রীর উক্ত মন্তব্যটি ঢাকার কোনো অফিসিয়াল বা আনুষ্ঠানিক অবস্থানের প্রতিনিধিত্ব করে না। ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, দি ষ্টার অনলাইন এবং নিউ স্ট্রেইটস টাইমসসহ দেশটির প্রায় সবকটি গণমাধ্যম এই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

অতিরিক্ত বিদেশী কর্মী আনার পরিকল্পনা নেই মালয়েশিয়ার, দাবি নাকচ

আপডেট সময় : ১২:১৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মালয়েশিয়ায় অতিরিক্ত কোনো বিদেশী কর্মী আনার আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই বলে স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী আর. রমনন। সম্প্রতি বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে একটি খবর প্রকাশিত হয়, যেখানে দাবি করা হয়েছিল যে চলতি মাসের শেষ থেকে আগামী ছয় মাসের মধ্যে দফায় দফায় প্রায় ২ লাখ বাংলাদেশী কর্মী নেবে মালয়েশিয়া।

এই দাবিকে পুরোপুরি নাকচ ও খারিজ করে দিয়েছেন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী। তিনি বলেন, "ছয় মাসের মধ্যে দুই লাখ কর্মী আসা কীভাবে যুক্তিযুক্ত হতে পারে? তার মানে কি আমরা প্রতিদিন এক হাজারের বেশি বাংলাদেশী কর্মী দেশে নিয়ে আসব? এটি অবাস্তব, অসংলগ্ন এবং একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।" তিনি ফ্রি মালয়েশিয়া টুডেকে নিশ্চিত করেছেন যে, ২০৩০ সালের মধ্যে মালয়েশিয়া সরকার তাদের মোট শ্রমশক্তির মধ্যে বিদেশী কর্মীর অনুপাত ১০ শতাংশে নামিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আর. রমনন আরও জানান, বাংলাদেশী সমকক্ষদের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি বুঝতে পেরেছেন যে পূর্বের বক্তব্যটিতে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ১৩তম মালয়েশিয়া পরিকল্পনার অধীনে অর্থনীতি মন্ত্রণালয় যে সীমা নির্ধারণ করেছে, তার ভিত্তিতে বিভিন্ন শিল্প ও খাতের প্রকৃত চাহিদার ওপর নির্ভর করেই কর্মী নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়। কোনো নির্দিষ্ট খাতে প্রকৃত ও জরুরি প্রয়োজন দেখা দিলেই কেবল তা মন্ত্রিসভায় আলোচনার জন্য উত্থাপন করা হবে।

এদিকে মালয়েশিয়া সরকারের মুখপাত্র ও যোগাযোগ মন্ত্রী ফাহমি ফাদজিলও এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, বাংলাদেশী প্রতিমন্ত্রীর উক্ত মন্তব্যটি ঢাকার কোনো অফিসিয়াল বা আনুষ্ঠানিক অবস্থানের প্রতিনিধিত্ব করে না। ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, দি ষ্টার অনলাইন এবং নিউ স্ট্রেইটস টাইমসসহ দেশটির প্রায় সবকটি গণমাধ্যম এই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin