অজয় দেবগনের জুহুর বাংলোয় নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ বিএমসির
- আপডেট সময় : ০৮:৩৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

বলিউড অভিনেতা অজয় দেবগনের জুহুর বাংলোতে একটি স্যালোঁ ও স্পা চালুর উদ্যোগকে কেন্দ্র করে আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছে। বাংলোর একটি অংশে এই বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কাজে আপত্তি জানিয়েছে স্থানীয় কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখে সেখানে চলমান নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (বিএমসি)।
বিএমসির কে-ওয়েস্ট ওয়ার্ড থেকে দেবগন পরিবারকে একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ওই নোটিশে জানতে চাওয়া হয়েছে, বাংলোর যে অংশে স্যালোঁ ও স্পা তৈরির কাজ চলছিল, সেটি বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত কি না। এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় বৈধ নথিপত্র ও অনুমতিপত্র উপস্থাপনের জন্য দেবগন পরিবারকে চার সপ্তাহ সময় দিয়েছে বিএমসি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে না পারায় আপাতত কাজ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, আবাসিক এলাকার এই বাংলোটিতে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান চালু হলে বহিরাগতদের যাতায়াত অনেক বেড়ে যাবে। জুহুর ওই এলাকার ভেতরের রাস্তাগুলো তুলনামূলক সরু হওয়ায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে পার্কিং সমস্যা, নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া এবং শব্দদূষণের মতো নাগরিক ভোগান্তি তৈরি হতে পারে। এ কারণে স্থানীয়রা এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে তীব্র আপত্তি তুলেছেন।
স্থানীয় করপোরেটর সুধা সিং জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টি এখন বিএমসির কে-ওয়েস্ট ওয়ার্ডের বিল্ডিং অ্যান্ড ফ্যাক্টরিজ বিভাগের সরাসরি তত্ত্বাবধানে রয়েছে। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ওই সম্পত্তির বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমতিসংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র মালিকপক্ষ দেখাতে পারেনি। হাউজিং সোসাইটির অভিযোগ পাওয়ার পর বিএমসি নথিপত্র দেখতে চাইলেও তা সরবরাহ করা হয়নি, যার ফলে কাজ বন্ধের নোটিশ জারি করা হয়।
অন্যদিকে, বিএমসির এই পদক্ষেপের বিপরীতে দেবগন পরিবারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র দাবি করেছে, স্যালোঁ ও স্পা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সরকারি অনুমতি ও অনুমোদন যথাযথ নিয়ম মেনেই নেওয়া হয়েছে। ফলে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট ভিন্নতা দেখা দিয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলোর ওই অংশে প্রতিষ্ঠানটি চালুর জন্য ইতিমধ্যে পাঁচ বছরের একটি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। চুক্তির প্রথম বছরে মাসিক ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ লাখ রুপি, যা পরবর্তী বছরগুলোতে ধাপে ধাপে বৃদ্ধি পাওয়ার কথা রয়েছে। এখন বিএমসির কাছে জমা দেওয়া নথির বৈধতার ওপরই নির্ভর করছে এই বাণিজ্যিক উদ্যোগের ভবিষ্যৎ।



























