ঢাকা ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সৌন্দর্যের ভেতর ইতিহাসের শরীর: হেগেল ও মার্কসের নন্দনতত্ত্বের তুলনামূলক পাঠ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহত করা হবে: এস এম জিলানী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা বনশ্রীতে কুকুরকে খাওয়াতে গিয়ে তরুণীকে মারধর, থানায় অভিযোগ ঈশ্বরদীতে ক্রেতা সেজে দুই ভরি স্বর্ণের মালা নিয়ে চম্পট গোপালগঞ্জে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ ইবির আইন অনুষদের ১৯ শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে মনোনীত নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে নতুন আশাবাদ, নিউইয়র্কে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক

ভিউয়ের চেয়ে গল্পের গভীরতাতেই আস্থা অভিনেত্রী তটিনীর

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৫৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নাটকের দুনিয়ায় বর্তমান সময়ে তানজিম সাইয়ারা তটিনী একটি পরিচিত ও প্রশংসিত নাম। নিয়মিত অভিনয়ে নিজেকে ভাঙছেন তিনি, আর প্রতিটি নতুন কাজের সঙ্গে দর্শকের প্রত্যাশার পারদও বাড়ছে। মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত ‘পথহারা মন’ নাটকের মাধ্যমে তিনি সম্প্রতি নতুন করে আলোচনায় এসেছেন, যা এখন অ্যামাজন প্রাইমেও দেখা যাচ্ছে। তবে জনপ্রিয়তার এই শিখরে দাঁড়িয়েও তটিনীর কাছে সাফল্যের সংজ্ঞাটি বেশ ভিন্ন ও গভীর।

ইউটিউবের ভিউ সংখ্যাকে অনেকে নাটকের জনপ্রিয়তার প্রধান মানদণ্ড হিসেবে মনে করলেও, তটিনী একে সাফল্যের একমাত্র মাপকাঠি মানতে নারাজ। তার মতে, দর্শক কতজন দেখলেন তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো তারা কী দেখলেন এবং কাজটি কতটা মানসম্মত হলো। এই দর্শনের প্রতিফলন দেখা যায় তার কাজ নির্বাচনের ক্ষেত্রেও। ‘পথহারা মন’ নাটকের সাফল্যের পেছনে তটিনী গল্পকেই সবচেয়ে বড় নিয়ামক মনে করেন। তিনি বলেন, নাটকটির গল্পের সঙ্গে সাধারণ মানুষ সহজে নিজেদের মিল খুঁজে পেয়েছেন। এছাড়া দীর্ঘ বিরতির পর জাহিদ হাসানের অভিনয়ে ফেরাটাও দর্শকের আগ্রহ বাড়িয়েছিল।

পারিবারিক গল্পের নাটকগুলোতে দর্শকের আগ্রহের বিষয়ে তিনি বলেন, গল্প যে ধরনেরই হোক না কেন, সেটি কীভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে তা-ই আসল। একজন নির্মাতার নিজস্ব শৈলীই দর্শকের সঙ্গে সংযোগ তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখে, যেমনটা মোস্তফা কামাল রাজের কাজের ক্ষেত্রে দেখা যায়। তটিনীর নিজের ক্যারিয়ারেও চরিত্র ও গল্পের গুরুত্ব অপরিসীম। তার অভিনয়জীবনের মাইলস্টোন হিসেবে তিনি ‘তোমাদের গল্প’ নাটকের ‘শালু’ চরিত্রটিকে উল্লেখ করেন। এছাড়া ‘সুহাসিনী’র আলো, ‘হৃদয়ের গভীরে’র রাহা, ‘সময় সব জানে’র ইরা এবং ‘কাজল চোখের মেয়ে’র কাজল চরিত্রগুলো তার কাছে বিশেষ অভিজ্ঞতার সঞ্চার করেছে।

বড় পর্দায় ‘জয়া আর শারমিন’ নাটকে ছোট একটি চরিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা থাকলেও, সিনেমায় নিয়মিত হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো তাড়াহুড়ো নেই তার। একাধিক প্রস্তাব পেলেও গল্প ও চরিত্র মনমতো না হওয়ায় তিনি ভালো কিছুর অপেক্ষায় আছেন। তিনি এমন একটি চরিত্রের সন্ধানে আছেন, যা দর্শকের প্রত্যাশাকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবে। তটিনীর ক্যারিয়ার দর্শন পরিষ্কার—জনপ্রিয়তা তাকে ব্যস্ততা ও পরিচিতি দিয়েছে ঠিকই, কিন্তু জনপ্রিয়তার পেছনে ছুটে নিজের কাজের মানের সঙ্গে আপস করতে তিনি রাজি নন। ভিউ, জুটি বা নতুন প্ল্যাটফর্ম ক্যারিয়ারের অংশ হলেও, শেষ পর্যন্ত দর্শকের মনে গল্প ও চরিত্রই টিকে থাকে, আর সেখানেই নিজের স্থায়ী জায়গা তৈরি করতে চান এই অভিনেত্রী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ভিউয়ের চেয়ে গল্পের গভীরতাতেই আস্থা অভিনেত্রী তটিনীর

আপডেট সময় : ০১:৫৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নাটকের দুনিয়ায় বর্তমান সময়ে তানজিম সাইয়ারা তটিনী একটি পরিচিত ও প্রশংসিত নাম। নিয়মিত অভিনয়ে নিজেকে ভাঙছেন তিনি, আর প্রতিটি নতুন কাজের সঙ্গে দর্শকের প্রত্যাশার পারদও বাড়ছে। মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত ‘পথহারা মন’ নাটকের মাধ্যমে তিনি সম্প্রতি নতুন করে আলোচনায় এসেছেন, যা এখন অ্যামাজন প্রাইমেও দেখা যাচ্ছে। তবে জনপ্রিয়তার এই শিখরে দাঁড়িয়েও তটিনীর কাছে সাফল্যের সংজ্ঞাটি বেশ ভিন্ন ও গভীর।

ইউটিউবের ভিউ সংখ্যাকে অনেকে নাটকের জনপ্রিয়তার প্রধান মানদণ্ড হিসেবে মনে করলেও, তটিনী একে সাফল্যের একমাত্র মাপকাঠি মানতে নারাজ। তার মতে, দর্শক কতজন দেখলেন তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো তারা কী দেখলেন এবং কাজটি কতটা মানসম্মত হলো। এই দর্শনের প্রতিফলন দেখা যায় তার কাজ নির্বাচনের ক্ষেত্রেও। ‘পথহারা মন’ নাটকের সাফল্যের পেছনে তটিনী গল্পকেই সবচেয়ে বড় নিয়ামক মনে করেন। তিনি বলেন, নাটকটির গল্পের সঙ্গে সাধারণ মানুষ সহজে নিজেদের মিল খুঁজে পেয়েছেন। এছাড়া দীর্ঘ বিরতির পর জাহিদ হাসানের অভিনয়ে ফেরাটাও দর্শকের আগ্রহ বাড়িয়েছিল।

পারিবারিক গল্পের নাটকগুলোতে দর্শকের আগ্রহের বিষয়ে তিনি বলেন, গল্প যে ধরনেরই হোক না কেন, সেটি কীভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে তা-ই আসল। একজন নির্মাতার নিজস্ব শৈলীই দর্শকের সঙ্গে সংযোগ তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখে, যেমনটা মোস্তফা কামাল রাজের কাজের ক্ষেত্রে দেখা যায়। তটিনীর নিজের ক্যারিয়ারেও চরিত্র ও গল্পের গুরুত্ব অপরিসীম। তার অভিনয়জীবনের মাইলস্টোন হিসেবে তিনি ‘তোমাদের গল্প’ নাটকের ‘শালু’ চরিত্রটিকে উল্লেখ করেন। এছাড়া ‘সুহাসিনী’র আলো, ‘হৃদয়ের গভীরে’র রাহা, ‘সময় সব জানে’র ইরা এবং ‘কাজল চোখের মেয়ে’র কাজল চরিত্রগুলো তার কাছে বিশেষ অভিজ্ঞতার সঞ্চার করেছে।

বড় পর্দায় ‘জয়া আর শারমিন’ নাটকে ছোট একটি চরিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা থাকলেও, সিনেমায় নিয়মিত হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো তাড়াহুড়ো নেই তার। একাধিক প্রস্তাব পেলেও গল্প ও চরিত্র মনমতো না হওয়ায় তিনি ভালো কিছুর অপেক্ষায় আছেন। তিনি এমন একটি চরিত্রের সন্ধানে আছেন, যা দর্শকের প্রত্যাশাকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবে। তটিনীর ক্যারিয়ার দর্শন পরিষ্কার—জনপ্রিয়তা তাকে ব্যস্ততা ও পরিচিতি দিয়েছে ঠিকই, কিন্তু জনপ্রিয়তার পেছনে ছুটে নিজের কাজের মানের সঙ্গে আপস করতে তিনি রাজি নন। ভিউ, জুটি বা নতুন প্ল্যাটফর্ম ক্যারিয়ারের অংশ হলেও, শেষ পর্যন্ত দর্শকের মনে গল্প ও চরিত্রই টিকে থাকে, আর সেখানেই নিজের স্থায়ী জায়গা তৈরি করতে চান এই অভিনেত্রী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh