ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বেতাগীতে জেন্ডার সমতা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতামূলক সভা বিমান বাংলাদেশ: ঢাকা-টরন্টোর অভিজ্ঞতা থেকে ঢাকা-নিউইয়র্কের সম্ভাবনা রপ্তানি খাতের গতি বাড়াতে ৫০০ কোটি টাকার প্রণোদনা ছাড় নরসিংদীতে মানব পাচার প্রতিরোধ ও সারভাইভারদের পুনর্বাসনে কর্মশালা দুই মাসে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ৩৮২ কোটি ডলার দিল্লির রাজপথে অস্থিরতা ও একচিলতে আশার আলো কিডনি বিক্রি করেও কাটল না অভাব, চুরির মামলায় গ্রেপ্তার যুবক চকরিয়ায় সড়ক দখলমুক্ত করতে দুই শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ শুটিংয়ের সেটে বড় বিপদের মুখে অভিনেতা ইমরান হাশমি বগুড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের হাজারো ঘর এখন মাদকসেবীদের আস্তানা

দুই ভাই অটামনাল মুন ও শুভর গান ‘তোমাকে দেখা মানে’ প্রকাশ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:২২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রায় দুই দশক বা দুই যুগ আগে ২০০২ সালে সৃষ্টি হয়েছিল গানটি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে প্রকাশ্যে এসেছে দুই সহোদর সংগীতশিল্পী অটামনাল মুন ও শুভেন্দু দাস শুভর প্রথম যৌথ গান ‘তোমাকে দেখা মানে’। গত ২০ আগস্ট শুভেন্দু দাস শুভর অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে গানটি অবমুক্ত করা হয়। এই গানের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কোনো গানে একসঙ্গে কাজ করলেন এই দুই ভাই।

গানটির কথা ও সুর করার পাশাপাশি এতে কণ্ঠ দিয়েছেন অটামনাল মুন। গানে স্টিল স্ট্রিং গিটারও বাজিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, নাইলন গিটার বাজানোর পাশাপাশি গানটির মিউজিক কো-প্রডাকশনে যুক্ত ছিলেন ছোট ভাই শুভেন্দু দাস শুভ। এছাড়া গানটির মিক্স ও মাস্টারিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন ইফতেখায়রুল আলম শুভ এবং ভিডিও প্রযোজনায় কাজ করেছেন সাঈফ হোসাইন।

২০০২ সালে গানটি প্রথম সৃষ্টি হওয়ার পর অটামনাল মুনের মুখে তা শোনেন ছোট ভাই শুভেন্দু। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে তারা যৌথভাবে গানটির রেকর্ডিং সম্পন্ন করেন। যদিও গানটির রেকর্ডিংয়ের সাথে ২০০৬ সালের স্মৃতিও জড়িয়ে থাকার কথা জানা যায়। দীর্ঘদিনের আবেগ ও স্মৃতি জড়ানো এই গানটি নিখুঁতভাবে উপস্থাপনের চেষ্টার কারণেই এটি প্রকাশ করতে এতদিন সময় লেগেছে বলে জানান দুই ভাই।

গানটি নিয়ে নিজের আবেগ প্রকাশ করতে গিয়ে অটামনাল মুন জানান, শুভেন্দু যুক্ত না হলে গানটি আজকের এই রূপ পেত না। গানটি নিয়ে যে আবেগ, তা তারা দুজনেই এতদিন ধরে বহন করে চলেছেন। এটি তাঁর অন্যতম প্রিয় একটি সৃষ্টি। মুন বলেন, ‘আমার এই গানের সঙ্গে সঙ্গে বড় হয়ে উঠেছে আমার ভাই শুভেন্দু দাস শুভ। তখন থেকেই গানটি রিলিজ করব করব করে আর করা হয়নি।’ দীর্ঘদিন গানটি প্রকাশ না হওয়ার কারণ হিসেবে তিনি পরিপূর্ণতার খোঁজের কথা উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, কোনো গান নিয়ে অনেক সময় অনেক পরিকল্পনা থাকে। বিশেষ করে তারা পরিপূর্ণতা খুঁজে বেড়ান, আর তা না হওয়া পর্যন্ত মনের মধ্যে এক ধরনের অশান্তি কাজ করে। অবশেষে দুই ভাই দুটি গিটার হাতে নিয়ে গানটি গেয়ে ফেলেন।

ছোট ভাই শুভেন্দু দাস শুভ জানান, গানটি তাদের কাছে কেবল একটি সৃষ্টি নয়, বরং বহু বছর ধরে বয়ে বেড়ানো এক অনুভূতি। ২০০২ সালে দাদার মুখে গানটির সুর ও ভাবনা শোনার পর থেকে তিনি নিজেও গিটার বাজিয়ে এটি অনেক গেয়েছেন। ২০১৬ সালের রেকর্ডিংয়ের স্মৃতিচারণ করে শুভেন্দু বলেন, ‘দীর্ঘ এক যুগ পরে, ২০১৬ সালে আমরা গানটির রেকর্ডিং করি। এত বছর ধরে গানটি আমাদের সঙ্গে ছিল— স্মৃতি, সময় আর ভালোবাসার সঙ্গে মিশে থাকা একটি পুরোনো অধ্যায়ের মতো।’

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

দুই ভাই অটামনাল মুন ও শুভর গান ‘তোমাকে দেখা মানে’ প্রকাশ

আপডেট সময় : ১০:২২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

প্রায় দুই দশক বা দুই যুগ আগে ২০০২ সালে সৃষ্টি হয়েছিল গানটি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে প্রকাশ্যে এসেছে দুই সহোদর সংগীতশিল্পী অটামনাল মুন ও শুভেন্দু দাস শুভর প্রথম যৌথ গান ‘তোমাকে দেখা মানে’। গত ২০ আগস্ট শুভেন্দু দাস শুভর অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে গানটি অবমুক্ত করা হয়। এই গানের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কোনো গানে একসঙ্গে কাজ করলেন এই দুই ভাই।

গানটির কথা ও সুর করার পাশাপাশি এতে কণ্ঠ দিয়েছেন অটামনাল মুন। গানে স্টিল স্ট্রিং গিটারও বাজিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, নাইলন গিটার বাজানোর পাশাপাশি গানটির মিউজিক কো-প্রডাকশনে যুক্ত ছিলেন ছোট ভাই শুভেন্দু দাস শুভ। এছাড়া গানটির মিক্স ও মাস্টারিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন ইফতেখায়রুল আলম শুভ এবং ভিডিও প্রযোজনায় কাজ করেছেন সাঈফ হোসাইন।

২০০২ সালে গানটি প্রথম সৃষ্টি হওয়ার পর অটামনাল মুনের মুখে তা শোনেন ছোট ভাই শুভেন্দু। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে তারা যৌথভাবে গানটির রেকর্ডিং সম্পন্ন করেন। যদিও গানটির রেকর্ডিংয়ের সাথে ২০০৬ সালের স্মৃতিও জড়িয়ে থাকার কথা জানা যায়। দীর্ঘদিনের আবেগ ও স্মৃতি জড়ানো এই গানটি নিখুঁতভাবে উপস্থাপনের চেষ্টার কারণেই এটি প্রকাশ করতে এতদিন সময় লেগেছে বলে জানান দুই ভাই।

গানটি নিয়ে নিজের আবেগ প্রকাশ করতে গিয়ে অটামনাল মুন জানান, শুভেন্দু যুক্ত না হলে গানটি আজকের এই রূপ পেত না। গানটি নিয়ে যে আবেগ, তা তারা দুজনেই এতদিন ধরে বহন করে চলেছেন। এটি তাঁর অন্যতম প্রিয় একটি সৃষ্টি। মুন বলেন, ‘আমার এই গানের সঙ্গে সঙ্গে বড় হয়ে উঠেছে আমার ভাই শুভেন্দু দাস শুভ। তখন থেকেই গানটি রিলিজ করব করব করে আর করা হয়নি।’ দীর্ঘদিন গানটি প্রকাশ না হওয়ার কারণ হিসেবে তিনি পরিপূর্ণতার খোঁজের কথা উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, কোনো গান নিয়ে অনেক সময় অনেক পরিকল্পনা থাকে। বিশেষ করে তারা পরিপূর্ণতা খুঁজে বেড়ান, আর তা না হওয়া পর্যন্ত মনের মধ্যে এক ধরনের অশান্তি কাজ করে। অবশেষে দুই ভাই দুটি গিটার হাতে নিয়ে গানটি গেয়ে ফেলেন।

ছোট ভাই শুভেন্দু দাস শুভ জানান, গানটি তাদের কাছে কেবল একটি সৃষ্টি নয়, বরং বহু বছর ধরে বয়ে বেড়ানো এক অনুভূতি। ২০০২ সালে দাদার মুখে গানটির সুর ও ভাবনা শোনার পর থেকে তিনি নিজেও গিটার বাজিয়ে এটি অনেক গেয়েছেন। ২০১৬ সালের রেকর্ডিংয়ের স্মৃতিচারণ করে শুভেন্দু বলেন, ‘দীর্ঘ এক যুগ পরে, ২০১৬ সালে আমরা গানটির রেকর্ডিং করি। এত বছর ধরে গানটি আমাদের সঙ্গে ছিল— স্মৃতি, সময় আর ভালোবাসার সঙ্গে মিশে থাকা একটি পুরোনো অধ্যায়ের মতো।’

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh