দুই ভাই অটামনাল মুন ও শুভর গান ‘তোমাকে দেখা মানে’ প্রকাশ
- আপডেট সময় : ১০:২২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

প্রায় দুই দশক বা দুই যুগ আগে ২০০২ সালে সৃষ্টি হয়েছিল গানটি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে প্রকাশ্যে এসেছে দুই সহোদর সংগীতশিল্পী অটামনাল মুন ও শুভেন্দু দাস শুভর প্রথম যৌথ গান ‘তোমাকে দেখা মানে’। গত ২০ আগস্ট শুভেন্দু দাস শুভর অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে গানটি অবমুক্ত করা হয়। এই গানের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কোনো গানে একসঙ্গে কাজ করলেন এই দুই ভাই।
গানটির কথা ও সুর করার পাশাপাশি এতে কণ্ঠ দিয়েছেন অটামনাল মুন। গানে স্টিল স্ট্রিং গিটারও বাজিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, নাইলন গিটার বাজানোর পাশাপাশি গানটির মিউজিক কো-প্রডাকশনে যুক্ত ছিলেন ছোট ভাই শুভেন্দু দাস শুভ। এছাড়া গানটির মিক্স ও মাস্টারিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন ইফতেখায়রুল আলম শুভ এবং ভিডিও প্রযোজনায় কাজ করেছেন সাঈফ হোসাইন।
২০০২ সালে গানটি প্রথম সৃষ্টি হওয়ার পর অটামনাল মুনের মুখে তা শোনেন ছোট ভাই শুভেন্দু। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে তারা যৌথভাবে গানটির রেকর্ডিং সম্পন্ন করেন। যদিও গানটির রেকর্ডিংয়ের সাথে ২০০৬ সালের স্মৃতিও জড়িয়ে থাকার কথা জানা যায়। দীর্ঘদিনের আবেগ ও স্মৃতি জড়ানো এই গানটি নিখুঁতভাবে উপস্থাপনের চেষ্টার কারণেই এটি প্রকাশ করতে এতদিন সময় লেগেছে বলে জানান দুই ভাই।
গানটি নিয়ে নিজের আবেগ প্রকাশ করতে গিয়ে অটামনাল মুন জানান, শুভেন্দু যুক্ত না হলে গানটি আজকের এই রূপ পেত না। গানটি নিয়ে যে আবেগ, তা তারা দুজনেই এতদিন ধরে বহন করে চলেছেন। এটি তাঁর অন্যতম প্রিয় একটি সৃষ্টি। মুন বলেন, ‘আমার এই গানের সঙ্গে সঙ্গে বড় হয়ে উঠেছে আমার ভাই শুভেন্দু দাস শুভ। তখন থেকেই গানটি রিলিজ করব করব করে আর করা হয়নি।’ দীর্ঘদিন গানটি প্রকাশ না হওয়ার কারণ হিসেবে তিনি পরিপূর্ণতার খোঁজের কথা উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, কোনো গান নিয়ে অনেক সময় অনেক পরিকল্পনা থাকে। বিশেষ করে তারা পরিপূর্ণতা খুঁজে বেড়ান, আর তা না হওয়া পর্যন্ত মনের মধ্যে এক ধরনের অশান্তি কাজ করে। অবশেষে দুই ভাই দুটি গিটার হাতে নিয়ে গানটি গেয়ে ফেলেন।
ছোট ভাই শুভেন্দু দাস শুভ জানান, গানটি তাদের কাছে কেবল একটি সৃষ্টি নয়, বরং বহু বছর ধরে বয়ে বেড়ানো এক অনুভূতি। ২০০২ সালে দাদার মুখে গানটির সুর ও ভাবনা শোনার পর থেকে তিনি নিজেও গিটার বাজিয়ে এটি অনেক গেয়েছেন। ২০১৬ সালের রেকর্ডিংয়ের স্মৃতিচারণ করে শুভেন্দু বলেন, ‘দীর্ঘ এক যুগ পরে, ২০১৬ সালে আমরা গানটির রেকর্ডিং করি। এত বছর ধরে গানটি আমাদের সঙ্গে ছিল— স্মৃতি, সময় আর ভালোবাসার সঙ্গে মিশে থাকা একটি পুরোনো অধ্যায়ের মতো।’




























