ঢাকা ০১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুর স্থুলতা রোধে পরিবারের ৬টি কার্যকর পরামর্শ আগামী বছরের জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা কুমিল্লার পাড়া-মহল্লায় বেপরোয়া কিশোর গ্যাং, টিকটকের আড়ালে খুন ও অস্ত্রের মহড়া পরীক্ষা ছাড়াই ইসলামী ব্যাংকে সাড়ে ৮ হাজার নিয়োগ, নেপথ্যে এস আলমের ‘বিশেষ বাক্স’ দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুকধারীদের গুলিতে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ নিহত ১১ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাস ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করল সরকার সার চাইতে গিয়ে ৮ দিন জেল খাটলেন কুড়িগ্রামের দুই কৃষক ঘুষের দুই লাখ টাকাসহ পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রার ও দুই কর্মচারী আটক সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে আসছে ‘দ্য ব্যাটম্যান পার্ট টু’ কৃষি মন্ত্রণালয়ে বিতর্কিত কর্মকর্তাদের ‘আমলনামা’ পর্যালোচনা শুরু

নবম-দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা নিবন্ধ ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানিয়েছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ পাঠ্যপুস্তকে নতুন অধ্যায় হিসেবে এই নিবন্ধটি স্থান পাবে। একই সঙ্গে তৎকালীন ঐতিহাসিক একটি ডায়েরির ছবিও পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি) এই দলিলটিকে পাঠ্যভুক্ত করার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ আগস্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে সচিবের সভাপতিত্বে এনসিসিসির এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাঠ্যপুস্তকের ২২ নম্বর গদ্যের লেখক পরিচিতিতে জিয়াউর রহমানকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, ১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার ও ‘বীর উত্তম’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এছাড়া ২৫শে মার্চের গণহত্যার পর শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতার হলে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণাকে মুক্তিকামী মানুষের জন্য ‘তুর্যধ্বনির মতো’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

এনসিটিবি জানায়, নিবন্ধের শুরুতে দেওয়া ব্যাখ্যায় ১৯৭২ সালে ‘দৈনিক বাংলা’য় প্রকাশিত ‘একটি জাতির জন্ম’ ও ১৯৮০ সালে ‘দৈনিক দেশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধ দুটিকে মুক্তিযুদ্ধের অনন্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো একক ব্যক্তি বা দলের অর্জন নয় বলে উল্লেখ করে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তাজউদ্দীন আহমেদকে ইতিহাসের অনিবার্য নাম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেছেন, নিবন্ধটির ঐতিহাসিক মূল্য রয়েছে এবং এটি শিক্ষার্থীদের স্বাধীনতার সংগ্রাম সম্পর্কে সচেতন করবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ মনে করেন, এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ ঘটনা জানার সুযোগ পাবে। পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির ফলে শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম থেকে ভেসে আসা ‘উই রিভোল্ট’ ও কালুরঘাটের স্বাধীনতার ঘোষণার চাক্ষুষ স্মৃতি সম্পর্কে জানতে পারবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

নবম-দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

আপডেট সময় : ১২:০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা নিবন্ধ ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানিয়েছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ পাঠ্যপুস্তকে নতুন অধ্যায় হিসেবে এই নিবন্ধটি স্থান পাবে। একই সঙ্গে তৎকালীন ঐতিহাসিক একটি ডায়েরির ছবিও পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি) এই দলিলটিকে পাঠ্যভুক্ত করার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ আগস্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে সচিবের সভাপতিত্বে এনসিসিসির এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাঠ্যপুস্তকের ২২ নম্বর গদ্যের লেখক পরিচিতিতে জিয়াউর রহমানকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, ১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার ও ‘বীর উত্তম’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এছাড়া ২৫শে মার্চের গণহত্যার পর শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতার হলে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণাকে মুক্তিকামী মানুষের জন্য ‘তুর্যধ্বনির মতো’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

এনসিটিবি জানায়, নিবন্ধের শুরুতে দেওয়া ব্যাখ্যায় ১৯৭২ সালে ‘দৈনিক বাংলা’য় প্রকাশিত ‘একটি জাতির জন্ম’ ও ১৯৮০ সালে ‘দৈনিক দেশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধ দুটিকে মুক্তিযুদ্ধের অনন্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো একক ব্যক্তি বা দলের অর্জন নয় বলে উল্লেখ করে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তাজউদ্দীন আহমেদকে ইতিহাসের অনিবার্য নাম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেছেন, নিবন্ধটির ঐতিহাসিক মূল্য রয়েছে এবং এটি শিক্ষার্থীদের স্বাধীনতার সংগ্রাম সম্পর্কে সচেতন করবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ মনে করেন, এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ ঘটনা জানার সুযোগ পাবে। পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির ফলে শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম থেকে ভেসে আসা ‘উই রিভোল্ট’ ও কালুরঘাটের স্বাধীনতার ঘোষণার চাক্ষুষ স্মৃতি সম্পর্কে জানতে পারবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh