ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে এরদোয়ানের ভাষণের সময় মোবাইল ফোনে মগ্ন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট মাগুরায় বেশি দামে সার ও মেয়াদোত্তীর্ণ বীজ বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা গণমাধ্যমে সরকার ও বিরোধী দলের কথা সমান গুরুত্বের দাবি শফিকুর রহমানের কোনো শিশুই শিক্ষার বাইরে থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ হোসেন খাগড়াছড়িতে ৭৭৮ শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি ও সেলাই মেশিন বিতরণ ট্রাইব্যুনাল অবমাননার মামলায় দুই আইনজীবীর শুনানি ২৬ অক্টোবর বিশ্ববাজারে টানা ছয় দিন কমছে জ্বালানি তেলের দাম গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের ঐতিহাসিক ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অক্টোবরে একদিনের ছুটি নিলেই মিলবে টানা পাঁচ দিনের ছুটি হোমনায় মোবাইল চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে শিক্ষকের মৃত্যু

গবেষণা ও উদ্ভাবনে ডুয়েটকে শ্রেষ্ঠ করার অঙ্গীকার উপাচার্যের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



গবেষণা, উদ্ভাবন এবং যুগোপযোগী প্রকৌশল শিক্ষার মাধ্যমে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে (ডুয়েট) দেশের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ডুয়েটের ২৩তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘ডুয়েট ডে-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘ঐক্যের বন্ধনে অটুট ডুয়েট’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, গত দুই যুগ ধরে দেশের ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের উচ্চশিক্ষার একমাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ডুয়েট একাডেমিক উৎকর্ষ ও গবেষণা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

উপাচার্য আরও বলেন, যুগোপযোগী ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে ডুয়েটকে স্বয়ংসম্পূর্ণ, গবেষণা ও উদ্ভাবনভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করাই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধে বিশ্বদরবারে অনন্য করে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, রোবোটিক্স, ইন্টারনেট অব থিংস, বিগ ডেটা, ন্যানোটেকনোলজি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির দ্রুত বিকাশের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রকৌশল শিক্ষাকে যুগোপযোগী করা এবং শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানের দক্ষতা ও বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা ডুয়েটের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

অনুষ্ঠানে ডুয়েটের ইতিহাস তুলে ধরে উপাচার্য জানান, ১৯৮০ সালে ‘কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং, ঢাকা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়। এরপর ১৯৮১ সালে ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (বিআইটি), ঢাকা হিসেবে রূপান্তরিত হয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের দীর্ঘ আন্দোলনের পর ২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ‘ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর’ নামে আত্মপ্রকাশ করে। তিনি আরও বলেন, ডুয়েটের গ্র্যাজুয়েটরা বিদ্যুৎ-জ্বালানি অবকাঠামো, নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও তথ্যপ্রযুক্তিসহ জাতীয় উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী রুমা বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। গবেষণা, উদ্ভাবন ও নৈতিকতার সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলে দেশের টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখাই ডুয়েটের মূল লক্ষ্য।

দিনব্যাপী কর্মসূচির শুরুতে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, বেলুন উড্ডয়ন, পায়রা অবমুক্তকরণ ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। পরে উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ শাকিল পারভেজ অডিটোরিয়ামে শিক্ষকদের ‘একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ এবং কৃতী শিক্ষার্থীদের ‘ডীনস অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। এছাড়া শিক্ষক বনাম ডুয়েট এলামনাই রশি টানাটানি ও প্রীতি ভলিবল ম্যাচ, সাবেক শিক্ষার্থীদের ডুয়েট বাস্তবায়ন আন্দোলনের স্মৃতিচারণ এবং কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

গবেষণা ও উদ্ভাবনে ডুয়েটকে শ্রেষ্ঠ করার অঙ্গীকার উপাচার্যের

আপডেট সময় : ০৬:১৮:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গবেষণা, উদ্ভাবন এবং যুগোপযোগী প্রকৌশল শিক্ষার মাধ্যমে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে (ডুয়েট) দেশের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ডুয়েটের ২৩তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘ডুয়েট ডে-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘ঐক্যের বন্ধনে অটুট ডুয়েট’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, গত দুই যুগ ধরে দেশের ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের উচ্চশিক্ষার একমাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ডুয়েট একাডেমিক উৎকর্ষ ও গবেষণা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

উপাচার্য আরও বলেন, যুগোপযোগী ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে ডুয়েটকে স্বয়ংসম্পূর্ণ, গবেষণা ও উদ্ভাবনভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করাই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধে বিশ্বদরবারে অনন্য করে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, রোবোটিক্স, ইন্টারনেট অব থিংস, বিগ ডেটা, ন্যানোটেকনোলজি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির দ্রুত বিকাশের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রকৌশল শিক্ষাকে যুগোপযোগী করা এবং শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানের দক্ষতা ও বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা ডুয়েটের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

অনুষ্ঠানে ডুয়েটের ইতিহাস তুলে ধরে উপাচার্য জানান, ১৯৮০ সালে ‘কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং, ঢাকা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়। এরপর ১৯৮১ সালে ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (বিআইটি), ঢাকা হিসেবে রূপান্তরিত হয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের দীর্ঘ আন্দোলনের পর ২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ‘ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর’ নামে আত্মপ্রকাশ করে। তিনি আরও বলেন, ডুয়েটের গ্র্যাজুয়েটরা বিদ্যুৎ-জ্বালানি অবকাঠামো, নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও তথ্যপ্রযুক্তিসহ জাতীয় উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী রুমা বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। গবেষণা, উদ্ভাবন ও নৈতিকতার সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলে দেশের টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখাই ডুয়েটের মূল লক্ষ্য।

দিনব্যাপী কর্মসূচির শুরুতে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, বেলুন উড্ডয়ন, পায়রা অবমুক্তকরণ ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। পরে উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ শাকিল পারভেজ অডিটোরিয়ামে শিক্ষকদের ‘একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ এবং কৃতী শিক্ষার্থীদের ‘ডীনস অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। এছাড়া শিক্ষক বনাম ডুয়েট এলামনাই রশি টানাটানি ও প্রীতি ভলিবল ম্যাচ, সাবেক শিক্ষার্থীদের ডুয়েট বাস্তবায়ন আন্দোলনের স্মৃতিচারণ এবং কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh