ঢাকা ১১:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে প্রবল বৃষ্টিতে গাছ উপড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৩ গাড়ি, তীব্র যানজট ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারে টান সব মামলায় জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক নৌবাহিনী প্রধানের সঙ্গে আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ গাজা শান্তি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান নেতানিয়াহুর, বাড়ছে যুদ্ধের নতুন ঝুঁকি শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা বাতিলের দাবি জামায়াতের এসএসসিতে শূন্য পাসের হার নীলফামারীর আমবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে উত্তরায় ডিএল পেট্রলপাম্পের ১ কোটি ২১ লাখ টাকা ছিনতাই, কর্মকর্তা জখম দাখিল পরীক্ষা: উল্লাপাড়ার ৩ মাদ্রাসায় পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থী শাহজালাল বিমানবন্দরের বাইরে গাড়িতে পৌনে ৪ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার, চালক পলাতক

দাখিল পরীক্ষা: উল্লাপাড়ার ৩ মাদ্রাসায় পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার তিনটি মাদ্রাসা থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। শতভাগ ফেল করা এই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— দক্ষিণপাড়া ভরমোহনী দাখিল মাদ্রাসা, সাতবিলা দাখিল মাদ্রাসা এবং কালিয়াকৈড় দাখিল মাদ্রাসা।

সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাগুলো থেকে জানা গেছে, দক্ষিণপাড়া ভরমোহনী দাখিল মাদ্রাসা থেকে এবার ৪ জন, সাতবিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৬ জন এবং কালিয়াকৈড় দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। কিন্তু তাদের কেউই কৃতকার্য হতে পারেনি। এছাড়া উপজেলার কোনাগাঁতী কে সি দাখিল মাদ্রাসার চিত্রও বেশ হতাশাজনক; সেখানে ১৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ১ জন পাস করেছে। অন্যদিকে, হাজী আবেদ আলী মেমোরিয়াল মহিলা মাদ্রাসা থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করলেও অজ্ঞাত কারণে কোনো পরীক্ষার্থীই পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।

এমন বিপর্যয়কর ফলাফলের বিষয়ে দক্ষিণপাড়া ভরমোহনী দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল জলিল এবং সাতবিলা দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার নুরুল ইসলাম জানান, তাদের প্রতিষ্ঠানগুলো অত্যন্ত প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত। এখানকার অধিকাংশ শিক্ষার্থী নিয়মিত মাদ্রাসায় আসে না। অনেক চেষ্টা করেও তাদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। নিয়মিত পড়াশোনা না করার কারণেই ফলাফলে এই চরম বিপর্যয় ঘটেছে। তবে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য কালিয়াকৈড় মাদ্রাসার সুপারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে, হাজী আবেদ আলী মেমোরিয়াল মহিলা মাদ্রাসার সুপার সুলতান মাহমুদ জানান, তার মাদ্রাসা থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করলেও কী কারণে একজনও পরীক্ষায় অংশ নেয়নি, তা তার জানা নেই।

এই বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল কাদের বিশ্বাস জানান, যেসব মাদ্রাসায় একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি, তাদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হবে। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে চিঠি পাঠানো হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

দাখিল পরীক্ষা: উল্লাপাড়ার ৩ মাদ্রাসায় পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ১০:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
print news

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার তিনটি মাদ্রাসা থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। শতভাগ ফেল করা এই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— দক্ষিণপাড়া ভরমোহনী দাখিল মাদ্রাসা, সাতবিলা দাখিল মাদ্রাসা এবং কালিয়াকৈড় দাখিল মাদ্রাসা।

সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাগুলো থেকে জানা গেছে, দক্ষিণপাড়া ভরমোহনী দাখিল মাদ্রাসা থেকে এবার ৪ জন, সাতবিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৬ জন এবং কালিয়াকৈড় দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। কিন্তু তাদের কেউই কৃতকার্য হতে পারেনি। এছাড়া উপজেলার কোনাগাঁতী কে সি দাখিল মাদ্রাসার চিত্রও বেশ হতাশাজনক; সেখানে ১৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ১ জন পাস করেছে। অন্যদিকে, হাজী আবেদ আলী মেমোরিয়াল মহিলা মাদ্রাসা থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করলেও অজ্ঞাত কারণে কোনো পরীক্ষার্থীই পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।

এমন বিপর্যয়কর ফলাফলের বিষয়ে দক্ষিণপাড়া ভরমোহনী দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল জলিল এবং সাতবিলা দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার নুরুল ইসলাম জানান, তাদের প্রতিষ্ঠানগুলো অত্যন্ত প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত। এখানকার অধিকাংশ শিক্ষার্থী নিয়মিত মাদ্রাসায় আসে না। অনেক চেষ্টা করেও তাদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। নিয়মিত পড়াশোনা না করার কারণেই ফলাফলে এই চরম বিপর্যয় ঘটেছে। তবে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য কালিয়াকৈড় মাদ্রাসার সুপারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে, হাজী আবেদ আলী মেমোরিয়াল মহিলা মাদ্রাসার সুপার সুলতান মাহমুদ জানান, তার মাদ্রাসা থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করলেও কী কারণে একজনও পরীক্ষায় অংশ নেয়নি, তা তার জানা নেই।

এই বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল কাদের বিশ্বাস জানান, যেসব মাদ্রাসায় একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি, তাদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হবে। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে চিঠি পাঠানো হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor