ঢাকা ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নোবিপ্রবির বাসচালককে মারধর ও লুকিং গ্লাস ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২ ওয়ানডেতে ১৫ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করলেন বিরাট কোহলি কলাপাড়ায় অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি, নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ বিগ বস বাংলার রান্নাঘরে নন্দিনী ও রাজবীরের তীব্র বাকবিতণ্ডা নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে দুর্বৃত্তের গুলিতে ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ, আহত ৩ নিয়োগপত্র না পাওয়ায় শাহবাগে প্রাথমিক শিক্ষক প্রার্থীদের বিক্ষোভ জামালগঞ্জে অতিরিক্ত টোল আদায়ের প্রতিবাদে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের মানববন্ধন মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন: সোমবার থেকেই সেবা চালুর ঘোষণা ২৫ বছর পর টেনাশিনাসের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় মাদক ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ, গুলির শব্দে আতঙ্ক

নিয়োগপত্র না পাওয়ায় শাহবাগে প্রাথমিক শিক্ষক প্রার্থীদের বিক্ষোভ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:২৬:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন প্রায় ২৫শ’ প্রার্থী। দীর্ঘ আট মাস অপেক্ষার পর গত ২৪শে সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে নিয়োগপত্র বিতরণ শুরু হলেও, শত শত প্রার্থীর হাতে কাঙ্ক্ষিত নিয়োগপত্র পৌঁছায়নি। এই পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী প্রার্থীরা গতকাল শাহবাগে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

বিক্ষোভের এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীরা ‘সারা বাংলাদেশের নিয়োগপত্র বঞ্চিত শিক্ষকবৃন্দ’ ব্যানারে মেট্রোরেলের নিচে টিএসসি অভিমুখী সড়কে অবস্থান নেন, যার ফলে ওই এলাকায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীদের দাবি, চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও কেন তাদের নিয়োগপত্র দেয়া হয়নি তা স্পষ্টভাবে জানাতে হবে এবং দ্রুত নিয়োগপত্র প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।

আন্দোলনরত অবস্থায় প্রার্থীরা সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে একটি প্রতিনিধিদল পাঠালেও সেখানে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই তাদের ফিরে আসতে হয়। প্রতিনিধিদলের সদস্য তানভীর রহমান বাপ্পারাজ জানান, তারা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু ব্যর্থ হয়ে বিকাল ৩টার দিকে ফিরে আসেন। নিয়োগপ্রত্যাশীরা জানিয়েছেন, নিয়োগপত্র না পাওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার কারণে অনেকেই অন্য চাকরির সুযোগ হারিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

এদিকে, আন্দোলনের মধ্যেই দ্বিতীয় দফায় দেশের সাত জেলায় ১৩৬ জনের নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়েছে। জেলাগুলো হলো রাজশাহী, পাবনা, খুলনা, ঠাকুরগাঁও, নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও নড়াইল। এরমধ্যে রাজশাহীতে ২২ জন, পাবনায় ৩৭ জন, খুলনায় ৩০ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ২০ জন এবং নড়াইলে ৯ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন। এ ছাড়া টাঙ্গাইলের নাগরপুর ও নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় একজন করে নিয়োগপত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে রাজশাহীতে দুই দফায় মোট ১৬১ জনের নিয়োগপত্র ইস্যু করা হলো।

উল্লেখ্য, গত ৯ই জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পার্বত্য তিন জেলা বাদে এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ৮ই ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশের মাধ্যমে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়।

অন্যদিকে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সরকারি চাকরিতে রাজনৈতিক পরিচয়ভিত্তিক বৈষম্য বন্ধ ও মেধা-যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিতের দাবিতে জকসু ও জবি শাখা ছাত্রশক্তি মানববন্ধন করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

নিয়োগপত্র না পাওয়ায় শাহবাগে প্রাথমিক শিক্ষক প্রার্থীদের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০২:২৬:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন প্রায় ২৫শ’ প্রার্থী। দীর্ঘ আট মাস অপেক্ষার পর গত ২৪শে সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে নিয়োগপত্র বিতরণ শুরু হলেও, শত শত প্রার্থীর হাতে কাঙ্ক্ষিত নিয়োগপত্র পৌঁছায়নি। এই পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী প্রার্থীরা গতকাল শাহবাগে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

বিক্ষোভের এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীরা ‘সারা বাংলাদেশের নিয়োগপত্র বঞ্চিত শিক্ষকবৃন্দ’ ব্যানারে মেট্রোরেলের নিচে টিএসসি অভিমুখী সড়কে অবস্থান নেন, যার ফলে ওই এলাকায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীদের দাবি, চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও কেন তাদের নিয়োগপত্র দেয়া হয়নি তা স্পষ্টভাবে জানাতে হবে এবং দ্রুত নিয়োগপত্র প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।

আন্দোলনরত অবস্থায় প্রার্থীরা সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে একটি প্রতিনিধিদল পাঠালেও সেখানে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই তাদের ফিরে আসতে হয়। প্রতিনিধিদলের সদস্য তানভীর রহমান বাপ্পারাজ জানান, তারা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু ব্যর্থ হয়ে বিকাল ৩টার দিকে ফিরে আসেন। নিয়োগপ্রত্যাশীরা জানিয়েছেন, নিয়োগপত্র না পাওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার কারণে অনেকেই অন্য চাকরির সুযোগ হারিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

এদিকে, আন্দোলনের মধ্যেই দ্বিতীয় দফায় দেশের সাত জেলায় ১৩৬ জনের নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়েছে। জেলাগুলো হলো রাজশাহী, পাবনা, খুলনা, ঠাকুরগাঁও, নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও নড়াইল। এরমধ্যে রাজশাহীতে ২২ জন, পাবনায় ৩৭ জন, খুলনায় ৩০ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ২০ জন এবং নড়াইলে ৯ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন। এ ছাড়া টাঙ্গাইলের নাগরপুর ও নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় একজন করে নিয়োগপত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে রাজশাহীতে দুই দফায় মোট ১৬১ জনের নিয়োগপত্র ইস্যু করা হলো।

উল্লেখ্য, গত ৯ই জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পার্বত্য তিন জেলা বাদে এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ৮ই ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশের মাধ্যমে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়।

অন্যদিকে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সরকারি চাকরিতে রাজনৈতিক পরিচয়ভিত্তিক বৈষম্য বন্ধ ও মেধা-যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিতের দাবিতে জকসু ও জবি শাখা ছাত্রশক্তি মানববন্ধন করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin