ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদক মামলায় পরীমনির অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে ২৯ সেপ্টেম্বর বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে ঢাকায় ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ প্রধান পরাগ জৈন চাঁদাবাজির মামলায় বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যান ও সহযোগী কারাগারে ৫৪ বছর বয়সে এসএসসি পাস করে স্বপ্ন পূরণ করলেন আলী আকবর ঢাকায় ভারতের বহিঃগোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর প্রধান পরাগ জৈন হত্যাচেষ্টা মামলায় আগাম জামিন পেলেন জামায়াতের বহিষ্কৃত নেতা গাজী নজরুল হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ১৫৫ থাইল্যান্ডে জ্যেষ্ঠ নেতাকে হত্যার পর ক্ষমা চাইলেন সাবেক এমপি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে যুক্ত হলো ২১টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র

বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৮:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের পূর্ণ ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে হস্তান্তরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই পরিবর্তনের ফলে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) আর কোনো শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করতে পারবে না। গত ৩ আগস্ট সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আলিফ রুদাবাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন উল্লেখ করেন, ২০১৫ সালের পর থেকে এনটিআরসিএ যখন নিয়োগ সুপারিশের দায়িত্ব গ্রহণ করে, তখন থেকেই বিভিন্ন জটিলতা, মামলা ও অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি জানান, এনটিআরসিএ’র বর্তমান অচলাবস্থা নিরসনে পূর্বের ন্যায় সংস্থাটি কেবল নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং প্রত্যয়নপত্রধারী শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানের নিজ নিজ ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। সভায় উপস্থিত সবাই এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করেন।

কার্যবিবরণী অনুযায়ী, এনটিআরসিএ আইন, ২০০৫ অনুযায়ী সংস্থাটি এখন থেকে শুধু নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের কাজ করবে। ২০১৫ সালের পরিপত্র অনুযায়ী নিয়োগ সুপারিশের কার্যক্রম আর পরিচালিত হবে না। এছাড়া ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৯,৮৪২ জন প্রার্থী তাদের পছন্দ অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বউদ্যোগে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে নিয়োগ পাবেন। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন সংশোধন বা নতুন পরিপত্র জারির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতে, ১৯তম নিবন্ধন পরীক্ষা থেকেই এই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে।

২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রথম এক দশক এনটিআরসিএ শুধু সনদ প্রদানের কাজ করেছিল। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে সংস্থাটি সরাসরি নিয়োগ সুপারিশের কার্যক্রম শুরু করে। এই সময়ের মধ্যে এনটিআরসিএ মোট ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৭১ জন শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করেছে।

আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আলিফ রুদাবাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সভার কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান সভায় অবহিত করেন, ২০০৫ সালের ১ নম্বর আইন ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০৫’-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে প্রণীত ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালা, ২০০৬’ অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের জন্য প্রার্থীদের যোগ্যতা নিরূপণ এবং এ বিষয়ে প্রত্যয়নপত্র প্রদানের উদ্দেশে প্রতি পঞ্জিকা বর্ষে অন্তত একবার পরীক্ষা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা রয়েছে।বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) সর্বশেষ ২০২৩ সালে নিয়োগ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

শুধু তাই নয়, সভার সিদ্ধান্ত মতে, ‘১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৯৮৪২ জন তাদের পছন্দ অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বউদ্যোগে ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডির মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত হবেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে

আপডেট সময় : ০৭:০৮:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
print news

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের পূর্ণ ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে হস্তান্তরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই পরিবর্তনের ফলে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) আর কোনো শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করতে পারবে না। গত ৩ আগস্ট সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আলিফ রুদাবাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন উল্লেখ করেন, ২০১৫ সালের পর থেকে এনটিআরসিএ যখন নিয়োগ সুপারিশের দায়িত্ব গ্রহণ করে, তখন থেকেই বিভিন্ন জটিলতা, মামলা ও অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি জানান, এনটিআরসিএ’র বর্তমান অচলাবস্থা নিরসনে পূর্বের ন্যায় সংস্থাটি কেবল নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং প্রত্যয়নপত্রধারী শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানের নিজ নিজ ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। সভায় উপস্থিত সবাই এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করেন।

কার্যবিবরণী অনুযায়ী, এনটিআরসিএ আইন, ২০০৫ অনুযায়ী সংস্থাটি এখন থেকে শুধু নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের কাজ করবে। ২০১৫ সালের পরিপত্র অনুযায়ী নিয়োগ সুপারিশের কার্যক্রম আর পরিচালিত হবে না। এছাড়া ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৯,৮৪২ জন প্রার্থী তাদের পছন্দ অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বউদ্যোগে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে নিয়োগ পাবেন। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন সংশোধন বা নতুন পরিপত্র জারির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতে, ১৯তম নিবন্ধন পরীক্ষা থেকেই এই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে।

২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রথম এক দশক এনটিআরসিএ শুধু সনদ প্রদানের কাজ করেছিল। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে সংস্থাটি সরাসরি নিয়োগ সুপারিশের কার্যক্রম শুরু করে। এই সময়ের মধ্যে এনটিআরসিএ মোট ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৭১ জন শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করেছে।

আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আলিফ রুদাবাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সভার কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান সভায় অবহিত করেন, ২০০৫ সালের ১ নম্বর আইন ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০৫’-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে প্রণীত ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালা, ২০০৬’ অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের জন্য প্রার্থীদের যোগ্যতা নিরূপণ এবং এ বিষয়ে প্রত্যয়নপত্র প্রদানের উদ্দেশে প্রতি পঞ্জিকা বর্ষে অন্তত একবার পরীক্ষা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা রয়েছে।বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) সর্বশেষ ২০২৩ সালে নিয়োগ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

শুধু তাই নয়, সভার সিদ্ধান্ত মতে, ‘১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৯৮৪২ জন তাদের পছন্দ অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বউদ্যোগে ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডির মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত হবেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy