ঢাকা ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পর্যটনে অপার সম্ভাবনা থাকলেও আয়ের মুখ দেখছে না বাংলাদেশ এথেন্সে আবাসিক ভবনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, চার মার্কিন পর্যটকসহ নিহত ৬ ইসিবি চত্বরে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর, আটক ২ মাউন্ট এতনা থেকে ৪ কিমি উচ্চতায় ছাই, ইতালিতে রেড অ্যালার্ট মৌলভীবাজারে পাহাড় কেটে অবৈধ রিসোর্টের ছড়াছড়ি, বিপন্ন পরিবেশ আয়কর রিটার্ন জমা দিয়ে করছাড় পাওয়ার সুযোগ আর মাত্র চার দিন ট্রাম্পের প্রত্যাখ্যানের পর ওয়াশিংটনের আনুষ্ঠানিক বার্তার অপেক্ষায় ইরান মাধবপুরে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু, আতঙ্কে পারাপার শিক্ষার্থীসহ শত শত মানুষ কুমিল্লার ১৮ থানায় অভিযানে আটক ২৫৪, রতন গ্রুপের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ গ্রেপ্তার আজ শুরু একাদশে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের আবেদন, ফল ১ অক্টোবর

এসএসসিতে প্রতি ১০০ জনে ৫১ জনই ফেল, দুই দশকে সর্বনিম্ন ফল

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:১২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। গড় পাসের হার কমে মাত্র ৬২.২৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ২০০৭ সালের ৫৮.৩৬ শতাংশের পর গত দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। এই ফলাফলের ধস সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থার মান ও উত্তরপত্র মূল্যায়নের পদ্ধতি নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন এবং ফেল করেছে ছয় লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন। সামগ্রিক ফলাফলে এই নেতিবাচক প্রভাবের প্রধান কারণ মানবিক বিভাগের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর ব্যর্থতা। এই বিভাগে পাসের হার মাত্র ৪৮.৭৪ শতাংশ, অর্থাৎ প্রতি ১০০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫১ জনেরও বেশি ফেল করেছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা এই বিপর্যয়ের কারণ ব্যাখ্যা করেন। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা ইংরেজি ও গণিতে আশঙ্কাজনকভাবে খারাপ করেছে, যা গড় পাসের হারে বড় প্রভাব ফেলেছে। তিনি আরও বলেন, কেন শিক্ষার্থীরা এসব বিষয়ে দুর্বল, তা খতিয়ে দেখা হবে এবং তাদের এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮০.৬৪ শতাংশ। এই বিভাগে ৫ লাখ ৬৬ হাজার ৯৫৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪ লাখ ৫৭ হাজার ১৮৮ জন পাস করেছে। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৬৪.২৯ শতাংশ, যেখানে ২ লাখ ১৯ হাজার ৬৯৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এক লাখ ৪১ হাজার ২৪৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে।

মানবিক বিভাগে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ১৭ হাজার ৮৮৫ জন, যাদের মধ্যে মাত্র ৩ লাখ ১ হাজার ১৭৪ জন পাস করতে পেরেছে। ইংরেজি ও গণিতে দুর্বলতার কারণে মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও বিগত বছরের তুলনায় কমে গেছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

এসএসসিতে প্রতি ১০০ জনে ৫১ জনই ফেল, দুই দশকে সর্বনিম্ন ফল

আপডেট সময় : ০৩:১২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। গড় পাসের হার কমে মাত্র ৬২.২৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ২০০৭ সালের ৫৮.৩৬ শতাংশের পর গত দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। এই ফলাফলের ধস সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থার মান ও উত্তরপত্র মূল্যায়নের পদ্ধতি নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন এবং ফেল করেছে ছয় লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন। সামগ্রিক ফলাফলে এই নেতিবাচক প্রভাবের প্রধান কারণ মানবিক বিভাগের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর ব্যর্থতা। এই বিভাগে পাসের হার মাত্র ৪৮.৭৪ শতাংশ, অর্থাৎ প্রতি ১০০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫১ জনেরও বেশি ফেল করেছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা এই বিপর্যয়ের কারণ ব্যাখ্যা করেন। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা ইংরেজি ও গণিতে আশঙ্কাজনকভাবে খারাপ করেছে, যা গড় পাসের হারে বড় প্রভাব ফেলেছে। তিনি আরও বলেন, কেন শিক্ষার্থীরা এসব বিষয়ে দুর্বল, তা খতিয়ে দেখা হবে এবং তাদের এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮০.৬৪ শতাংশ। এই বিভাগে ৫ লাখ ৬৬ হাজার ৯৫৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪ লাখ ৫৭ হাজার ১৮৮ জন পাস করেছে। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৬৪.২৯ শতাংশ, যেখানে ২ লাখ ১৯ হাজার ৬৯৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এক লাখ ৪১ হাজার ২৪৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে।

মানবিক বিভাগে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ১৭ হাজার ৮৮৫ জন, যাদের মধ্যে মাত্র ৩ লাখ ১ হাজার ১৭৪ জন পাস করতে পেরেছে। ইংরেজি ও গণিতে দুর্বলতার কারণে মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও বিগত বছরের তুলনায় কমে গেছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin