ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে সচিবালয়ে রাত কাটাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সালমানের প্র্যাঙ্কে শুটিং সেটে কেঁদে ফেলেছিলেন কারিশমা কাপুর সাজেকের পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার নির্দেশ, বাধা নেই ভ্রমণে সারাদেশে পূজা উদযাপনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম কুমিল্লা সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্য ইয়েমেনের আল-মাশিক প্রাসাদে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: নিহত ২ পশু জবাইয়ে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে জবিতে গরু নিয়ে শিক্ষার্থীদের মিছিল মেসি পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার পরবর্তী দুই প্রতিপক্ষ কারা সাতক্ষীরায় ফেসবুক লাইভ করে যুবককে পিটিয়ে হত্যা গাজীপুরে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে মাদক কারবারিদের হামলা, আহত ২

গ্যাস সংকটে বন্ধ ৩০০ কারখানা, সংকট সামলাতে বিকেএমইএর ৬ দাবি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৩৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশে দীর্ঘমেয়াদি গ্যাস সংকটের কারণে ইতোমধ্যে তিন শতাধিক নিট পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)। এই সংকটের ফলে দেশের রপ্তানি প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিদেশি ক্রেতারা তাদের ক্রয়াদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোতে সরিয়ে নিচ্ছেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে নারায়ণগঞ্জে সংগঠনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। এর আগে গ্যাস সংকট ও এর প্রভাব নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী নেতারা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের কাছে ৬টি সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরেন।

মোহাম্মদ হাতেম বলেন, গ্যাস সংকটের কারণে কারখানাগুলো উৎপাদন সচল রাখতে পারছে না। এর ফলে রপ্তানি আদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোতে চলে যাচ্ছে এবং নতুন আদেশ পাওয়া নিয়েও চরম শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই সংকট থেকে উত্তরণের বিষয়ে সরকারের কাছ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারের উচিত অন্তত সপ্তাহে একবার ব্যবসায়ীদের ব্রিফ করা।

জ্বালানি মন্ত্রণালয় থেকে গত ১০ আগস্টের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। দুই দিন কিছুটা গ্যাস পাওয়া গেলেও বর্তমানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। ফলে কারখানাগুলোতে উৎপাদন চালু রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

জুন ও জুলাই মাসের গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল আগামী ১২ মাসের কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া এবং এই সময়ে বিল দিতে না পারলেও সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করা।সংকটের মধ্যে কারখানাগুলো কীভাবে উৎপাদন সচল রাখবে, সে বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া।গ্যাস সংকট নিয়ে প্রতি সপ্তাহে ব্রিফিং করে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করা।গণপরিবহনে সিএনজি সরবরাহ বন্ধ রাখা।অবৈধ গ্যাস সংযোগ সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন করা।বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের ঋণের কিস্তি আদায় থেকে বিরত থাকার জন্য সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের পদক্ষেপ নেওয়া।সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিকেএমইএর নির্বাহী প্রেসিডেন্ট ফজলে এহসান শামীম, ভাইস প্রেসিডেন্ট (অর্থ) মোর্শেদ সারওয়ার সোহেল, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অমল পোদ্দার, ভাইস প্রেসিডেন্ট আশিকুর রহমান, সাবেক বিজিএমইএ সভাপতি কাজী মনীর এবং পরিচালক নজরুল ইসলাম স্বপন ও মামুনুর রশীদসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

গ্যাস সংকটে বন্ধ ৩০০ কারখানা, সংকট সামলাতে বিকেএমইএর ৬ দাবি

আপডেট সময় : ০১:৩৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

দেশে দীর্ঘমেয়াদি গ্যাস সংকটের কারণে ইতোমধ্যে তিন শতাধিক নিট পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)। এই সংকটের ফলে দেশের রপ্তানি প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিদেশি ক্রেতারা তাদের ক্রয়াদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোতে সরিয়ে নিচ্ছেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে নারায়ণগঞ্জে সংগঠনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। এর আগে গ্যাস সংকট ও এর প্রভাব নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী নেতারা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের কাছে ৬টি সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরেন।

মোহাম্মদ হাতেম বলেন, গ্যাস সংকটের কারণে কারখানাগুলো উৎপাদন সচল রাখতে পারছে না। এর ফলে রপ্তানি আদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোতে চলে যাচ্ছে এবং নতুন আদেশ পাওয়া নিয়েও চরম শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই সংকট থেকে উত্তরণের বিষয়ে সরকারের কাছ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারের উচিত অন্তত সপ্তাহে একবার ব্যবসায়ীদের ব্রিফ করা।

জ্বালানি মন্ত্রণালয় থেকে গত ১০ আগস্টের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। দুই দিন কিছুটা গ্যাস পাওয়া গেলেও বর্তমানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। ফলে কারখানাগুলোতে উৎপাদন চালু রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

জুন ও জুলাই মাসের গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল আগামী ১২ মাসের কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া এবং এই সময়ে বিল দিতে না পারলেও সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করা।সংকটের মধ্যে কারখানাগুলো কীভাবে উৎপাদন সচল রাখবে, সে বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া।গ্যাস সংকট নিয়ে প্রতি সপ্তাহে ব্রিফিং করে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করা।গণপরিবহনে সিএনজি সরবরাহ বন্ধ রাখা।অবৈধ গ্যাস সংযোগ সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন করা।বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের ঋণের কিস্তি আদায় থেকে বিরত থাকার জন্য সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের পদক্ষেপ নেওয়া।সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিকেএমইএর নির্বাহী প্রেসিডেন্ট ফজলে এহসান শামীম, ভাইস প্রেসিডেন্ট (অর্থ) মোর্শেদ সারওয়ার সোহেল, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অমল পোদ্দার, ভাইস প্রেসিডেন্ট আশিকুর রহমান, সাবেক বিজিএমইএ সভাপতি কাজী মনীর এবং পরিচালক নজরুল ইসলাম স্বপন ও মামুনুর রশীদসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh