ঢাকা ০১:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাজিরায় জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়ম ও পোকা পাওয়ার অভিযোগ বাজারে বিক্রি হওয়া সব সয়াবিন তেল বিশুদ্ধ: শিল্পমন্ত্রী রিয়াদে মিসাইল আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা অস্ট্রেলিয়ার কাছে ধবলধোলাই বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ধানমন্ডিতে মারধরের ঘটনায় খালিদ হাসানের ১৫ দিনের কারাদণ্ড চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস শিক্ষা, জনপ্রশাসনসহ তিন সচিব পেলেন সিনিয়র সচিব পদমর্যাদা মাদারগঞ্জে শসার বাম্পার ফলন, ২ হাজার টন উৎপাদনের সম্ভাবনা: কৃষকের মুখে হাসি মাদারগঞ্জে শসার বাম্পার ফলন, ২ হাজার টন উৎপাদনের সম্ভাবনা সৌদিতে হামলার প্রভাবে ঢাকা থেকে ১০০ ফ্লাইট বাতিল

গুলিস্তানে নতুন টাকার বাজারে ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযান, পালালেন ব্যবসায়ীরা, ঈদ সামনে রেখে কমিশন বাণিজ্যে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ

ফখরুল আলম সাজু
  • আপডেট সময় : ০২:০৬:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬ ২২৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




ফখরুল আলম সাজু

রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় নতুন টাকার অবৈধ বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হয়েছে, অভিযানের খবর পেয়ে মুহূর্তেই ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যান সেখানে অবস্থান নেওয়া নতুন টাকা বিক্রেতারা, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাধারণ মানুষ এ সময় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে প্রতি বছরের মতো এবারও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে নতুন টাকার অবৈধ বেচাকেনা শুরু হয়েছে, বিশেষ করে গুলিস্তান এলাকায় ফুটপাত ও সড়কের পাশে গড়ে উঠেছে নতুন টাকার ছোট ছোট বাজার, সেখানে ১০০, ২০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নতুন নোট বান্ডিল আকারে বিক্রি করা হচ্ছিল।

ক্রেতাদের অভিযোগ, ব্যাংকে নতুন টাকা চাইতে গেলে প্রায়ই নেই বলে জানিয়ে দেন কর্মকর্তারা, কিন্তু একই নতুন টাকা রাস্তায় পাওয়া যাচ্ছে বাড়তি কমিশনের বিনিময়ে, অভিযোগ রয়েছে, প্রতি বান্ডিলে প্রায় ৫০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত কমিশন নেওয়া হচ্ছে, এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও নিম্নআয়ের ক্রেতারা,

স্থানীয় কয়েকজন ক্রেতা জানান, ঈদ উপলক্ষে সালামি বা উপহার দেওয়ার জন্য অনেকে নতুন টাকা সংগ্রহ করতে চান, কিন্তু ব্যাংকে সহজে নতুন টাকা না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে অনেকেই রাস্তার এই অবৈধ বাজার থেকে বাড়তি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

এ বিষয়ে একাধিক পথচারী প্রশ্ন তুলে বলেন, ব্যাংকে যখন নতুন টাকা নেই বলা হচ্ছে, তখন বিপুল পরিমাণ নতুন নোট এসব ব্যবসায়ীর কাছে কীভাবে আসে এ বিষয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

অভিযান পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, নতুন টাকার অবৈধ বেচাকেনা বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে, পাশাপাশি এই টাকার উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িত কোনো সিন্ডিকেট রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদকে সামনে রেখে নতুন টাকার চাহিদা বাড়ার সুযোগে প্রতি বছরই এমন অবৈধ বাণিজ্য সক্রিয় হয়ে ওঠে, তবে কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান চালানো হলে এ ধরনের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

গুলিস্তানে নতুন টাকার বাজারে ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযান, পালালেন ব্যবসায়ীরা, ঈদ সামনে রেখে কমিশন বাণিজ্যে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ

আপডেট সময় : ০২:০৬:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

ফখরুল আলম সাজু

রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় নতুন টাকার অবৈধ বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হয়েছে, অভিযানের খবর পেয়ে মুহূর্তেই ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যান সেখানে অবস্থান নেওয়া নতুন টাকা বিক্রেতারা, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাধারণ মানুষ এ সময় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে প্রতি বছরের মতো এবারও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে নতুন টাকার অবৈধ বেচাকেনা শুরু হয়েছে, বিশেষ করে গুলিস্তান এলাকায় ফুটপাত ও সড়কের পাশে গড়ে উঠেছে নতুন টাকার ছোট ছোট বাজার, সেখানে ১০০, ২০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নতুন নোট বান্ডিল আকারে বিক্রি করা হচ্ছিল।

ক্রেতাদের অভিযোগ, ব্যাংকে নতুন টাকা চাইতে গেলে প্রায়ই নেই বলে জানিয়ে দেন কর্মকর্তারা, কিন্তু একই নতুন টাকা রাস্তায় পাওয়া যাচ্ছে বাড়তি কমিশনের বিনিময়ে, অভিযোগ রয়েছে, প্রতি বান্ডিলে প্রায় ৫০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত কমিশন নেওয়া হচ্ছে, এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও নিম্নআয়ের ক্রেতারা,

স্থানীয় কয়েকজন ক্রেতা জানান, ঈদ উপলক্ষে সালামি বা উপহার দেওয়ার জন্য অনেকে নতুন টাকা সংগ্রহ করতে চান, কিন্তু ব্যাংকে সহজে নতুন টাকা না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে অনেকেই রাস্তার এই অবৈধ বাজার থেকে বাড়তি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

এ বিষয়ে একাধিক পথচারী প্রশ্ন তুলে বলেন, ব্যাংকে যখন নতুন টাকা নেই বলা হচ্ছে, তখন বিপুল পরিমাণ নতুন নোট এসব ব্যবসায়ীর কাছে কীভাবে আসে এ বিষয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

অভিযান পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, নতুন টাকার অবৈধ বেচাকেনা বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে, পাশাপাশি এই টাকার উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িত কোনো সিন্ডিকেট রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদকে সামনে রেখে নতুন টাকার চাহিদা বাড়ার সুযোগে প্রতি বছরই এমন অবৈধ বাণিজ্য সক্রিয় হয়ে ওঠে, তবে কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান চালানো হলে এ ধরনের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।