ঢাকা ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপা আর ফিরে আসবে না, খুনিদের ছাড় নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বারিধারায় গাড়িচাপা: কিশোর চালক আজান আলী শরীফ অবশেষে গ্রেপ্তার সম্ভাবনা থেকে সংকটে গণঅধিকার পরিষদ: রাজনীতির মাঠে টিকে থাকার লড়াই মাস্টার্স পরীক্ষার আগেই বিচারক হলেন ইবির রাজু আহমেদ শাল্লায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত সিলেটে সওজের সরকারি জমিতে গোরস্থান নির্মাণের চেষ্টা, কাজ বন্ধ সরকারের অনুমোদন: দেড় লাখ টন সার ও মসুর ডাল কেনা হবে কাউকে ভয় পেতে আসিনি, আসিয়ান কাপ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হামজা চৌধুরী ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি বেসিস নির্বাচন সামনে রেখে ৭ সদস্যের সহায়ক কমিটি গঠন

টেলিগ্রামে চাকরির ফাঁদ পেতে ৯৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ২

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৫৩:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে ভুয়া চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে অনলাইন প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন কিশোরগঞ্জের নিকলী থানার দামপাড়া এলাকার মো. জুলহাস উদ্দিন (৩৯) ও করিমগঞ্জ থানার গুনধর এলাকার প্রহর (২৮)।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে জুলহাস উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রহরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৪ আগস্ট টেলিগ্রাম অ্যাপের একটি আইডি থেকে মামলার বাদী মেহেদি হক নিয়নকে 'Zales' জুয়েলারি নামের একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট দেখে নিয়ন আগ্রহ প্রকাশ করলে প্রতারক চক্রটি কৌশলে একটি ফিশিং লিংকের মাধ্যমে তাঁকে একটি ভুয়া ওয়েবসাইটে যুক্ত করে। প্রথমে তাঁকে অনলাইনে বিভিন্ন অর্ডার সম্পন্ন করার বিপরীতে কমিশন পাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করতে প্রলুব্ধ করা হয়।

একপর্যায়ে প্রতারক চক্রটি নিয়নকে বিভিন্ন ধাপে ৯০টি অর্ডার সম্পন্ন করতে বলে। প্রতিটি অর্ডার সম্পন্ন করার পর তাঁর অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন অঙ্কের মুনাফা প্রদর্শন করা হতো। তবে সেই অর্ডার সম্পন্ন ও প্রদর্শিত মুনাফার টাকা তুলতে চাইলে নানা অজুহাতে তাঁর কাছ থেকে আরও টাকা দাবি করা হয়। প্রতারকদের ফাঁদে পা দিয়ে বাদী বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে একাধিক দফায় মোট ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা পাঠান।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ জানান, এই প্রতারণার ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে সিআইডি এই মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতারক চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে। এই চক্রের আরও ১২ সদস্যকে এর আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সর্বশেষ গত ১৭ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ১৯ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি জুলহাস উদ্দিন ও তাঁর সহযোগী প্রহরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

টেলিগ্রামে চাকরির ফাঁদ পেতে ৯৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ২

আপডেট সময় : ১১:৫৩:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে ভুয়া চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে অনলাইন প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন কিশোরগঞ্জের নিকলী থানার দামপাড়া এলাকার মো. জুলহাস উদ্দিন (৩৯) ও করিমগঞ্জ থানার গুনধর এলাকার প্রহর (২৮)।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে জুলহাস উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রহরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৪ আগস্ট টেলিগ্রাম অ্যাপের একটি আইডি থেকে মামলার বাদী মেহেদি হক নিয়নকে 'Zales' জুয়েলারি নামের একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট দেখে নিয়ন আগ্রহ প্রকাশ করলে প্রতারক চক্রটি কৌশলে একটি ফিশিং লিংকের মাধ্যমে তাঁকে একটি ভুয়া ওয়েবসাইটে যুক্ত করে। প্রথমে তাঁকে অনলাইনে বিভিন্ন অর্ডার সম্পন্ন করার বিপরীতে কমিশন পাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করতে প্রলুব্ধ করা হয়।

একপর্যায়ে প্রতারক চক্রটি নিয়নকে বিভিন্ন ধাপে ৯০টি অর্ডার সম্পন্ন করতে বলে। প্রতিটি অর্ডার সম্পন্ন করার পর তাঁর অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন অঙ্কের মুনাফা প্রদর্শন করা হতো। তবে সেই অর্ডার সম্পন্ন ও প্রদর্শিত মুনাফার টাকা তুলতে চাইলে নানা অজুহাতে তাঁর কাছ থেকে আরও টাকা দাবি করা হয়। প্রতারকদের ফাঁদে পা দিয়ে বাদী বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে একাধিক দফায় মোট ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা পাঠান।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ জানান, এই প্রতারণার ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে সিআইডি এই মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতারক চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে। এই চক্রের আরও ১২ সদস্যকে এর আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সর্বশেষ গত ১৭ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ১৯ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি জুলহাস উদ্দিন ও তাঁর সহযোগী প্রহরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh