ঢাকা ১২:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হলেন নোমান মাহমুদ হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নবীনবরণ ও বিদায় কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং দমনে একরাতে ৬২৪ জন আটক বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দেশের বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় পতন এআই-এর যুগেও নিজের অবস্থানে অনড় ‘লিপস্টিক কিং’ লি জিয়াকি টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের শুনানি আজ যুক্তরাষ্ট্রে শি জিনপিংকে লাল গালিচা অভ্যর্থনা, আলোচনায় বাণিজ্যসহ নানা ইস্যু

ফেসবুকে ঝাড়-ফুঁকের বিজ্ঞাপন দিয়ে সোনা লুট: সিআইডির জালে ২

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ফেসবুকে কবিরাজি চিকিৎসার আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণার ফাঁদ পাতা এক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে সুনামগঞ্জের ছাতক থানার ফকিরটিলা এলাকায় সিআইডি ঢাকা মেট্রো-পূর্ব ইউনিটের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ছাতক থানার ফকিরটিলা এলাকার বাসিন্দা মোছাম্মৎ জিয়াসমিন আক্তার (২১) ও মো. আব্দুল্লাহ মিয়া (৬৬)। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সিআইডির মিডিয়া শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সিআইডি জানায়, প্রতারক চক্রটি ফেসবুকের বিভিন্ন পেজে দুরারোগ্য ব্যাধি ও পারিবারিক সমস্যা সমাধানের প্রলোভন দেখিয়ে বিজ্ঞাপন দিত। এসব বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে কেউ যোগাযোগ করলে চক্রটি কৌশলে তাদের বাসায় গিয়ে কবিরাজি ঝাড়-ফুঁক ও বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করত। এভাবে ভুক্তভোগীর আস্থা অর্জনের পর চিকিৎসার অংশ হিসেবে ঘরের সব সোনা-গয়না এক জায়গায় এনে রুমালে পেঁচিয়ে পানিতে ডুবিয়ে রাখা এবং সেই পানি পুরো ঘরে ছিটানোর কৌশল দেখানো হতো। এই সুযোগে ভুক্তভোগীর চোখ ফাঁকি দিয়ে তারা স্বর্ণালংকার নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যেত।

এই প্রতারণার শিকার হয়ে গত ২ জুলাই রাজধানীর শাহজাহানপুর থানায় পেনাল কোডের ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন এক ভুক্তভোগী। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর সিআইডি প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে চক্রের সদস্যদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত করে। অভিযানের সময় গ্রেপ্তার জিয়াসমিন আক্তারের কাছ থেকে আত্মসাৎ করা স্বর্ণালংকারের মধ্যে একটি আংটি এবং লকেটসহ একটি চেইন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের ওজন ২১ দশমিক ৮৩ গ্রাম, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত দুজনই প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। সিআইডি জানিয়েছে, চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং আত্মসাৎ করা অবশিষ্ট স্বর্ণালংকার উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ফেসবুকে ঝাড়-ফুঁকের বিজ্ঞাপন দিয়ে সোনা লুট: সিআইডির জালে ২

আপডেট সময় : ০৪:৩৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফেসবুকে কবিরাজি চিকিৎসার আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণার ফাঁদ পাতা এক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে সুনামগঞ্জের ছাতক থানার ফকিরটিলা এলাকায় সিআইডি ঢাকা মেট্রো-পূর্ব ইউনিটের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ছাতক থানার ফকিরটিলা এলাকার বাসিন্দা মোছাম্মৎ জিয়াসমিন আক্তার (২১) ও মো. আব্দুল্লাহ মিয়া (৬৬)। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সিআইডির মিডিয়া শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সিআইডি জানায়, প্রতারক চক্রটি ফেসবুকের বিভিন্ন পেজে দুরারোগ্য ব্যাধি ও পারিবারিক সমস্যা সমাধানের প্রলোভন দেখিয়ে বিজ্ঞাপন দিত। এসব বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে কেউ যোগাযোগ করলে চক্রটি কৌশলে তাদের বাসায় গিয়ে কবিরাজি ঝাড়-ফুঁক ও বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করত। এভাবে ভুক্তভোগীর আস্থা অর্জনের পর চিকিৎসার অংশ হিসেবে ঘরের সব সোনা-গয়না এক জায়গায় এনে রুমালে পেঁচিয়ে পানিতে ডুবিয়ে রাখা এবং সেই পানি পুরো ঘরে ছিটানোর কৌশল দেখানো হতো। এই সুযোগে ভুক্তভোগীর চোখ ফাঁকি দিয়ে তারা স্বর্ণালংকার নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যেত।

এই প্রতারণার শিকার হয়ে গত ২ জুলাই রাজধানীর শাহজাহানপুর থানায় পেনাল কোডের ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন এক ভুক্তভোগী। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর সিআইডি প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে চক্রের সদস্যদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত করে। অভিযানের সময় গ্রেপ্তার জিয়াসমিন আক্তারের কাছ থেকে আত্মসাৎ করা স্বর্ণালংকারের মধ্যে একটি আংটি এবং লকেটসহ একটি চেইন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের ওজন ২১ দশমিক ৮৩ গ্রাম, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত দুজনই প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। সিআইডি জানিয়েছে, চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং আত্মসাৎ করা অবশিষ্ট স্বর্ণালংকার উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh