তজুমদ্দিনে ১৬০ বস্তা ইউরিয়া সারসহ ট্রলার জব্দ, বৈধতার দাবি ডিলারের
- আপডেট সময় : ০৪:০২:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় মেঘনা নদী থেকে পাচার সন্দেহে ১৬০ বস্তা (৮ হাজার কেজি) ইউরিয়া সারসহ একটি স্টিলবডি ট্রলার জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড। তবে জব্দকৃত এসব সারের বৈধ ক্যাশমেমো রয়েছে এবং এগুলো খুচরা বিক্রেতাদের কেনা সার বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট বিসিআইসি ডিলার।
কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তজুমুদ্দিন কোস্ট গার্ড স্টেশন চরমোজাম্মেল এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। গত শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চরমোজাম্মেল মুক্তিযোদ্ধা বাজার সংলগ্ন মেঘনা নদীতে সন্দেহভাজন একটি স্টিলবডি ট্রলারে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় অবৈধভাবে পাচার সন্দেহে আনুমানিক ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ১৬০ বস্তা ইউরিয়া সারসহ ট্রলারটি জব্দ করা হয়। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রলারে থাকা ব্যক্তিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দকৃত মালামাল ও ট্রলারের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে, পুরো ঘটনাটিকে ভুল বোঝাবুঝি বলে দাবি করেছেন বিসিআইসি সার ডিলার মোশাররফ হোসেন দুলাল। তিনি জানান, গত ৪ সেপ্টেম্বর চরমোজাম্মেলের কয়েকজন স্থানীয় ব্যবসায়ীর কাছে ক্যাশমেমোর মাধ্যমে প্রায় ২০০ বস্তা সার বিক্রি করা হয়েছিল। যাতায়াত ও পরিবহনের সুবিধার্থে ব্যবসায়ীরা একটি ট্রলারে করে সারগুলো নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু কোস্ট গার্ডের আকস্মিক অভিযানে শ্রমিকরা ভয় পেয়ে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইব্রাহিম জানান, উপজেলায় মেসার্স মোশাররফ হোসেনসহ পাঁচজন অনুমোদিত বিসিআইসি ডিলার রয়েছেন। চরের ১০-১২ জন খুচরা বিক্রেতা ক্যাশমেমোর মাধ্যমে উক্ত ডিলারের কাছ থেকে সার সংগ্রহ করে এক বোটে পরিবহন করছিলেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) মনিটরিং ব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে। তদন্তে কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়ম পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



























