নেছারাবাদে সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতারণা, ২৪ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০২:৫৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের নেছারাবাদে পুলিশের বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে মামলার আসামিকে গ্রেফতার করিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাংবাদিক পরিচয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আবু রায়হান সোহেলের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী মামলার বাদী মো. জাহাঙ্গীর মোল্লার অভিযোগ, কথিত এই সংবাদকর্মী নিজেকে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার কথা বলে তার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ২৩ মে জাহাঙ্গীরের স্ত্রী নগদ অর্থ ও পাঁচ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে পালিয়ে গেলে ১ আগস্ট তিনি নেছারাবাদ থানায় মামলা করেন। এই মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়ে সোহেল তার কাছে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন। এ সময় সোহেল নিজেকে দেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি জাতীয় দৈনিকের সাংবাদিক এবং পুলিশ ও প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে তার বিশেষ যোগাযোগের দাবি করেন। তার আশ্বাসে বিশ্বাস করে জাহাঙ্গীর উপজেলার ইন্দেরহাট এলাকার একটি বিকাশের দোকান থেকে ২৪ হাজার টাকা সোহেলকে প্রদান করেন।
টাকা দেওয়ার প্রায় এক মাস অতিবাহিত হলেও কোনো আসামি গ্রেফতার হয়নি। উল্টো সোহেল বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। ভুক্তভোগীর ভাগ্নে মো. রাইসুল ইসলাম জানান, পুলিশি অভিযানের নামে টাকা নেওয়ার পরেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তারা প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে ধারণা করছেন। সোমবার সকালে টাকা লেনদেনের একটি সিসিটিভি ফুটেজ 'ভয়েজ অফ নেছারাবাদ' ফেসবুক পেইজে আপলোড করা হলে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
অভিযোগের বিষয়ে আবু রায়হান সোহেল টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, আসামিদের গ্রেফতারের জন্য ভুক্তভোগীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে তিনি পুলিশকে দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এখন পুলিশ যদি আসামি না ধরে তবে তার করার কিছু নেই।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান জানান, সাংবাদিক পরিচয়ধারী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়টি তিনি শুনেছেন। পুলিশের নাম ভাঙিয়ে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি করা হলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে স্বরূপকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. গোলাম মোস্তফা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, মূলধারার সাংবাদিকতার সঙ্গে চাঁদাবাজ বা হলুদ সাংবাদিকদের কোনো সম্পর্ক নেই। সাংবাদিকতার আড়ালে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে তিনি প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে টাকা নেয়ার একটি সিসিটিভি ফুটেজ 'ভয়েজ অফ নেছারাবাদ'পেইজে আপলোড করা হয়। আপলোডের সাথে সাথে ভিডিওটি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।
ভুক্তভোগী মামলার বাদী মো. জাহাঙ্গীর মোল্লার অভিযোগ, গত ২৩ মে তার স্ত্রী ঘরে থাকা প্রায় পাঁচ লাখ টাকার মালামাল ও নগদ অর্থ নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় গত ১ আগস্ট তিনি নেছারাবাদ থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন। জাহাঙ্গীরের দাবি, মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করিয়ে দেওয়ার কথা বলে পূর্বপরিচিত কথিত




























