ঢাকা ০২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শ্যামল, মোজাম্মেল ও রুপাকে ২৪ আগস্ট ট্রাইবুনালে হাজিরের নির্দেশ বিএনপি কি সরকারে মিশে যাচ্ছে? মাঠের চিত্র নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন তারেক রহমানের দ্রুত ভারত সফর প্রয়োজন: দীনেশ ত্রিবেদী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করছে সরকার: মাহদী আমিন রাঙামাটিতে সন্তানকে বাঁচিয়ে ডুবে গেলেন বাবা, ১৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার শেখ হাসিনাকে ফেরাতে আইনি প্রক্রিয়া চলছে: চিফ প্রসিকিউটর ঢাবির ফজলুল হক হলে প্রভোস্টের পদত্যাগের দাবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ গ্যাস সংকটে ২৬ দিন ধরে বন্ধ ময়মনসিংহের বিদ্যুৎকেন্দ্র জনগণের স্বস্তির জন্য কাজ করছে বর্তমান সরকার: রুহুল কবির রিজভী বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ৪ বিভাগে অতি ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

পিআর পদ্ধতিতে ভোট সংবিধানে নেই: সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন

মোঃ মকবুলার রহমান নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫ ২৮৪ বার পড়া হয়েছে

পিআর পদ্ধতিতে ভোট সংবিধানে নেই: সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ মকবুলার রহমান নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি :

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন স্পষ্ট করে বলেছেন, আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণের কোনো বিধান সংবিধানে নেই। তিনি বলেন, “সংবিধান যেটা অনুমোদন করেছে আমরা তার বাইরে যেতে পারি না। আইন সংশোধন হলে বিষয়টি বিবেচনায় আসবে।”
ইউএনবি সুত্রে জানা গেছে । শনিবার (২৩ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাজশাহীর আঞ্চলিক লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আগে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

সিইসি জানান, নির্বাচনের বিষয়ে রাজনৈতিক দলের বিতর্কে কমিশন জড়াতে চায় না। তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা এগোচ্ছি। তার চিঠি পাওয়ার পর থেকেই ফেব্রুয়ারির মধ্যে, রমজানের আগেই নির্বাচন আয়োজনের জন্য জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।”

নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আনুপাতিক পদ্ধতি সংবিধানের অংশ নয়। এখন এ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে আইন সংশোধন ছাড়া এই পদ্ধতি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।”

নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা প্রসঙ্গে সিইসি জানান, সেনাবাহিনীকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। “স্ট্রাইকিং ফোর্স নয়, সেনাবাহিনীকে সহায়ক বাহিনী হিসেবে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে,” বলেন তিনি।

এ ছাড়া বিগত সময়ে দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তাদের নিয়োগ নিয়ে তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশনের অধীনে প্রায় ৫৭০০ কর্মকর্তা আছে। তাদের দায়িত্ব বণ্টন করা হবে। তবে যেসব কর্মকর্তা আগের নির্বাচনে স্বেচ্ছায় অনিয়ম করেছিলেন, তাদের রাখা হবে না।”

সরকারি চাপ আছে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, “এখন পর্যন্ত সরকারের কোনো চাপ নেই। ভবিষ্যতে যদি চাপ আসে, আমি পদত্যাগ করব। চেয়ারে বসে থাকব না।”

সিইসি আরও জানান, আওয়ামী লীগ বর্তমানে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেই এবং বিচারাধীন থাকায় তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত। “বিচারের ফলাফলের পরই এ বিষয়ে স্পষ্ট হবে,” উল্লেখ করেন তিনি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আশাবাদী সিইসি বলেন, “ভোটের আগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। যারা ভোটকেন্দ্র দখল বা সহিংসতার চিন্তা করছে, তাদের জন্য কঠোর বার্তা—এ ধরনের চেষ্টা হলে পুরো কেন্দ্রের ভোট বাতিল করা হবে।”

সভা শেষে তিনি রাজশাহী অঞ্চলের কর্মকর্তাদের নির্বাচনী প্রস্তুতি ও নানান নির্দেশনা প্রদান করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

পিআর পদ্ধতিতে ভোট সংবিধানে নেই: সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন

আপডেট সময় : ০৪:২২:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

মোঃ মকবুলার রহমান নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি :

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন স্পষ্ট করে বলেছেন, আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণের কোনো বিধান সংবিধানে নেই। তিনি বলেন, “সংবিধান যেটা অনুমোদন করেছে আমরা তার বাইরে যেতে পারি না। আইন সংশোধন হলে বিষয়টি বিবেচনায় আসবে।”
ইউএনবি সুত্রে জানা গেছে । শনিবার (২৩ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাজশাহীর আঞ্চলিক লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আগে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

সিইসি জানান, নির্বাচনের বিষয়ে রাজনৈতিক দলের বিতর্কে কমিশন জড়াতে চায় না। তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা এগোচ্ছি। তার চিঠি পাওয়ার পর থেকেই ফেব্রুয়ারির মধ্যে, রমজানের আগেই নির্বাচন আয়োজনের জন্য জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।”

নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আনুপাতিক পদ্ধতি সংবিধানের অংশ নয়। এখন এ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে আইন সংশোধন ছাড়া এই পদ্ধতি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।”

নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা প্রসঙ্গে সিইসি জানান, সেনাবাহিনীকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। “স্ট্রাইকিং ফোর্স নয়, সেনাবাহিনীকে সহায়ক বাহিনী হিসেবে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে,” বলেন তিনি।

এ ছাড়া বিগত সময়ে দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তাদের নিয়োগ নিয়ে তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশনের অধীনে প্রায় ৫৭০০ কর্মকর্তা আছে। তাদের দায়িত্ব বণ্টন করা হবে। তবে যেসব কর্মকর্তা আগের নির্বাচনে স্বেচ্ছায় অনিয়ম করেছিলেন, তাদের রাখা হবে না।”

সরকারি চাপ আছে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, “এখন পর্যন্ত সরকারের কোনো চাপ নেই। ভবিষ্যতে যদি চাপ আসে, আমি পদত্যাগ করব। চেয়ারে বসে থাকব না।”

সিইসি আরও জানান, আওয়ামী লীগ বর্তমানে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেই এবং বিচারাধীন থাকায় তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত। “বিচারের ফলাফলের পরই এ বিষয়ে স্পষ্ট হবে,” উল্লেখ করেন তিনি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আশাবাদী সিইসি বলেন, “ভোটের আগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। যারা ভোটকেন্দ্র দখল বা সহিংসতার চিন্তা করছে, তাদের জন্য কঠোর বার্তা—এ ধরনের চেষ্টা হলে পুরো কেন্দ্রের ভোট বাতিল করা হবে।”

সভা শেষে তিনি রাজশাহী অঞ্চলের কর্মকর্তাদের নির্বাচনী প্রস্তুতি ও নানান নির্দেশনা প্রদান করেন।