ঢাকা ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদের ভূত যেভাবে মোদি সরকারকে তাড়া করছে দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে একই দিনে অপুর জন্মদিন ও শাকিবের ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড জয় তিন দিন পর নাটোর থেকে জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ উদ্ধার ইন্দোরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত বুন্দেসলিগার ইতিহাসে দ্রুততম গোল হজমের লজ্জা পেল বায়ার্ন নিজ এলাকায় জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে সংসদ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

চিলমারী-গাইবান্ধা অঞ্চলের বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা সেতু সংযোগ সড়ক অসম্পূর্ণ রেখেই চালু হচ্ছে

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর
  • আপডেট সময় : ১১:৫১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫ ৪২৪ বার পড়া হয়েছে

চিলমারী-গাইবান্ধা অঞ্চলের বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা সেতু সংযোগ সড়ক অসম্পূর্ণ রেখেই চালু হচ্ছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




স্টাফ রিপোর্টার রংপুর

চিলমারী-গাইবান্ধা অঞ্চলের বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা সেতু “মাওলানা ভাসানী সেতু”  নামে আগামী   (২০ আগষ্ট) বুধবার শুভ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। তবে সংযোগ সড়কের কাজ শেষ না হওয়ায় উদ্বোধনের পরও চিলমারী অংশের মানুষ তাতক্ষণিকভাবে এর সুফল পাচ্ছেন না।

৩ দফা তারিখ পরিবর্তনের পর পরিশেষে ১ হাজার ৪৯০ মিটার দীর্ঘ এ সেতুটি উদ্বোধন করবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

তিস্তা নদীর ওপর পিসি গার্ডার কাঠামোয় নির্মিত এই সেতু প্রকল্প হাতে নেওয়া হয় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পাঁচপীর বাজার থেকে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা সদর পর্যন্ত সংযোগ সড়কসহ। ১০ কোটি ৩৩ লাখ ২ হাজার ৮৩২ টাকার এ প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২০২৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি। একই বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি কাজ শুরু হলেও নির্ধারিত সময় ২০২৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ করা সম্ভব হয়নি। পরে দুই দফায় সময় বাড়িয়ে নতুন মেয়াদ ধরা হয়েছে আগামী ৩১ ডিসেম্বর।

কিন্তু উদ্বোধনের মাত্র ২ দিন আগে সোমবার পর্যন্ত চিলমারী অংশের ৫ হাজার ২৩০ মিটারের মধ্যে  মাঝে মধ্যে রাস্তা কার্পেটিং করা হলেও সিংহভাগ রাস্তা কার্পেটিং করা হয়নি।   সরেজমিনে দেখা যায়, মাটিকাটা মোড় থেকে কলেজ মোড় পর্যন্ত কার্পেটিং সম্পন্ন হলেও কলেজ মোড় থেকে মুদাফতথানা সরকারপাড়া পর্যন্ত পুরোনো রাস্তার পিচ খুঁড়ে রাখা হয়েছে, যা যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী। সরকারপাড়া মোড় থেকে অপু হাজির ভাটা পর্যন্ত রাস্তা পাকা করা হলেও পরবর্তী অংশের কাজ এখনও বাকি।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, এটি ১টি প্রকল্পের অধীনে হলেও সংযোগ সড়ক ও সেতুর জন্য আলাদা ২টি স্কিম করা হয়েছে এবং কাজ করছে ভিন্ন ভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুর নির্মাণকাজ ইতোমধ্যেই শেষ হওয়ায় উদ্বোধন হচ্ছে। তবে টানা বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রাম অংশের কার্পেটিংয়ের কাজ করতে বিলম্ব হচ্ছে। দ্রুত কাজ শেষ করতে ঠিকাদারকে তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

চিলমারী-গাইবান্ধা অঞ্চলের বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা সেতু সংযোগ সড়ক অসম্পূর্ণ রেখেই চালু হচ্ছে

আপডেট সময় : ১১:৫১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর

চিলমারী-গাইবান্ধা অঞ্চলের বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা সেতু “মাওলানা ভাসানী সেতু”  নামে আগামী   (২০ আগষ্ট) বুধবার শুভ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। তবে সংযোগ সড়কের কাজ শেষ না হওয়ায় উদ্বোধনের পরও চিলমারী অংশের মানুষ তাতক্ষণিকভাবে এর সুফল পাচ্ছেন না।

৩ দফা তারিখ পরিবর্তনের পর পরিশেষে ১ হাজার ৪৯০ মিটার দীর্ঘ এ সেতুটি উদ্বোধন করবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

তিস্তা নদীর ওপর পিসি গার্ডার কাঠামোয় নির্মিত এই সেতু প্রকল্প হাতে নেওয়া হয় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পাঁচপীর বাজার থেকে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা সদর পর্যন্ত সংযোগ সড়কসহ। ১০ কোটি ৩৩ লাখ ২ হাজার ৮৩২ টাকার এ প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২০২৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি। একই বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি কাজ শুরু হলেও নির্ধারিত সময় ২০২৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ করা সম্ভব হয়নি। পরে দুই দফায় সময় বাড়িয়ে নতুন মেয়াদ ধরা হয়েছে আগামী ৩১ ডিসেম্বর।

কিন্তু উদ্বোধনের মাত্র ২ দিন আগে সোমবার পর্যন্ত চিলমারী অংশের ৫ হাজার ২৩০ মিটারের মধ্যে  মাঝে মধ্যে রাস্তা কার্পেটিং করা হলেও সিংহভাগ রাস্তা কার্পেটিং করা হয়নি।   সরেজমিনে দেখা যায়, মাটিকাটা মোড় থেকে কলেজ মোড় পর্যন্ত কার্পেটিং সম্পন্ন হলেও কলেজ মোড় থেকে মুদাফতথানা সরকারপাড়া পর্যন্ত পুরোনো রাস্তার পিচ খুঁড়ে রাখা হয়েছে, যা যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী। সরকারপাড়া মোড় থেকে অপু হাজির ভাটা পর্যন্ত রাস্তা পাকা করা হলেও পরবর্তী অংশের কাজ এখনও বাকি।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, এটি ১টি প্রকল্পের অধীনে হলেও সংযোগ সড়ক ও সেতুর জন্য আলাদা ২টি স্কিম করা হয়েছে এবং কাজ করছে ভিন্ন ভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুর নির্মাণকাজ ইতোমধ্যেই শেষ হওয়ায় উদ্বোধন হচ্ছে। তবে টানা বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রাম অংশের কার্পেটিংয়ের কাজ করতে বিলম্ব হচ্ছে। দ্রুত কাজ শেষ করতে ঠিকাদারকে তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।