ঢাকা ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুর্যোগ মোকাবিলায় তালতলীতে ৬০ স্বেচ্ছাসেবককে বিশেষ প্রশিক্ষণ বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা পেতে আলোচনা চলছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইএমএলে ১২টি ভাষা শেখার সুযোগ ৩৬ বছর বয়সে না ফেরার দেশে জিম্বাবুয়ের আম্পায়ার সারাহ বিএনপিকেও শেখ হাসিনার ভূতে ধরেছে: মামুনুল হক মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার ও রেমিট্যান্স নিয়ে শঙ্কা নোয়াখালীতে খুঁটিতে বেঁধে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ভিডিও ভাইরাল তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নন-কটন পণ্যের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ কারাবাস ও বিরতি কাটিয়ে অভিনয়ে ফিরলেন অভিনেতা জাহের আলভী পটিয়ায় দুই ইউনিয়নের রশি টানাটানিতে ৩০ পরিবারের চরম দুর্ভোগ

ঘন কুয়াশায় ক্ষতির শঙ্কায় আলুচাষিরা

হীমেল কুমার মিত্র, স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:২৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩ ৩৯৫ বার পড়া হয়েছে

ঘন কুয়াশায় ক্ষতির শঙ্কায় আলুচাষিরা

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




হীমেল কুমার মিত্র, স্টাফ রিপোর্টারঃ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের দেয়া তথ্য মতে, জেলায় এ বছর ৭ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও চাষ হয়েছে ৬ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে। বারি-১, বারি-৪, বারি-৭, বারি-৮সহ উন্নত জাতের আলু চাষ হয়েছে ৬৫ ভাগ জমিতে আর ৩৫ ভাগ জমিতে চাষ হয়েছে দেশি জাতের আলু।

চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রামে আলুর ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনায় কৃষকরা স্বস্তিতে ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি ঘন কুয়াশায় লেইট ব্লাইট বা মড়ক রোগে আলুগাছ আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফলে ক্ষতি থেকে বাঁচতে নিয়মিত ওষুধ স্প্রের পাশাপাশি করছেন পরিচর্যাও। অন্যদিকে সার-কীটনাশকের দাম বৃদ্ধিতে উৎপাদন খরচ বেড়েছে, ভালো দাম পাওয়া নিয়েও শঙ্কা রয়েছে তাদের। এদিকে কুয়াশা থেকে আলু ক্ষেত রক্ষায় নিয়মিত ছত্রাকনাশক স্প্রে প্রয়োগের পরামর্শ কৃষি বিভাগের।

সরেজমিনে দেখা যায়, ২ মাস আগে লাগানো আলু বীজ থেকে এখন ক্ষেত ছেয়ে গেছে সবুজ পাতায়। ঘনকুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডায়ও এতোদিন আলু ক্ষেত ছিলো রোগবালাই মুক্ত। কিন্তু আলু তুলতে সময় বাকি আছে আর একমাস। তখনই দেখা গেছে লেইট ব্লাইট বা মড়ক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে আলু গাছ। এতে কৃষকের চোখেমুখে শঙ্কার ছাপ। এজন্য ক্ষেত সতেজ রাখতে পানি দেয়ার পাশাপাশি কেউ কেউ সাত দিন আবার কেউ পাঁচদিন পরপর নিয়মিত ঔষধ স্প্রে অব্যাহত রেখেছেন আলু ক্ষেতে।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের কৃষক বাবলু মিয়া জানান, সার-কীটনাশক এমনকি দিনমজুরেরও দাম বেড়েছে। ফলে উৎপাদন খরচ গত বছরের তুলনায় অনেক বেড়েছে। গত বছর আলু ৭-৮ টাকা দরে বিক্রি করতে হয়েছে। এ বছর দাম কম থাকলে আবাদ ছেড়ে দিব।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক কৃষিবিদ বিপ্লব কুমার মোহন্ত জানান, কৃষি বিভাগের দেয়া পরামর্শে নিয়মিত ছত্রাক নাশক প্রয়োগ করলে কুয়াশা থেকে আলু ক্ষেত রক্ষা করা সম্ভব হবে। আমরা সে পরামর্শ দিচ্ছি। কৃষকরা যদি সঠিক নিয়মে স্প্রে করা অব্যাহত রাখে তাহলে ফলন ভালো হবে। কৃষকরাও লাভবান হবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ঘন কুয়াশায় ক্ষতির শঙ্কায় আলুচাষিরা

আপডেট সময় : ০৬:২৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩

হীমেল কুমার মিত্র, স্টাফ রিপোর্টারঃ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের দেয়া তথ্য মতে, জেলায় এ বছর ৭ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও চাষ হয়েছে ৬ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে। বারি-১, বারি-৪, বারি-৭, বারি-৮সহ উন্নত জাতের আলু চাষ হয়েছে ৬৫ ভাগ জমিতে আর ৩৫ ভাগ জমিতে চাষ হয়েছে দেশি জাতের আলু।

চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রামে আলুর ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনায় কৃষকরা স্বস্তিতে ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি ঘন কুয়াশায় লেইট ব্লাইট বা মড়ক রোগে আলুগাছ আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফলে ক্ষতি থেকে বাঁচতে নিয়মিত ওষুধ স্প্রের পাশাপাশি করছেন পরিচর্যাও। অন্যদিকে সার-কীটনাশকের দাম বৃদ্ধিতে উৎপাদন খরচ বেড়েছে, ভালো দাম পাওয়া নিয়েও শঙ্কা রয়েছে তাদের। এদিকে কুয়াশা থেকে আলু ক্ষেত রক্ষায় নিয়মিত ছত্রাকনাশক স্প্রে প্রয়োগের পরামর্শ কৃষি বিভাগের।

সরেজমিনে দেখা যায়, ২ মাস আগে লাগানো আলু বীজ থেকে এখন ক্ষেত ছেয়ে গেছে সবুজ পাতায়। ঘনকুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডায়ও এতোদিন আলু ক্ষেত ছিলো রোগবালাই মুক্ত। কিন্তু আলু তুলতে সময় বাকি আছে আর একমাস। তখনই দেখা গেছে লেইট ব্লাইট বা মড়ক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে আলু গাছ। এতে কৃষকের চোখেমুখে শঙ্কার ছাপ। এজন্য ক্ষেত সতেজ রাখতে পানি দেয়ার পাশাপাশি কেউ কেউ সাত দিন আবার কেউ পাঁচদিন পরপর নিয়মিত ঔষধ স্প্রে অব্যাহত রেখেছেন আলু ক্ষেতে।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের কৃষক বাবলু মিয়া জানান, সার-কীটনাশক এমনকি দিনমজুরেরও দাম বেড়েছে। ফলে উৎপাদন খরচ গত বছরের তুলনায় অনেক বেড়েছে। গত বছর আলু ৭-৮ টাকা দরে বিক্রি করতে হয়েছে। এ বছর দাম কম থাকলে আবাদ ছেড়ে দিব।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক কৃষিবিদ বিপ্লব কুমার মোহন্ত জানান, কৃষি বিভাগের দেয়া পরামর্শে নিয়মিত ছত্রাক নাশক প্রয়োগ করলে কুয়াশা থেকে আলু ক্ষেত রক্ষা করা সম্ভব হবে। আমরা সে পরামর্শ দিচ্ছি। কৃষকরা যদি সঠিক নিয়মে স্প্রে করা অব্যাহত রাখে তাহলে ফলন ভালো হবে। কৃষকরাও লাভবান হবেন।