ঢাকা ০২:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মালিকসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা কক্সবাজারের রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: নিখোঁজ যশোরের নাহিদুর ও তার পরিবার বিদেশি আগ্রাসনের কাছে মাথা নত করবে না ইরান: পেজেশকিয়ান সিরাজগঞ্জে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় মাঠে থাকছেন ৩৬৩০ আনসার-ভিডিপি সদস্য ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে ৪৯০ জন গ্রেপ্তার সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে কাজ করছে সরকার এআইয়ের যুগে তরুণদের কর্মসংস্থান বাড়ানোর নতুন কৌশল ও দিকনির্দেশনা পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবায় রোগীর তথ্যের নিরাপত্তা ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনা

ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে বৃষ্টিতে জলাবদ্ধ দশমাইল মহাসড়ক, ভোগান্তিতে যাত্রী ও পথচারী

মোঃ সৌরভ হোসেনঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:২৭:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৩৬৩ বার পড়া হয়েছে

ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে বৃষ্টিতে জলাবদ্ধ দশমাইল মহাসড়ক, ভোগান্তিতে যাত্রী ও পথচারী

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বগুড়া জেলা পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (আরডিএ) সংলগ্ন দশমাইল এলাকায় এশিয়ান হাইওয়ে (ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক) দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের অভাবে জনদূর্ভোগের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। চলমান আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভদ্র মৌসুমে টানা বৃষ্টিপাতে মহাসড়কের পূর্ব অংশে জলাবদ্ধতার মাত্রা আরও বেড়েছে। ফলে স্থানীয় মানুষ, অফিসগামী কর্মজীবী এবং স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন দুর্ভোগে পড়ছেন।

এশিয়ান হাইওয়ে দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মানের সড়ক। প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করলেও রাস্তার নিচে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে থাকছে। স্থানীয়দের দাবি, রাস্তার পানির সঠিক নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় যানজট, দুর্ঘটনা এবং ব্রেকডাউনের আশঙ্কা বেড়েছে। বিশেষ করে ভ্যান, মোটরসাইকেল ও ছোট যানবাহনের জন্য এই রাস্তা পার হওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সমস্যাটি নতুন নয়। বহু বছর ধরে বৃষ্টির সময় রাস্তার নিচে পানি জমে থাকে এবং কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এর ফলে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়ছে। অফিসগামী মানুষদের জন্য অফিসে সময়মতো পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা জলভর্তি রাস্তা পার হতে গিয়ে বিপদের মুখে পড়ছেন। পথচারীরা বলছেন, রাস্তার পানির উচ্চতা এমন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে যে পায়ে পানি লাগার পাশাপাশি জুতাও নষ্ট হচ্ছে।

স্থানীয়রা আরও জানিয়েছেন, রাস্তার পানি নিষ্কাশনের জন্য কোনো ড্রেন বা নিষ্কাশি নালা নেই। ফলে বর্ষার সময় রাস্তায় জমে থাকা পানি দীর্ঘদিন থাকে। যানবাহন চালকরা বলছেন, এই জমে থাকা পানি ব্রেকডাউন এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে। এ ছাড়া মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, যা চলাচলকে দুর্ভোগময় করে তুলেছে।

এলাকার সচেতন মহল দাবি করছেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিলে জনদূর্ভোগ লাঘব হবে। এশিয়ান হাইওয়ের মতো আন্তর্জাতিক মানের সড়কে পানি নিষ্কাশনের সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা না থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা বলছেন, স্থানীয় প্রশাসন এবং সড়ক কর্তৃপক্ষ সময়মতো পদক্ষেপ নিলে দুর্ঘটনা ও যানজটের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

জানা যায়, শুধুমাত্র যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি নয়, বর্ষার সময় রাস্তায় জমে থাকা পানি পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যকেও হুমকির মুখে ফেলে। স্থায়ীভাবে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকলে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক ক্ষতি ও দুর্ভোগও বৃদ্ধি পাবে। তাই জনগণ আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমস্যাটির সমাধানে দ্রুত উদ্যোগ নেবে এবং বর্ষার আগেই পানির সঠিক নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে বৃষ্টিতে জলাবদ্ধ দশমাইল মহাসড়ক, ভোগান্তিতে যাত্রী ও পথচারী

আপডেট সময় : ০৭:২৭:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বগুড়া জেলা পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (আরডিএ) সংলগ্ন দশমাইল এলাকায় এশিয়ান হাইওয়ে (ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক) দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের অভাবে জনদূর্ভোগের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। চলমান আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভদ্র মৌসুমে টানা বৃষ্টিপাতে মহাসড়কের পূর্ব অংশে জলাবদ্ধতার মাত্রা আরও বেড়েছে। ফলে স্থানীয় মানুষ, অফিসগামী কর্মজীবী এবং স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন দুর্ভোগে পড়ছেন।

এশিয়ান হাইওয়ে দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মানের সড়ক। প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করলেও রাস্তার নিচে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে থাকছে। স্থানীয়দের দাবি, রাস্তার পানির সঠিক নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় যানজট, দুর্ঘটনা এবং ব্রেকডাউনের আশঙ্কা বেড়েছে। বিশেষ করে ভ্যান, মোটরসাইকেল ও ছোট যানবাহনের জন্য এই রাস্তা পার হওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সমস্যাটি নতুন নয়। বহু বছর ধরে বৃষ্টির সময় রাস্তার নিচে পানি জমে থাকে এবং কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এর ফলে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়ছে। অফিসগামী মানুষদের জন্য অফিসে সময়মতো পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা জলভর্তি রাস্তা পার হতে গিয়ে বিপদের মুখে পড়ছেন। পথচারীরা বলছেন, রাস্তার পানির উচ্চতা এমন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে যে পায়ে পানি লাগার পাশাপাশি জুতাও নষ্ট হচ্ছে।

স্থানীয়রা আরও জানিয়েছেন, রাস্তার পানি নিষ্কাশনের জন্য কোনো ড্রেন বা নিষ্কাশি নালা নেই। ফলে বর্ষার সময় রাস্তায় জমে থাকা পানি দীর্ঘদিন থাকে। যানবাহন চালকরা বলছেন, এই জমে থাকা পানি ব্রেকডাউন এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে। এ ছাড়া মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, যা চলাচলকে দুর্ভোগময় করে তুলেছে।

এলাকার সচেতন মহল দাবি করছেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিলে জনদূর্ভোগ লাঘব হবে। এশিয়ান হাইওয়ের মতো আন্তর্জাতিক মানের সড়কে পানি নিষ্কাশনের সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা না থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা বলছেন, স্থানীয় প্রশাসন এবং সড়ক কর্তৃপক্ষ সময়মতো পদক্ষেপ নিলে দুর্ঘটনা ও যানজটের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

জানা যায়, শুধুমাত্র যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি নয়, বর্ষার সময় রাস্তায় জমে থাকা পানি পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যকেও হুমকির মুখে ফেলে। স্থায়ীভাবে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকলে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক ক্ষতি ও দুর্ভোগও বৃদ্ধি পাবে। তাই জনগণ আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমস্যাটির সমাধানে দ্রুত উদ্যোগ নেবে এবং বর্ষার আগেই পানির সঠিক নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।