ঢাকা ০৫:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সামরিক তথ্য ফাঁসকারীদের গুলি করে হত্যা করা উচিত: ট্রাম্প মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত: ৩৩৮ এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের ঘোষণা মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, বিনা খরচে যাবে ১০ হাজার কর্মী ‘নগদ’ বিক্রির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই, লাভজনক করার উদ্যোগ কাশ্মীরের মসজিদে অভিন্ন খুতবার প্রস্তাব, বিতর্কের মুখে ওয়াকফ বোর্ড ঈশ্বরদীতে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, থানায় মামলা পেশোয়ারে স্কুলের ছাদ ধসে ২৭ শিক্ষার্থীসহ নিহত ২৮ হামজার বিতর্কিত লাল কার্ডে ক্ষোভে ফুঁসছেন শেফিল্ড কোচ সৌদিগামী ১০৩ ফ্লাইট ব্যাহত, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার ৭৭৯ যাত্রী খালি পেটে শিঙাড়া খেলে যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি হতে পারে

স্ত্রী ও কন্যাকে হত্যার অভিযোগে ঘাতককে আটক করে ছাগলনাইয়া থানার পুলিশ

ফখরুল আলম সাজু  ক্রাইম রিপোর্টার ঢাকা:
  • আপডেট সময় : ০৪:০৮:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫ ২২০ বার পড়া হয়েছে

স্ত্রী ও কন্যাকে হত্যার অভিযোগে ঘাতককে আটক করে ছাগলনাইয়া থানার পুলিশ

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফখরুল আলম সাজু  ক্রাইম রিপোর্টার ঢাকা:

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার মহামায়া ইউনিয়নে জয়নগর গ্রামের মীর হোসেন তার স্ত্রী জাহেদা আক্তার (৩৫) এবং মেয়ে মিশু আক্তারকে (১৭) নিয়ে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার রামপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন, এবং স্থানীয় একটি কারখানায় কাজ করতেন।

কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার স্থানীয় বাড়ির মালিক আবুল খায়ের জানান, গত ১২ জুলাই রাজমিস্ত্রী মীর হোসেন বাসা ভাড়া নেন। মঙ্গলবার ভোরে হঠাৎ সে বাসা থেকে লাফিয়ে পড়ে পালিয়ে যায়। পরে ঘরে গিয়ে দেখা যায়, মা ও মেয়ের মরদেহ পড়ে আছে। হত্যার ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে বিষয়টি সম্পর্কে রামপুর গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল হক ও মিজানুর রহমান বলেন, মা ও মেয়ে দুজনই জিহান ফ্যাক্টরীতে কাজ করতেন। তারা খুব সাধারণ জীবন-যাপন করতেন, কিভাবে এ ঘটনা ঘটল, তা আমরা বুঝতে পারছি না।

স্ত্রী ও কন্যাকে হত্যার ঘাতককে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মীর হোসেনকে ছাগলনাইয়া পৌরসভার দক্ষিণ যশপুর এলাকা থেকে ৩০জুলাই বুধবার রাতে আটক করে এবং ছাগলনাইয়া থানা পুলিশে সোপর্দ করে এলাকাবাসী।

নিহত জাহেদা আক্তারের মাতা হোসনআরা, বোন বিবি আয়েশা মায়া ও শিশু কন্যা বিবি ফাতেমা অভিযোগ করেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে মীর হোসেন তার স্ত্রী জাহেদা আক্তার ও মেয়ে মিশু আক্তারকে নির্যাতন করে হত্যা করেছে। আমরা মীর হোসেনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

বুড়িচং মডেল থানার ওসি মো. আজিজুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই এবং লাশ দুটি উদ্ধার করি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর নিশ্চিতভাবে বলা যাবে মৃত্যুর কারণ।

মা ও মেয়ের লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০ টায় মা ও মেয়ের লাশ ছাগলনাইয়া উপজেলার মহামায়া ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

স্ত্রী ও কন্যাকে হত্যার অভিযোগে ঘাতককে আটক করে ছাগলনাইয়া থানার পুলিশ

আপডেট সময় : ০৪:০৮:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

ফখরুল আলম সাজু  ক্রাইম রিপোর্টার ঢাকা:

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার মহামায়া ইউনিয়নে জয়নগর গ্রামের মীর হোসেন তার স্ত্রী জাহেদা আক্তার (৩৫) এবং মেয়ে মিশু আক্তারকে (১৭) নিয়ে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার রামপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন, এবং স্থানীয় একটি কারখানায় কাজ করতেন।

কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার স্থানীয় বাড়ির মালিক আবুল খায়ের জানান, গত ১২ জুলাই রাজমিস্ত্রী মীর হোসেন বাসা ভাড়া নেন। মঙ্গলবার ভোরে হঠাৎ সে বাসা থেকে লাফিয়ে পড়ে পালিয়ে যায়। পরে ঘরে গিয়ে দেখা যায়, মা ও মেয়ের মরদেহ পড়ে আছে। হত্যার ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে বিষয়টি সম্পর্কে রামপুর গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল হক ও মিজানুর রহমান বলেন, মা ও মেয়ে দুজনই জিহান ফ্যাক্টরীতে কাজ করতেন। তারা খুব সাধারণ জীবন-যাপন করতেন, কিভাবে এ ঘটনা ঘটল, তা আমরা বুঝতে পারছি না।

স্ত্রী ও কন্যাকে হত্যার ঘাতককে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মীর হোসেনকে ছাগলনাইয়া পৌরসভার দক্ষিণ যশপুর এলাকা থেকে ৩০জুলাই বুধবার রাতে আটক করে এবং ছাগলনাইয়া থানা পুলিশে সোপর্দ করে এলাকাবাসী।

নিহত জাহেদা আক্তারের মাতা হোসনআরা, বোন বিবি আয়েশা মায়া ও শিশু কন্যা বিবি ফাতেমা অভিযোগ করেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে মীর হোসেন তার স্ত্রী জাহেদা আক্তার ও মেয়ে মিশু আক্তারকে নির্যাতন করে হত্যা করেছে। আমরা মীর হোসেনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

বুড়িচং মডেল থানার ওসি মো. আজিজুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই এবং লাশ দুটি উদ্ধার করি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর নিশ্চিতভাবে বলা যাবে মৃত্যুর কারণ।

মা ও মেয়ের লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০ টায় মা ও মেয়ের লাশ ছাগলনাইয়া উপজেলার মহামায়া ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।