ঢাকা ০৬:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁওয়ে প্রেমিকাকে ঘুরতে নিয়ে গিয়ে কিশোরীকে গণধর্ষণ প্রেমিক সহ গ্রেফতার-৩ সকাল ৯টায় অফিস, কিন্তু সাড়ে ৯টায়ও খোঁজ নেই অধিকাংশ কর্মকর্তার আবু সাঈদ হত্যা মামলার ৮০৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ ঢাকায় আমজাদহাট সোসাইটির ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা ছাগলনাইয়া মানারাত হাসপাতালে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় গৃহবধূর মৃত্যু মুগদায় হানি ট্র্যাপ থেকে কিশোর গ্যাং অপরাধ চক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ পরশুরামে প্রচেষ্টা স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে নতুন কমিটি গঠন দাউদকান্দিতে ১০ কেজি গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক আটক বালিয়াকান্দিতে যুদবল সদস্য সচিবকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

দশম শ্রেণির চারজন স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

মোঃ ইসমাইল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৮:২২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫ ৩০৯ বার পড়া হয়েছে

দশম শ্রেণির চারজন স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মোঃ ইসমাইল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার

দশম শ্রেণির চারজন স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফতুল্লার পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক মিজানুর রহমান ওরফে মিজান (৪৫)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। পুলিশ এ সময় তার কাছ থেকে তিন ভুক্তভোগী ছাত্রীকেও উদ্ধার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃত মিজানুর রহমান বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার মৃত আবু তালেব শিকদারের পুত্র।

ফতুল্লা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) শরিফুল ইসলাম জানান, মিজান ঢাকায় থাকলেও ফতুল্লার পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ে আর্ট ও কম্পিউটার ক্লাস নিতেন। তিনি ছুটির দিনে অর্থাৎ প্রতি শুক্রবার শিক্ষার্থীদের ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রলোভন দেখাতেন। সেখানে নিয়েই তাদের ধর্ষণ করতেন বলে অভিযোগ।

পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে, চলতি জুন মাসের ৬, ১১ এবং ২৩ তারিখে এই শিক্ষক কৌশলে দশম শ্রেণির চার ছাত্রীকে ঢাকায় নিয়ে যান। সেখানে একটি ভাড়া বাসায় তাদের ওপর একাধিকবার পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। সর্বশেষ ২৩ জুন একজন ছাত্রীকে একই কায়দায় নিয়ে যাওয়া হয়। তবে ২৪ জুন সে ছাত্রী কোনোমতে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়। এরপরই সে তার পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলে। সে জানায়, তার তিন বান্ধবী এখনো ঢাকায় আটকে আছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পুলিশ দ্রুত মোহাম্মদপুরে অভিযান চালায়। সেই অভিযানেই তিন ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয় এবং অভিযুক্ত মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ইন্সপেক্টর শরিফুল ইসলাম আরও বলেন, “গ্রেপ্তারকৃত মিজান একজন বিকৃত রুচির ব্যক্তি। তার বিরুদ্ধে ঢাকার একটি থানায় আগেই পর্নোগ্রাফি ও ধর্ষণের একটি মামলা রয়েছে। ফতুল্লা থানায়ও নতুন করে একটি ধর্ষণ মামলা রুজু করা হয়েছে। আমরা তাকে রিমান্ডে এনে আরও বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করব।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

দশম শ্রেণির চারজন স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৮:২২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫
print news

মোঃ ইসমাইল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার

দশম শ্রেণির চারজন স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফতুল্লার পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক মিজানুর রহমান ওরফে মিজান (৪৫)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। পুলিশ এ সময় তার কাছ থেকে তিন ভুক্তভোগী ছাত্রীকেও উদ্ধার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃত মিজানুর রহমান বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার মৃত আবু তালেব শিকদারের পুত্র।

ফতুল্লা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) শরিফুল ইসলাম জানান, মিজান ঢাকায় থাকলেও ফতুল্লার পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ে আর্ট ও কম্পিউটার ক্লাস নিতেন। তিনি ছুটির দিনে অর্থাৎ প্রতি শুক্রবার শিক্ষার্থীদের ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রলোভন দেখাতেন। সেখানে নিয়েই তাদের ধর্ষণ করতেন বলে অভিযোগ।

পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে, চলতি জুন মাসের ৬, ১১ এবং ২৩ তারিখে এই শিক্ষক কৌশলে দশম শ্রেণির চার ছাত্রীকে ঢাকায় নিয়ে যান। সেখানে একটি ভাড়া বাসায় তাদের ওপর একাধিকবার পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। সর্বশেষ ২৩ জুন একজন ছাত্রীকে একই কায়দায় নিয়ে যাওয়া হয়। তবে ২৪ জুন সে ছাত্রী কোনোমতে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়। এরপরই সে তার পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলে। সে জানায়, তার তিন বান্ধবী এখনো ঢাকায় আটকে আছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পুলিশ দ্রুত মোহাম্মদপুরে অভিযান চালায়। সেই অভিযানেই তিন ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয় এবং অভিযুক্ত মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ইন্সপেক্টর শরিফুল ইসলাম আরও বলেন, “গ্রেপ্তারকৃত মিজান একজন বিকৃত রুচির ব্যক্তি। তার বিরুদ্ধে ঢাকার একটি থানায় আগেই পর্নোগ্রাফি ও ধর্ষণের একটি মামলা রয়েছে। ফতুল্লা থানায়ও নতুন করে একটি ধর্ষণ মামলা রুজু করা হয়েছে। আমরা তাকে রিমান্ডে এনে আরও বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করব।”