ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ ঝিনাইদহে পুকুরে ডুবে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু অনারারি ডক্টরেট পেলেন বলিউড অভিনেত্রী রানী মুখার্জি প্রাণ গ্রুপে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে চাকরির সুযোগ দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ ১১ জনের প্রাণহানি হাসিনাকে ‘অমূল্য সম্পদ’ বলা চসিক সচিবের অডিও ফাঁস কিশোরগঞ্জে ইমাম ও পুরোহিতদের সম্মানি ভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইনিংস ব্যবধানে হার এড়ালো অস্ট্রেলিয়া, লিড মাত্র ১৫ রানের

নির্মাণাধীন ভবন যেন মৃত্যুফাঁদ হয়ে উঠছে ঢাকা নগরীতে

ফখরুল আলম সাজু ক্রাইম রিপোর্টার ঢাকা:
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৫:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫ ২১১ বার পড়া হয়েছে

নির্মাণাধীন ভবন যেন মৃত্যুফাঁদ হয়ে উঠছে ঢাকা নগরীতে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফখরুল আলম সাজু ক্রাইম রিপোর্টার ঢাকা:

নির্মাণাধীন ভবনগুলো যেন এক একটি মৃত্যুফাঁদ হয়ে উঠছে ঢাকা নগরীতে। বছরের কয়েকটি মাসেই নির্মাণাধীন ভবন দুর্ঘটনায় মারা গেছেন বেশ কয়েকজন। অধিকাংশ ভবন মালিক নতুন ভবন নির্মাণে শ্রমিক এবং পথচারীদের নিরাপত্তায় ইমারত নির্মাণ বিধিমালা মানছেন না। ফলে নির্মাণাধীন ভবনগুলো শ্রমিক ও পথচারীদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।

নিরাপত্তা বেষ্টনী ছাড়া ঢাকা মহা নগরীর প্লট থ /৭-৮ ,ব্লক – এ ,রোড – ০৬ ,তিলপা পাড়া ,খিলগাঁওতে কাজ করে যাচ্ছেন যৌথমালিকানাধীন  একটি ভবন, ভবনটির মালিক, এস এম হাবিবুর রহমান ও এস এম মনোয়ারুল ইসলাম ।

২৭ই মে যৌথ মালিকানাধীন একটি ভবন, এখানে ফুটপাতের পাশেই কোনো ব্যবস্থা ছাড়াই তৈরি করা হচ্ছিল নতুন ভবন। সেখানে সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পাই নির্মানাধীন কর্মীদের সেফটি বেল্ট, হ্যালমেট, সেফটি পায়ের বুট এমনকি শরীরের কোন সেফটি নেই এবং ভবনটির চারপাশের কোন সেফটির ব্যবস্থা করা হয়নি ।

নগরীর তিলপাপাড়া,খিলগাঁওয়ে নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবন থেকে নির্মাণ সামগ্রী নিচে পড়ে। সরেজমিনে সাংবাদিকদের টিমের উপর পড়ে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যায়।

এই ভবনটির মালিক এস এম হাবিবুর রহমান ও এস এম মনোয়ারুল ইসলাম।

আর এই ভবনটি যৌথমালিকানাধীনে নির্মাণ করা হচ্ছে, আমরা এই ভবনটির যৌথ মালিকানাধীনের একজন মালিক এর সাথে মুঠোফোনে কথা বলে জানতে পেরেছি তারা নির্মানাধীন ভবন গুলোর কোন সেফটি নেই তারা এই সম্পর্কই আগে থেকেই অবগত আছেন এবং  তাদের এটা নিজস্ব গাফিলতি এটা প্রমাণ পেয়েছি আমরা এবং তিনি ইঙ্গিত দিয়ে বলেন আপনারা কি চাচ্ছেন এটা আমরা জানি এবং তাদের কাছে অনেক সাংবাদিক আছেন এবং তাদের সাথে উঠা বসা আছে।

সব ঘটনায় ভবন নির্মাণের বিধি উপেক্ষিত ছিল। এতে নির্মাণ শ্রমিকরা যেমন অনিরাপদ, তেমনি নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে পথচারীদেরও।

বছরে আড়াই হাজার ভবনের নকশা অনুমোদন দিয়ে থাকে ঢাকা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। ভবন নির্মাণে শ্রমিক ও পথচারীদের নিরাপত্তায় ইমারতবিধি অনুযায়ী ভবনের চারদিকে জাল দিয়ে ঘিরে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করে। তবে ভবন নির্মাণ শুরু করতে হবে। কিন্তু অধিকাংশ মালিক কিংবা প্রতিষ্ঠানগুলো এ নিয়মের তোয়াক্কা করে না। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা বড় দুর্ঘটনা।

এই সম্পর্কে আমাদের সাথে কথা হয় রাজউক উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম এর সাথে, তিনি আমাদের বলেন এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এর মাধ্যমে দরখাস্ত দিয়ে যেতে তারা তাদের টিম নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এই বলে আমাদের আশ্বাস তিনি দেন।

এরপর আমরা জোন ৬/২ এর পরিদর্শক এর সাথে কথা বলেন তিনি বলেন, নিয়ম হচ্ছে কোনো ভবনের কাজ শুরু করার আগে মালিকপক্ষ সিডিএকে জানাতে হয় যে তারা ভবনের কাজটা শুরু করছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই কাজটা অধিকাংশ ভবন মালিকরা করে না।
এবং বিভিন্ন প্রপার্টিজ গুলো নির্মানাধীন ভবন নির্মাণে কোন নিয়ম মানছে না এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং মালিকের বিরুদ্ধেও একই ব্যাবস্থা গ্রহণ করা উচিত ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

নির্মাণাধীন ভবন যেন মৃত্যুফাঁদ হয়ে উঠছে ঢাকা নগরীতে

আপডেট সময় : ০৬:৪৫:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

ফখরুল আলম সাজু ক্রাইম রিপোর্টার ঢাকা:

নির্মাণাধীন ভবনগুলো যেন এক একটি মৃত্যুফাঁদ হয়ে উঠছে ঢাকা নগরীতে। বছরের কয়েকটি মাসেই নির্মাণাধীন ভবন দুর্ঘটনায় মারা গেছেন বেশ কয়েকজন। অধিকাংশ ভবন মালিক নতুন ভবন নির্মাণে শ্রমিক এবং পথচারীদের নিরাপত্তায় ইমারত নির্মাণ বিধিমালা মানছেন না। ফলে নির্মাণাধীন ভবনগুলো শ্রমিক ও পথচারীদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।

নিরাপত্তা বেষ্টনী ছাড়া ঢাকা মহা নগরীর প্লট থ /৭-৮ ,ব্লক – এ ,রোড – ০৬ ,তিলপা পাড়া ,খিলগাঁওতে কাজ করে যাচ্ছেন যৌথমালিকানাধীন  একটি ভবন, ভবনটির মালিক, এস এম হাবিবুর রহমান ও এস এম মনোয়ারুল ইসলাম ।

২৭ই মে যৌথ মালিকানাধীন একটি ভবন, এখানে ফুটপাতের পাশেই কোনো ব্যবস্থা ছাড়াই তৈরি করা হচ্ছিল নতুন ভবন। সেখানে সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পাই নির্মানাধীন কর্মীদের সেফটি বেল্ট, হ্যালমেট, সেফটি পায়ের বুট এমনকি শরীরের কোন সেফটি নেই এবং ভবনটির চারপাশের কোন সেফটির ব্যবস্থা করা হয়নি ।

নগরীর তিলপাপাড়া,খিলগাঁওয়ে নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবন থেকে নির্মাণ সামগ্রী নিচে পড়ে। সরেজমিনে সাংবাদিকদের টিমের উপর পড়ে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যায়।

এই ভবনটির মালিক এস এম হাবিবুর রহমান ও এস এম মনোয়ারুল ইসলাম।

আর এই ভবনটি যৌথমালিকানাধীনে নির্মাণ করা হচ্ছে, আমরা এই ভবনটির যৌথ মালিকানাধীনের একজন মালিক এর সাথে মুঠোফোনে কথা বলে জানতে পেরেছি তারা নির্মানাধীন ভবন গুলোর কোন সেফটি নেই তারা এই সম্পর্কই আগে থেকেই অবগত আছেন এবং  তাদের এটা নিজস্ব গাফিলতি এটা প্রমাণ পেয়েছি আমরা এবং তিনি ইঙ্গিত দিয়ে বলেন আপনারা কি চাচ্ছেন এটা আমরা জানি এবং তাদের কাছে অনেক সাংবাদিক আছেন এবং তাদের সাথে উঠা বসা আছে।

সব ঘটনায় ভবন নির্মাণের বিধি উপেক্ষিত ছিল। এতে নির্মাণ শ্রমিকরা যেমন অনিরাপদ, তেমনি নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে পথচারীদেরও।

বছরে আড়াই হাজার ভবনের নকশা অনুমোদন দিয়ে থাকে ঢাকা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। ভবন নির্মাণে শ্রমিক ও পথচারীদের নিরাপত্তায় ইমারতবিধি অনুযায়ী ভবনের চারদিকে জাল দিয়ে ঘিরে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করে। তবে ভবন নির্মাণ শুরু করতে হবে। কিন্তু অধিকাংশ মালিক কিংবা প্রতিষ্ঠানগুলো এ নিয়মের তোয়াক্কা করে না। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা বড় দুর্ঘটনা।

এই সম্পর্কে আমাদের সাথে কথা হয় রাজউক উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম এর সাথে, তিনি আমাদের বলেন এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এর মাধ্যমে দরখাস্ত দিয়ে যেতে তারা তাদের টিম নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এই বলে আমাদের আশ্বাস তিনি দেন।

এরপর আমরা জোন ৬/২ এর পরিদর্শক এর সাথে কথা বলেন তিনি বলেন, নিয়ম হচ্ছে কোনো ভবনের কাজ শুরু করার আগে মালিকপক্ষ সিডিএকে জানাতে হয় যে তারা ভবনের কাজটা শুরু করছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই কাজটা অধিকাংশ ভবন মালিকরা করে না।
এবং বিভিন্ন প্রপার্টিজ গুলো নির্মানাধীন ভবন নির্মাণে কোন নিয়ম মানছে না এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং মালিকের বিরুদ্ধেও একই ব্যাবস্থা গ্রহণ করা উচিত ।