ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাইবান্ধায় শিবির নেতা হত্যা, অভিযুক্ত যুবদল নেতার বাড়িতে আগুন-ভাঙচুর ব্রাহ্মণপাড়া পুলিশের অভিযানে গাঁজা সহ গ্রেফতার-২ যুবদল নেতা মাসুদ হত্যা মামলার অন্যতম হোতা আইয়ুব গ্রেফতার চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে প্যাকেট নকল সিগারেট ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার গ্রেফতার-৫ জাল টাকার নোট সহ গ্রেফতার-৭ ফরিদপুরে ডিবি পুলিশের হেফাজতে যুবকের মৃত্যুর চাঁদপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক-১ চাঁদপুর ল কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্র পুনরায় চাঁদপুরে স্থাপনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সৌজন্য সাক্ষাৎ রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মহিপুর তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ভাঙন  ফুলবাড়ীতে ২৯ বিজিবি’র অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিদেশী মদ সহ নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার

শরৎ-এর বৃষ্টি কাল হলো খোকসার কৃষকদের

মো: আকাশ হোসেন কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২৭১ বার পড়া হয়েছে

শরৎ-এর বৃষ্টি কাল হলো খোকসার কৃষকদের

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মো: আকাশ হোসেন কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি

গেল কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির ক্ষতি আর দিন দশেক বৃষ্টিস্নাত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে মাথায় হাত কুষ্টিয়ার খোকসার কৃষকদের। নীচু এলাকার ফসলী জমিতে হাঁটু-কোমর পানি এবং উঁচু এলাকার ফসলী জমিতেও জমে আছে পানি। এমন অতিবৃষ্টিতে নষ্ট হতে বসেছে প্রায় দেড় শত হেক্টর জমির ফসল। হুমকিতে উপজেলাটির অন্তত ২০ হাজার হেক্টর কৃষি জমির ফসল।

বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবনে কৃষক তাঁর কৃষি কাজ চালিয়ে গেলেও সেপ্টেম্বরের ১৪ তারিখ থেকে চলতে থাকা বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষি জমিতে কাঁচা মরিচ, বেগুন, কলা, পটোল, করলা, ঢেড়শ ও শীতের আগাম সবজির ক্ষেতে পানি জমে যাওয়ায় ফলন বিপর্যয়সহ ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। গাছের গোড়ায় বৃষ্টির পানি জমে থেকে ফসলের গাছ নষ্ট হয়ে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মৌসুমী ফসলের জন্য ক্ষেত প্রস্তুত করা সম্ভব হচ্ছে না।

সারাবছর সবজি চাষী ক্ষিরোদ জানান, ঝিঙা, শিম, কচু, ঢেড়স, চিচিঙ্গা এধরনের ফসলের গাছে-লতায় পচন ধরার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। কিছু কিছু ফসল ইতোমধ্যেই নষ্ট হওয়া শুরু হয়েছে।

শিমুলিয়া ইউনিয়নের কৃষক ইরফান আলী বলেন, আমি এক বিঘা জমিতে বেগুনের চারা রোপন করেছি দিন পনের হলো, এখন বৃষ্টির পানি জমিতে জমে গেছে। চারাগুলোর অধিকাংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা।

জানিপুর ইউনিয়নের মরিচ চাষি তপন ঘোষ বলেন, মাটিতে পানি জমে আছে একারণে মরিচের গাছে পর্যাপ্ত মরিচ ধরে থাকলেও গাছের গোড়ায় ক্ষতি হবে ভয়ে আমরা মরিচ তুলতে পারছি না। মরিচ গাছ ভেঙে আর পানি জমে পঁচে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছি আমরা মরিচ চাষীরা।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, খোকসার বিভিন্ন এলাকায় ১০ হেক্টর কলা, ০৮ হেক্টর বিভিন্ন সবজি জমিতে পানি জমে থেকে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সবুজ কুমার সাহা জানান, রোদ্রজ্জল আবহাওয়া হলে ধান ও অন্যান্য চাষাবাদে তেমন প্রভাব পড়বে না। মাঠপর্যায়ে দাপ্তরিক ভাবে সকল ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের খোঁজ নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

শরৎ-এর বৃষ্টি কাল হলো খোকসার কৃষকদের

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪
print news

মো: আকাশ হোসেন কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি

গেল কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির ক্ষতি আর দিন দশেক বৃষ্টিস্নাত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে মাথায় হাত কুষ্টিয়ার খোকসার কৃষকদের। নীচু এলাকার ফসলী জমিতে হাঁটু-কোমর পানি এবং উঁচু এলাকার ফসলী জমিতেও জমে আছে পানি। এমন অতিবৃষ্টিতে নষ্ট হতে বসেছে প্রায় দেড় শত হেক্টর জমির ফসল। হুমকিতে উপজেলাটির অন্তত ২০ হাজার হেক্টর কৃষি জমির ফসল।

বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবনে কৃষক তাঁর কৃষি কাজ চালিয়ে গেলেও সেপ্টেম্বরের ১৪ তারিখ থেকে চলতে থাকা বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষি জমিতে কাঁচা মরিচ, বেগুন, কলা, পটোল, করলা, ঢেড়শ ও শীতের আগাম সবজির ক্ষেতে পানি জমে যাওয়ায় ফলন বিপর্যয়সহ ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। গাছের গোড়ায় বৃষ্টির পানি জমে থেকে ফসলের গাছ নষ্ট হয়ে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মৌসুমী ফসলের জন্য ক্ষেত প্রস্তুত করা সম্ভব হচ্ছে না।

সারাবছর সবজি চাষী ক্ষিরোদ জানান, ঝিঙা, শিম, কচু, ঢেড়স, চিচিঙ্গা এধরনের ফসলের গাছে-লতায় পচন ধরার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। কিছু কিছু ফসল ইতোমধ্যেই নষ্ট হওয়া শুরু হয়েছে।

শিমুলিয়া ইউনিয়নের কৃষক ইরফান আলী বলেন, আমি এক বিঘা জমিতে বেগুনের চারা রোপন করেছি দিন পনের হলো, এখন বৃষ্টির পানি জমিতে জমে গেছে। চারাগুলোর অধিকাংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা।

জানিপুর ইউনিয়নের মরিচ চাষি তপন ঘোষ বলেন, মাটিতে পানি জমে আছে একারণে মরিচের গাছে পর্যাপ্ত মরিচ ধরে থাকলেও গাছের গোড়ায় ক্ষতি হবে ভয়ে আমরা মরিচ তুলতে পারছি না। মরিচ গাছ ভেঙে আর পানি জমে পঁচে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছি আমরা মরিচ চাষীরা।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, খোকসার বিভিন্ন এলাকায় ১০ হেক্টর কলা, ০৮ হেক্টর বিভিন্ন সবজি জমিতে পানি জমে থেকে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সবুজ কুমার সাহা জানান, রোদ্রজ্জল আবহাওয়া হলে ধান ও অন্যান্য চাষাবাদে তেমন প্রভাব পড়বে না। মাঠপর্যায়ে দাপ্তরিক ভাবে সকল ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের খোঁজ নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।