ঢাকা ১১:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ছাড়পত্রহীন টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ পর্যটকের মৃত্যু ও প্রশাসনিক ব্যর্থতা কেন্দুয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ ৩ জনের ৬ মাসের কারাদণ্ড ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধের ইঙ্গিত দিলেন জেডি ভ্যান্স মিরপুরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় ডা. শফিকুর রহমানের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভাতা বাড়ানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ম্যানেজার পুলিশ হেফাজতে কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ পর্যটকের মৃত্যু, তদন্ত কমিটি ফ্যামিলি কার্ড তালাক বন্ধ করেছে, দাবি চিফ হুইপের তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

শরৎ-এর বৃষ্টি কাল হলো খোকসার কৃষকদের

মো: আকাশ হোসেন কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ৩৫৬ বার পড়া হয়েছে

শরৎ-এর বৃষ্টি কাল হলো খোকসার কৃষকদের

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মো: আকাশ হোসেন কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি

গেল কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির ক্ষতি আর দিন দশেক বৃষ্টিস্নাত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে মাথায় হাত কুষ্টিয়ার খোকসার কৃষকদের। নীচু এলাকার ফসলী জমিতে হাঁটু-কোমর পানি এবং উঁচু এলাকার ফসলী জমিতেও জমে আছে পানি। এমন অতিবৃষ্টিতে নষ্ট হতে বসেছে প্রায় দেড় শত হেক্টর জমির ফসল। হুমকিতে উপজেলাটির অন্তত ২০ হাজার হেক্টর কৃষি জমির ফসল।

বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবনে কৃষক তাঁর কৃষি কাজ চালিয়ে গেলেও সেপ্টেম্বরের ১৪ তারিখ থেকে চলতে থাকা বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষি জমিতে কাঁচা মরিচ, বেগুন, কলা, পটোল, করলা, ঢেড়শ ও শীতের আগাম সবজির ক্ষেতে পানি জমে যাওয়ায় ফলন বিপর্যয়সহ ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। গাছের গোড়ায় বৃষ্টির পানি জমে থেকে ফসলের গাছ নষ্ট হয়ে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মৌসুমী ফসলের জন্য ক্ষেত প্রস্তুত করা সম্ভব হচ্ছে না।

সারাবছর সবজি চাষী ক্ষিরোদ জানান, ঝিঙা, শিম, কচু, ঢেড়স, চিচিঙ্গা এধরনের ফসলের গাছে-লতায় পচন ধরার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। কিছু কিছু ফসল ইতোমধ্যেই নষ্ট হওয়া শুরু হয়েছে।

শিমুলিয়া ইউনিয়নের কৃষক ইরফান আলী বলেন, আমি এক বিঘা জমিতে বেগুনের চারা রোপন করেছি দিন পনের হলো, এখন বৃষ্টির পানি জমিতে জমে গেছে। চারাগুলোর অধিকাংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা।

জানিপুর ইউনিয়নের মরিচ চাষি তপন ঘোষ বলেন, মাটিতে পানি জমে আছে একারণে মরিচের গাছে পর্যাপ্ত মরিচ ধরে থাকলেও গাছের গোড়ায় ক্ষতি হবে ভয়ে আমরা মরিচ তুলতে পারছি না। মরিচ গাছ ভেঙে আর পানি জমে পঁচে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছি আমরা মরিচ চাষীরা।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, খোকসার বিভিন্ন এলাকায় ১০ হেক্টর কলা, ০৮ হেক্টর বিভিন্ন সবজি জমিতে পানি জমে থেকে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সবুজ কুমার সাহা জানান, রোদ্রজ্জল আবহাওয়া হলে ধান ও অন্যান্য চাষাবাদে তেমন প্রভাব পড়বে না। মাঠপর্যায়ে দাপ্তরিক ভাবে সকল ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের খোঁজ নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

শরৎ-এর বৃষ্টি কাল হলো খোকসার কৃষকদের

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪

মো: আকাশ হোসেন কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি

গেল কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির ক্ষতি আর দিন দশেক বৃষ্টিস্নাত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে মাথায় হাত কুষ্টিয়ার খোকসার কৃষকদের। নীচু এলাকার ফসলী জমিতে হাঁটু-কোমর পানি এবং উঁচু এলাকার ফসলী জমিতেও জমে আছে পানি। এমন অতিবৃষ্টিতে নষ্ট হতে বসেছে প্রায় দেড় শত হেক্টর জমির ফসল। হুমকিতে উপজেলাটির অন্তত ২০ হাজার হেক্টর কৃষি জমির ফসল।

বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবনে কৃষক তাঁর কৃষি কাজ চালিয়ে গেলেও সেপ্টেম্বরের ১৪ তারিখ থেকে চলতে থাকা বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষি জমিতে কাঁচা মরিচ, বেগুন, কলা, পটোল, করলা, ঢেড়শ ও শীতের আগাম সবজির ক্ষেতে পানি জমে যাওয়ায় ফলন বিপর্যয়সহ ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। গাছের গোড়ায় বৃষ্টির পানি জমে থেকে ফসলের গাছ নষ্ট হয়ে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মৌসুমী ফসলের জন্য ক্ষেত প্রস্তুত করা সম্ভব হচ্ছে না।

সারাবছর সবজি চাষী ক্ষিরোদ জানান, ঝিঙা, শিম, কচু, ঢেড়স, চিচিঙ্গা এধরনের ফসলের গাছে-লতায় পচন ধরার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। কিছু কিছু ফসল ইতোমধ্যেই নষ্ট হওয়া শুরু হয়েছে।

শিমুলিয়া ইউনিয়নের কৃষক ইরফান আলী বলেন, আমি এক বিঘা জমিতে বেগুনের চারা রোপন করেছি দিন পনের হলো, এখন বৃষ্টির পানি জমিতে জমে গেছে। চারাগুলোর অধিকাংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা।

জানিপুর ইউনিয়নের মরিচ চাষি তপন ঘোষ বলেন, মাটিতে পানি জমে আছে একারণে মরিচের গাছে পর্যাপ্ত মরিচ ধরে থাকলেও গাছের গোড়ায় ক্ষতি হবে ভয়ে আমরা মরিচ তুলতে পারছি না। মরিচ গাছ ভেঙে আর পানি জমে পঁচে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছি আমরা মরিচ চাষীরা।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, খোকসার বিভিন্ন এলাকায় ১০ হেক্টর কলা, ০৮ হেক্টর বিভিন্ন সবজি জমিতে পানি জমে থেকে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সবুজ কুমার সাহা জানান, রোদ্রজ্জল আবহাওয়া হলে ধান ও অন্যান্য চাষাবাদে তেমন প্রভাব পড়বে না। মাঠপর্যায়ে দাপ্তরিক ভাবে সকল ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের খোঁজ নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।