ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অক্টোবরের মধ্যেই জিয়াউলের গুম মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষের আশা দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে চিরিরবন্দরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি, বিজয় সুসংহত করতে হবে: ইরানি সেনাপ্রধান আল্লাহর বিধান ছাড়া প্রকৃত শান্তি অসম্ভব: মিয়া গোলাম পরওয়ার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: ন্যায়বিচার পাবেন বললেন রাশেদ খাঁন অধিকৃত পশ্চিম তীরে গাজার মতো যুদ্ধের উস্কানি দিলেন স্মোটরিচ সরকার বা দলের নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে রেহাই নেই: মাহদী আমিন ভোলায় মহিষ চুরি রোধে মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি কুমিল্লায় ছাত্রদলের মিছিলে কিশোর গ্যাং লিডার তানজিম, ভিডিও ভাইরাল জাসদ কার্যালয়ে অভিযান: আটক ২৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ

এ দেশে মসজিদের মতো মন্দিরও পাহারা দিতে হবে না

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৯:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ৩৪৬ বার পড়া হয়েছে

এ দেশে মসজিদের মতো মন্দিরও পাহারা দিতে হবে না

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




স্টাফ রিপোর্টার রংপুর

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা এমন একটি দেশ গড়তে চাই যে দেশে ছাত্ররা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন করেছে,সে দেশে সব প্রকার বৈষ্যমের কবর রচনা হোক। যে দেশে মসজিদ পাহারা প্রয়োজন হয় না,সে দেশে মন্দিরও পাহারা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

আজ (২ সেপ্টেম্বর) সোমবার দিনাজপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নিহত রুদ্রসেন, অন্যান্য শহীদ, আহতদের জন্য সমাবেশ-দোয়া অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমরা সবাই এ দেশের নাগরিক, যারা জন্মগ্রহণ করবে তারাও এই দেশের মানুষ। কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন করেনি। এই আন্দোলন করতে গিয়ে দেশের সোনার সন্তানরা শহীদ হয়েছেন। বুকের তাজা রক্তে ভরে উঠেছে এই দেশের রাজপথ। হাজারো প্রাণের বিনিময়ে এই সফলতা যদি কেউ প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায় তাহলে এই দেশের ১৮ কোটি মানুষ তা সহ্য করবে না। আপামর জনতার আন্দোলনকে কাজে লাগিয়ে যদি কোনো দল সুফল নিতে চায় তা হবে না। যদি কেউ এই আন্দোলনের সুফলকে ব্যবহার করতে চান তাহলে মানুষ তা রুখে দেবে।

ক্ষমতার মালাই খাওয়া জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের উদ্দেশ্য জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, সমাজের একটা গুণগত পরিবর্তন আনা আমাদের লক্ষ্য। এমন একটি দেশ, এমন একটি জগৎ আমরা আমাদের এখানে চাই যেই দেশে জাতি দল নির্বিশেষে সমস্ত মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে। এদেশের নাগরিক হিসেবে সারাবিশ্বে মাথা উঁচু করে গর্বের সঙ্গে পরিচয় দিতে পারেন।

জামায়াতের আমির আরও বলেন, যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের বীরের মর্যাদা দেওয়া হবে। যাতে শহীদদের পরিবার বলতে পারেন, আমাদেরও একজন শহীদ আছে। আমাদেরও একজন আবু সাইদ, মুগ্ধ, রুদ্রসেন ও রাহুল আছেন।

তিনি বলেন, আগে বিদ্যালয়গুলোতে মারামারি হানাহানি হতো। এখন সেই বিদ্যালয়ের ছাত্ররা একত্র হয়ে নিজেরা যা পেরেছে দিয়ে বন্যার্তদের সহায়তা করেছে। সব বাবা-মা চায় তার সন্তাদের তাদের চেয়ে বড় হোক, ভালো থাকুক। আমরা এমন একটি সমাজে গড়ব। যে সমাজে আমরা সবাই মিলে থাকব।

এ সময় শহীদ ৭টি পরিবারকে ১৪ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

এর আগে তিনি শাহাজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নিহত রুদ্রসেনের দিনাজপুর শহরের পাহাড়পুরের বাসভবনে যান। সেখানে তিনি তার পরিবারের সঙ্গে কিছু সময় কাটান এবং সমবেদনা জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

এ দেশে মসজিদের মতো মন্দিরও পাহারা দিতে হবে না

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা এমন একটি দেশ গড়তে চাই যে দেশে ছাত্ররা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন করেছে,সে দেশে সব প্রকার বৈষ্যমের কবর রচনা হোক। যে দেশে মসজিদ পাহারা প্রয়োজন হয় না,সে দেশে মন্দিরও পাহারা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

আজ (২ সেপ্টেম্বর) সোমবার দিনাজপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নিহত রুদ্রসেন, অন্যান্য শহীদ, আহতদের জন্য সমাবেশ-দোয়া অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমরা সবাই এ দেশের নাগরিক, যারা জন্মগ্রহণ করবে তারাও এই দেশের মানুষ। কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন করেনি। এই আন্দোলন করতে গিয়ে দেশের সোনার সন্তানরা শহীদ হয়েছেন। বুকের তাজা রক্তে ভরে উঠেছে এই দেশের রাজপথ। হাজারো প্রাণের বিনিময়ে এই সফলতা যদি কেউ প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায় তাহলে এই দেশের ১৮ কোটি মানুষ তা সহ্য করবে না। আপামর জনতার আন্দোলনকে কাজে লাগিয়ে যদি কোনো দল সুফল নিতে চায় তা হবে না। যদি কেউ এই আন্দোলনের সুফলকে ব্যবহার করতে চান তাহলে মানুষ তা রুখে দেবে।

ক্ষমতার মালাই খাওয়া জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের উদ্দেশ্য জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, সমাজের একটা গুণগত পরিবর্তন আনা আমাদের লক্ষ্য। এমন একটি দেশ, এমন একটি জগৎ আমরা আমাদের এখানে চাই যেই দেশে জাতি দল নির্বিশেষে সমস্ত মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে। এদেশের নাগরিক হিসেবে সারাবিশ্বে মাথা উঁচু করে গর্বের সঙ্গে পরিচয় দিতে পারেন।

জামায়াতের আমির আরও বলেন, যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের বীরের মর্যাদা দেওয়া হবে। যাতে শহীদদের পরিবার বলতে পারেন, আমাদেরও একজন শহীদ আছে। আমাদেরও একজন আবু সাইদ, মুগ্ধ, রুদ্রসেন ও রাহুল আছেন।

তিনি বলেন, আগে বিদ্যালয়গুলোতে মারামারি হানাহানি হতো। এখন সেই বিদ্যালয়ের ছাত্ররা একত্র হয়ে নিজেরা যা পেরেছে দিয়ে বন্যার্তদের সহায়তা করেছে। সব বাবা-মা চায় তার সন্তাদের তাদের চেয়ে বড় হোক, ভালো থাকুক। আমরা এমন একটি সমাজে গড়ব। যে সমাজে আমরা সবাই মিলে থাকব।

এ সময় শহীদ ৭টি পরিবারকে ১৪ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

এর আগে তিনি শাহাজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নিহত রুদ্রসেনের দিনাজপুর শহরের পাহাড়পুরের বাসভবনে যান। সেখানে তিনি তার পরিবারের সঙ্গে কিছু সময় কাটান এবং সমবেদনা জানান।