তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৯:৪৯:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

একটি দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে যুবসমাজকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের স্বার্থকে সবার আগে প্রাধান্য দিতে হবে, কারণ দেশের স্বার্থ রক্ষা পেলেই প্রতিটি নাগরিকের স্বার্থ নিশ্চিত করা সম্ভব। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ ও অনুদান প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা তরুণদের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক শিক্ষার্থী ও পেশাজীবী তরুণ নিজেদের পড়াশোনা ও কর্মজীবনের পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে স্বেচ্ছায় কাজ করছেন। মানুষের বিপদে তাঁদের এই এগিয়ে আসা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি তরুণদের ‘সবার আগে বাংলাদেশ এবং সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
পুরস্কারপ্রাপ্ত তরুণদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনে প্রবীণরা বুদ্ধি ও পরামর্শ দিলেও মাঠপর্যায়ে তরুণরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। দেশের যেকোনো বড় পরিবর্তন ও অগ্রগতির ক্ষেত্রে তরুণদের শক্তি, সাহস ও উদ্ভাবনী চিন্তা কাজে লাগাতে হবে। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মেধাবী তরুণদের সহায়তায় সরকার স্টার্টআপ ফান্ড বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে এবং প্রয়োজনে ৫০০ কোটি টাকার এই তহবিলের পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ জন যুব স্বেচ্ছাসেবক ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধিকে ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ প্রদান করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকার চেক, সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, দেশের ৪৩২টি যুব সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে প্রতিটি সংগঠনকে দুই লাখ টাকা করে অনুদান প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক তরুণদের জন্য সরকারের নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন এবং পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্য থেকে তিনজন তাঁদের স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং দেশের ৬৪টি জেলা থেকে যুব স্বেচ্ছাসেবকরা অনলাইনে অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়েছিলেন।



























