ঢাকা ০৩:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হামজার বিতর্কিত লাল কার্ডে ক্ষোভে ফুঁসছেন শেফিল্ড কোচ সৌদিগামী ১০৩ ফ্লাইট ব্যাহত, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার ৭৭৯ যাত্রী খালি পেটে শিঙাড়া খেলে যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি হতে পারে পেশোয়ারে স্কুল ভবন ধসে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ নিহত ২১ প্রাথমিক গণিত শিক্ষায় এআই প্রযুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে ডাচ গবেষকদের গবেষণা পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে সুশাসন ও স্বচ্ছতার ওপর জোর দিলেন প্রতিমন্ত্রী কলাপাড়ায় বাবার পাশে ঘুমানো ১০ মাস বয়সি শিশু নিখোঁজ উত্তরায় পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার, স্বাভাবিক যান চলাচল দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের ভয়াবহ অভিযোগ সারের ডিলার নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্ত দাবি জামায়াতের

৩৪ কোটি টাকার ম্যাটস এখন নেশাখোরদের আস্তানা, ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৪০:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ৯২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কাইতকাই মৌজায় ৩৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) গত চার বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে ভবন নির্মাণের কাজ শেষ হলেও প্রতিষ্ঠানটি এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত সরকারি এই স্থাপনাটি এখন নেশাখোরদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। একাডেমিক ভবনসহ সব অবকাঠামো বছরের পর বছর অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বিগত পাঁচ বছরে সারা দেশে ১২টি মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল নির্মাণ করেছে, যার মধ্যে মধুপুরের এই প্রতিষ্ঠানটি অন্যতম। টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের উত্তর পাশে কাইতকাই এলাকায় পাঁচ একর জমির ওপর নির্মিত এই প্রতিষ্ঠানে ছয়টি ভবন রয়েছে। এর মধ্যে একাডেমিক ভবন, অধ্যক্ষের বাসস্থান, ছাত্র ও ছাত্রী হোস্টেল, শিক্ষক কোয়ার্টার এবং চতুর্থ শ্রেণির কোয়ার্টার অন্তর্ভুক্ত। ভবনগুলো চার, পাঁচ ও ছয়তলা বিশিষ্ট। ঢাকার মোহাম্মদপুরের নূরানী কনস্ট্রাকশন প্রায় পাঁচ বছর আগে এর নির্মাণকাজ শেষ করেছিল। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তরে হস্তান্তরের আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় দুই বছর সময় নষ্ট হয়েছে বলে জানা গেছে।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সাথে আলোচনার পর জানা গেছে যে, মধুপুরের এই মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলটি চালু করার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। এর কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন যে, এখান থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি পর্যায়ে কর্মসংস্থানের পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। টাঙ্গাইলে বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে চারটি ম্যাটস রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে সরকারি নিয়োগ বন্ধ থাকায় নতুন করে আরেকটি সরকারি ম্যাটস স্থাপনের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

৩৪ কোটি টাকার ম্যাটস এখন নেশাখোরদের আস্তানা, ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত

আপডেট সময় : ১০:৪০:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কাইতকাই মৌজায় ৩৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) গত চার বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে ভবন নির্মাণের কাজ শেষ হলেও প্রতিষ্ঠানটি এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত সরকারি এই স্থাপনাটি এখন নেশাখোরদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। একাডেমিক ভবনসহ সব অবকাঠামো বছরের পর বছর অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বিগত পাঁচ বছরে সারা দেশে ১২টি মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল নির্মাণ করেছে, যার মধ্যে মধুপুরের এই প্রতিষ্ঠানটি অন্যতম। টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের উত্তর পাশে কাইতকাই এলাকায় পাঁচ একর জমির ওপর নির্মিত এই প্রতিষ্ঠানে ছয়টি ভবন রয়েছে। এর মধ্যে একাডেমিক ভবন, অধ্যক্ষের বাসস্থান, ছাত্র ও ছাত্রী হোস্টেল, শিক্ষক কোয়ার্টার এবং চতুর্থ শ্রেণির কোয়ার্টার অন্তর্ভুক্ত। ভবনগুলো চার, পাঁচ ও ছয়তলা বিশিষ্ট। ঢাকার মোহাম্মদপুরের নূরানী কনস্ট্রাকশন প্রায় পাঁচ বছর আগে এর নির্মাণকাজ শেষ করেছিল। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তরে হস্তান্তরের আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় দুই বছর সময় নষ্ট হয়েছে বলে জানা গেছে।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সাথে আলোচনার পর জানা গেছে যে, মধুপুরের এই মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলটি চালু করার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। এর কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন যে, এখান থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি পর্যায়ে কর্মসংস্থানের পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। টাঙ্গাইলে বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে চারটি ম্যাটস রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে সরকারি নিয়োগ বন্ধ থাকায় নতুন করে আরেকটি সরকারি ম্যাটস স্থাপনের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh