ঢাকা ১২:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কটিয়াদীতে ১০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি কাশেম মিয়া গ্রেপ্তার ইউপি নির্বাচন: বিএনপির সামনে তৃণমূল সামলানোর বড় পরীক্ষা সৌদি আরবে হুতি হামলা: শাহজালাল থেকে ৬১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ৯২৬৯ যাত্রী প্রবাসীদের সংকট সমাধানে বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা সরকারের সংবিধান ও গণতন্ত্রের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে সবাই রুখে দাঁড়াবে: রাহুল গান্ধী ১২ কোটি মানুষ রক্তদানে সক্ষম, তবুও কেন দেশে রক্তের সংকট? হুতিদের হামলার মুখে প্রাসাদ বদলাচ্ছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ৩৪ কোটি টাকার ম্যাটস এখন নেশাখোরদের আস্তানা, ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩.২% ও মূল্যস্ফীতি ১০.৯% হতে পারে নিউ ইয়র্ক বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে হেনস্থা, ভিডিও ভাইরাল

৩৪ কোটি টাকার ম্যাটস এখন নেশাখোরদের আস্তানা, ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৪০:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কাইতকাই মৌজায় ৩৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) গত চার বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে ভবন নির্মাণের কাজ শেষ হলেও প্রতিষ্ঠানটি এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত সরকারি এই স্থাপনাটি এখন নেশাখোরদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। একাডেমিক ভবনসহ সব অবকাঠামো বছরের পর বছর অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বিগত পাঁচ বছরে সারা দেশে ১২টি মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল নির্মাণ করেছে, যার মধ্যে মধুপুরের এই প্রতিষ্ঠানটি অন্যতম। টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের উত্তর পাশে কাইতকাই এলাকায় পাঁচ একর জমির ওপর নির্মিত এই প্রতিষ্ঠানে ছয়টি ভবন রয়েছে। এর মধ্যে একাডেমিক ভবন, অধ্যক্ষের বাসস্থান, ছাত্র ও ছাত্রী হোস্টেল, শিক্ষক কোয়ার্টার এবং চতুর্থ শ্রেণির কোয়ার্টার অন্তর্ভুক্ত। ভবনগুলো চার, পাঁচ ও ছয়তলা বিশিষ্ট। ঢাকার মোহাম্মদপুরের নূরানী কনস্ট্রাকশন প্রায় পাঁচ বছর আগে এর নির্মাণকাজ শেষ করেছিল। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তরে হস্তান্তরের আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় দুই বছর সময় নষ্ট হয়েছে বলে জানা গেছে।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সাথে আলোচনার পর জানা গেছে যে, মধুপুরের এই মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলটি চালু করার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। এর কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন যে, এখান থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি পর্যায়ে কর্মসংস্থানের পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। টাঙ্গাইলে বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে চারটি ম্যাটস রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে সরকারি নিয়োগ বন্ধ থাকায় নতুন করে আরেকটি সরকারি ম্যাটস স্থাপনের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

৩৪ কোটি টাকার ম্যাটস এখন নেশাখোরদের আস্তানা, ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত

আপডেট সময় : ১০:৪০:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কাইতকাই মৌজায় ৩৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) গত চার বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে ভবন নির্মাণের কাজ শেষ হলেও প্রতিষ্ঠানটি এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত সরকারি এই স্থাপনাটি এখন নেশাখোরদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। একাডেমিক ভবনসহ সব অবকাঠামো বছরের পর বছর অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বিগত পাঁচ বছরে সারা দেশে ১২টি মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল নির্মাণ করেছে, যার মধ্যে মধুপুরের এই প্রতিষ্ঠানটি অন্যতম। টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের উত্তর পাশে কাইতকাই এলাকায় পাঁচ একর জমির ওপর নির্মিত এই প্রতিষ্ঠানে ছয়টি ভবন রয়েছে। এর মধ্যে একাডেমিক ভবন, অধ্যক্ষের বাসস্থান, ছাত্র ও ছাত্রী হোস্টেল, শিক্ষক কোয়ার্টার এবং চতুর্থ শ্রেণির কোয়ার্টার অন্তর্ভুক্ত। ভবনগুলো চার, পাঁচ ও ছয়তলা বিশিষ্ট। ঢাকার মোহাম্মদপুরের নূরানী কনস্ট্রাকশন প্রায় পাঁচ বছর আগে এর নির্মাণকাজ শেষ করেছিল। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তরে হস্তান্তরের আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় দুই বছর সময় নষ্ট হয়েছে বলে জানা গেছে।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সাথে আলোচনার পর জানা গেছে যে, মধুপুরের এই মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলটি চালু করার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। এর কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন যে, এখান থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি পর্যায়ে কর্মসংস্থানের পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। টাঙ্গাইলে বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে চারটি ম্যাটস রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে সরকারি নিয়োগ বন্ধ থাকায় নতুন করে আরেকটি সরকারি ম্যাটস স্থাপনের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh