ঢাকা ১২:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৪ ইউনিট দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাসে বিশেষ অবদান, রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পেলেন মিরসরাইয়ের উম্মে হাবিবা টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১২ ইউনিট খুলনা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস মহাশূন্যে পৃথিবীর চেয়েও বাসযোগ্য গ্রহ থাকতে পারে, বিজ্ঞানীদের গবেষণা ইরানের বিরুদ্ধে ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে, নতুন হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের বিহারের গঙ্গায় নৌকাডুবি: শিশুসহ নিহত ১৩ হুতিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরাইলের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন সৌদি যুবরাজ সৌদি আরামকোর দাহরান কমপ্লেক্সে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আগুন বুধবার দুপুর পর্যন্ত ৫ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টি, ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

সোমেশ্বরী নদীতে সেতুর অভাবে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হাজারো মানুষের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত বালিজুরি গ্রাম। এই গ্রামের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ভারত থেকে নেমে আসা সোমেশ্বরী নদী। দীর্ঘ সময় ধরে এই নদীর ওপর কোনো সেতু নির্মিত না হওয়ায় বালিজুরি ও আশপাশের গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ প্রতিদিন চরম ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে বাধ্য হচ্ছেন। এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে সেতু নির্মাণের জন্য আবেদন জানিয়ে এলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

গ্রামগুলোর যোগাযোগের জন্য একটিমাত্র সড়ক থাকায় নদী পারাপার ছাড়া এলাকাবাসীর আর কোনো বিকল্প পথ নেই। বাধ্য হয়েই তারা নিজেদের উদ্যোগে বাঁশ ও কাঠ সংগ্রহ করে নদীর ওপর একটি অস্থায়ী সাঁকো তৈরি করেছেন। তবে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলের পানি বাড়লে এই সাঁকো টিকে থাকে না; বছরে একাধিকবার এটি ভেঙে যায়। সাঁকো ভেঙে গেলে স্থানীয়দের নৌকায় নদী পার হতে হয়, আবার অনেক সময় বুকসমান পানির মধ্য দিয়েই যাতায়াত করতে হয়।

এই নদী পারাপারের সংকটে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন শিক্ষার্থী, কৃষক ও অসুস্থ মানুষ। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের সময় এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ পাড়ি দিতে হয়।

সেতু নির্মাণের বিষয়ে শ্রীবরদী উপজেলা প্রকৌশলী মশিউর রহমান জানান, সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে 'হানড্রেড মিটার' প্রকল্পের আওতায় একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। তবে বুয়েটের বিশেষজ্ঞ দল প্রস্তাবিত সেতুটির দৈর্ঘ্য আরও বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে। শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা আহমেদ জানান, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের এই দাবিটি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।

শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, দীর্ঘ ৫৫ বছর ধরে চলা এই দুর্ভোগের বিষয়টি সেতুমন্ত্রী, প্রধান প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে। নদীর প্রবল স্রোত ও ভাঙনের বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

সোমেশ্বরী নদীতে সেতুর অভাবে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হাজারো মানুষের

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত বালিজুরি গ্রাম। এই গ্রামের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ভারত থেকে নেমে আসা সোমেশ্বরী নদী। দীর্ঘ সময় ধরে এই নদীর ওপর কোনো সেতু নির্মিত না হওয়ায় বালিজুরি ও আশপাশের গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ প্রতিদিন চরম ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে বাধ্য হচ্ছেন। এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে সেতু নির্মাণের জন্য আবেদন জানিয়ে এলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

গ্রামগুলোর যোগাযোগের জন্য একটিমাত্র সড়ক থাকায় নদী পারাপার ছাড়া এলাকাবাসীর আর কোনো বিকল্প পথ নেই। বাধ্য হয়েই তারা নিজেদের উদ্যোগে বাঁশ ও কাঠ সংগ্রহ করে নদীর ওপর একটি অস্থায়ী সাঁকো তৈরি করেছেন। তবে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলের পানি বাড়লে এই সাঁকো টিকে থাকে না; বছরে একাধিকবার এটি ভেঙে যায়। সাঁকো ভেঙে গেলে স্থানীয়দের নৌকায় নদী পার হতে হয়, আবার অনেক সময় বুকসমান পানির মধ্য দিয়েই যাতায়াত করতে হয়।

এই নদী পারাপারের সংকটে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন শিক্ষার্থী, কৃষক ও অসুস্থ মানুষ। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের সময় এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ পাড়ি দিতে হয়।

সেতু নির্মাণের বিষয়ে শ্রীবরদী উপজেলা প্রকৌশলী মশিউর রহমান জানান, সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে 'হানড্রেড মিটার' প্রকল্পের আওতায় একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। তবে বুয়েটের বিশেষজ্ঞ দল প্রস্তাবিত সেতুটির দৈর্ঘ্য আরও বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে। শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা আহমেদ জানান, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের এই দাবিটি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।

শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, দীর্ঘ ৫৫ বছর ধরে চলা এই দুর্ভোগের বিষয়টি সেতুমন্ত্রী, প্রধান প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে। নদীর প্রবল স্রোত ও ভাঙনের বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh