ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র দেওয়া বাধ্যতামূলক: প্রেস কাউন্সিল ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে একদিনে গ্রেপ্তার ৪৬৫, মামলা ৭৩ কয়রার যোগাযোগ সংকট কাটাতে ৬০ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নের উদ্যোগ দেশে ২ কোটি শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা, লক্ষ্য আরও ৩৫ লাখ সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি ভাঙ্গুড়ায় নৈশ প্রহরী পদে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সিসিটিভিতে ধরা পড়ল প্রিজন ভ্যান থেকে পিচ্চি রাজার পালানোর দৃশ্য বাংলাদেশ সফরে আসছেন জাতিসংঘের বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার ফরিদা শহীদ মনোযোগের রাশ কার হাতে, আপনার নাকি ফোনের স্ক্রিনের? যুক্তরাষ্ট্রে ফায়ারিং স্কোয়াডে কার্যকর হবে সাবেক মেজরের মৃত্যুদণ্ড

ভাঙ্গুড়ায় নৈশ প্রহরী পদে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৩৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পাবনার ভাঙ্গুড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে নৈশ প্রহরী পদে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কলেজটির সাবেক নৈশ প্রহরী শফিকুল ইসলাম এই অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেন, টাকা দেওয়ার পরও তার ছেলে মঞ্জুর হাসানকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলেজটির নৈশ প্রহরী পদটি শূন্য হওয়ার পর ২০২৫ সালের আগস্টে প্রথমবার এবং ২০২৬ সালের আগস্টে দ্বিতীয়বার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। শফিকুল ইসলাম জানান, প্রথমবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তিনি তার ছেলে মঞ্জুর হাসানকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য অধ্যক্ষ মোস্তফা কামালের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, অধ্যক্ষ নিয়োগের আশ্বাস দিয়ে প্রথম দফায় ৯০ হাজার এবং পরে আরও ৩০ হাজার টাকা নেন।

সম্প্রতি কলেজটিতে নৈশ প্রহরী নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এতে সাতজন প্রার্থী অংশ নেন। প্রকাশিত ফলাফলের তালিকায় নজরুল ইসলাম প্রথম, ওমর ফারুক দ্বিতীয় এবং মঞ্জুর হাসান তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, মোটা অংকের টাকা দেওয়ার পরও তার ছেলেকে নিয়োগ না দেওয়ায় তিনি মানসিকভাবে হতাশ।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল। তিনি বলেন, কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়োগ বোর্ড এবং সভাপতির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। চাকরি দেওয়ার কথা বলে কারও কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নেওয়ার বিষয়টি তিনি পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন। এছাড়া টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজন হলে শফিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও তিনি জানিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ভাঙ্গুড়ায় নৈশ প্রহরী পদে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:৩৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

পাবনার ভাঙ্গুড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে নৈশ প্রহরী পদে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কলেজটির সাবেক নৈশ প্রহরী শফিকুল ইসলাম এই অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেন, টাকা দেওয়ার পরও তার ছেলে মঞ্জুর হাসানকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলেজটির নৈশ প্রহরী পদটি শূন্য হওয়ার পর ২০২৫ সালের আগস্টে প্রথমবার এবং ২০২৬ সালের আগস্টে দ্বিতীয়বার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। শফিকুল ইসলাম জানান, প্রথমবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তিনি তার ছেলে মঞ্জুর হাসানকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য অধ্যক্ষ মোস্তফা কামালের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, অধ্যক্ষ নিয়োগের আশ্বাস দিয়ে প্রথম দফায় ৯০ হাজার এবং পরে আরও ৩০ হাজার টাকা নেন।

সম্প্রতি কলেজটিতে নৈশ প্রহরী নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এতে সাতজন প্রার্থী অংশ নেন। প্রকাশিত ফলাফলের তালিকায় নজরুল ইসলাম প্রথম, ওমর ফারুক দ্বিতীয় এবং মঞ্জুর হাসান তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, মোটা অংকের টাকা দেওয়ার পরও তার ছেলেকে নিয়োগ না দেওয়ায় তিনি মানসিকভাবে হতাশ।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল। তিনি বলেন, কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়োগ বোর্ড এবং সভাপতির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। চাকরি দেওয়ার কথা বলে কারও কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নেওয়ার বিষয়টি তিনি পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন। এছাড়া টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজন হলে শফিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও তিনি জানিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh