ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিতে মার্কিন বাহিনীকে পেন্টাগনের নির্দেশ সিরাজগঞ্জে বিস্ফোরক মামলায় পদচ্যুত ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার দুর্গাপুরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে মতবিনিময় সভা, ২৩ মণ্ডপে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্ক ২০৫০ সালে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহর হবে ঢাকা, প্রয়োজন পরিকল্পিত উদ্যোগ মা ইলিশ রক্ষা অভিযান: প্রথম রাতেই পটুয়াখালীতে তিনজনের কারাদণ্ড ফেসবুকে প্রেম ও মুঠোফোনে বিয়ে, পরে প্রবাসী জানলেন স্ত্রী আসলে তরুণ ‘আবরার হত্যার সময় শিবিরের অনেকে ছাত্রলীগ সেজে বেঁচেছিল’: রাশেদ খান ইসরাইল ছাড়ছেন ২০ বৃটিশ কূটনীতিক, জেরুজালেমে কনস্যুলেটের নাম বদল স্থানীয় নির্বাচনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে বাধা নেই: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

বিদায়ী ম্যাচে মেসি-জাদু, গোল ও জোড়া অ্যাসিস্টে রাঙালেন শেষটা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:১৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



আগে থেকেই বিদায়ের ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলেন লিওনেল আন্দ্রেস মেসি। বুয়েনস এইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্তালে বিশ্বজুড়ে কোটি ভক্তের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দলের জার্সিতে নিজের শেষ ম্যাচটি খেলে ফেললেন তিনি। বিদায়ের এই বিশেষ রাতে আফ্রিকার দেশ বেনিনের বিপক্ষে এক গোল ও দুই অ্যাসিস্টে মাঠ মাতালেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এর মাধ্যমে ১২৬টি আন্তর্জাতিক গোল নিয়ে জাতীয় দলের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন ফুটবলের এই জাদুকর।

কিংবদন্তি মেসিকে ঘিরেই পুরো আয়োজন সাজানো হয়েছিল এস্তাদিও মনুমেন্তালে। বেনিনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে এই উৎসবকে আরও রঙিন করে তোলে আর্জেন্টিনা দল। ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে হওয়া তিনটি গোলেই সরাসরি অবদান রাখেন অধিনায়ক মেসি। প্রথমার্ধে অবশ্য গোলের একাধিক সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি, নিয়েছিলেন সর্বোচ্চ চারটি শট। তবে শেষ মুহূর্তে শরীরের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে না পারায় কাঙ্ক্ষিত ফিনিশিংটি করতে পারেননি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দৃশ্যপট বদলে যায় মেসির জাদুকরী পাসে। ম্যাচের ৪৮ মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার থেকে বল পান আরেক বিদায়ী তারকা নিকোলাস ওতামেন্দি। দারুণ এক ভলিতে ওতামেন্দি বল জালে জড়ালে লিড নেয় আর্জেন্টিনা। এই গোলের পরপরই ওতামেন্দিকে মাঠ থেকে তুলে নেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। এর ঠিক দুই মিনিট পর মেসির আরেকটি পাস থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে আলবিসেলেস্তেরা। ৬১ মিনিটে বাঁ দিক থেকে মেসির বাড়িয়ে দেওয়া বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাঁকানো শটে গোল করেন নিকো পাজ, যাকে আর্জেন্টিনার ভবিষ্যৎ ‘১০ নম্বর’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পাজ নিজের এই গোলটি মেসির বিদায়ী রাতকে উৎসর্গ করেন।

ম্যাচের শেষ গোলটি আসে স্বয়ং বিদায়ী মহাতারকার পা থেকেই। ৭১ মিনিটে বেনিনের ডি-বক্সে অগাস্তিন গিয়াই ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। স্পট কিক থেকে জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন মেসি। সতীর্থদের ভালোবাসায় ঘেরা উদযাপনের মধ্য দিয়ে বিদায়ী রাতেই নিজের ১২৬তম আন্তর্জাতিক গোলটি পূর্ণ করেন তিনি।

২০০৫ সালে হাঙ্গেরির বিপক্ষে ১৮ নম্বর জার্সি পরে জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছিল মেসির। নিজের ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ম্যাচে এসে প্রথম আন্তর্জাতিক গোলের দেখা পেয়েছিলেন তিনি, যা ছিল ২০০৬ সালের ১ মার্চ ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে। একই বছর সার্বিয়া ও মন্টেনিগ্রোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে গোলের খাতা খোলেন তিনি। অবশেষে ২০২৬ আসর দিয়ে শেষ হলো মেসির বিশ্বকাপ অধ্যায়, যেখানে তার মোট গোলসংখ্যা ২১টি। চারটি বড় শিরোপা, অসংখ্য রেকর্ড আর কোটি ভক্তের ভালোবাসা সঙ্গী করে নিজের চেনা ছন্দেই জাতীয় দলকে বিদায় জানালেন এই ফুটবল কিংবদন্তি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদায়ী ম্যাচে মেসি-জাদু, গোল ও জোড়া অ্যাসিস্টে রাঙালেন শেষটা

আপডেট সময় : ১০:১৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

আগে থেকেই বিদায়ের ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলেন লিওনেল আন্দ্রেস মেসি। বুয়েনস এইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্তালে বিশ্বজুড়ে কোটি ভক্তের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দলের জার্সিতে নিজের শেষ ম্যাচটি খেলে ফেললেন তিনি। বিদায়ের এই বিশেষ রাতে আফ্রিকার দেশ বেনিনের বিপক্ষে এক গোল ও দুই অ্যাসিস্টে মাঠ মাতালেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এর মাধ্যমে ১২৬টি আন্তর্জাতিক গোল নিয়ে জাতীয় দলের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন ফুটবলের এই জাদুকর।

কিংবদন্তি মেসিকে ঘিরেই পুরো আয়োজন সাজানো হয়েছিল এস্তাদিও মনুমেন্তালে। বেনিনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে এই উৎসবকে আরও রঙিন করে তোলে আর্জেন্টিনা দল। ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে হওয়া তিনটি গোলেই সরাসরি অবদান রাখেন অধিনায়ক মেসি। প্রথমার্ধে অবশ্য গোলের একাধিক সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি, নিয়েছিলেন সর্বোচ্চ চারটি শট। তবে শেষ মুহূর্তে শরীরের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে না পারায় কাঙ্ক্ষিত ফিনিশিংটি করতে পারেননি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দৃশ্যপট বদলে যায় মেসির জাদুকরী পাসে। ম্যাচের ৪৮ মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার থেকে বল পান আরেক বিদায়ী তারকা নিকোলাস ওতামেন্দি। দারুণ এক ভলিতে ওতামেন্দি বল জালে জড়ালে লিড নেয় আর্জেন্টিনা। এই গোলের পরপরই ওতামেন্দিকে মাঠ থেকে তুলে নেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। এর ঠিক দুই মিনিট পর মেসির আরেকটি পাস থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে আলবিসেলেস্তেরা। ৬১ মিনিটে বাঁ দিক থেকে মেসির বাড়িয়ে দেওয়া বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাঁকানো শটে গোল করেন নিকো পাজ, যাকে আর্জেন্টিনার ভবিষ্যৎ ‘১০ নম্বর’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পাজ নিজের এই গোলটি মেসির বিদায়ী রাতকে উৎসর্গ করেন।

ম্যাচের শেষ গোলটি আসে স্বয়ং বিদায়ী মহাতারকার পা থেকেই। ৭১ মিনিটে বেনিনের ডি-বক্সে অগাস্তিন গিয়াই ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। স্পট কিক থেকে জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন মেসি। সতীর্থদের ভালোবাসায় ঘেরা উদযাপনের মধ্য দিয়ে বিদায়ী রাতেই নিজের ১২৬তম আন্তর্জাতিক গোলটি পূর্ণ করেন তিনি।

২০০৫ সালে হাঙ্গেরির বিপক্ষে ১৮ নম্বর জার্সি পরে জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছিল মেসির। নিজের ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ম্যাচে এসে প্রথম আন্তর্জাতিক গোলের দেখা পেয়েছিলেন তিনি, যা ছিল ২০০৬ সালের ১ মার্চ ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে। একই বছর সার্বিয়া ও মন্টেনিগ্রোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে গোলের খাতা খোলেন তিনি। অবশেষে ২০২৬ আসর দিয়ে শেষ হলো মেসির বিশ্বকাপ অধ্যায়, যেখানে তার মোট গোলসংখ্যা ২১টি। চারটি বড় শিরোপা, অসংখ্য রেকর্ড আর কোটি ভক্তের ভালোবাসা সঙ্গী করে নিজের চেনা ছন্দেই জাতীয় দলকে বিদায় জানালেন এই ফুটবল কিংবদন্তি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin