ইরানে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল
- আপডেট সময় : ০৭:৪৭:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে গোয়েন্দা ও অভিযানসংক্রান্ত নিবিড় সহযোগিতা বজায় রেখে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি সংবাদপত্র ‘ইসরায়েল হায়োম’–এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, সম্ভাব্য আগাম হামলা চালানো কিংবা ইরানের যেকোনো হামলার জবাব দিতেই মূলত এই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে আগামী নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠেয় মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এমন হামলার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে বেশ কম বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরায়েল এখনো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে তাদের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করছে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদার করছে ওয়াশিংটন। ইসরায়েলি নিউজ ওয়েবসাইট ‘ওয়ালা’ গত রোববার জানিয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইসরায়েলে অতিরিক্ত সেনা ও যুদ্ধবিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, বর্তমানে ইসরায়েলজুড়ে প্রায় ৩ হাজার মার্কিন সামরিক সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। এই বাহিনীর মধ্যে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনাকারী সেনা ছাড়াও রয়েছেন পাইলট, লজিস্টিকস বা রসদ সরবরাহকারী এবং সহায়তা কর্মীরা। ওয়াশিংটন এই অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করার অংশ হিসেবে আগামী weekগুলোতে অতিরিক্ত সেনা ও বিমান পাঠাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রেখে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন সংঘাত বা আঞ্চলিক উত্তেজনা মোকাবিলার প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
এমন এক সময়ে এই সামরিক প্রস্তুতির খবর সামনে এল, যখন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি গত রোববার জানিয়েছেন, তেহরান একটি ‘ন্যায্য সমাধান’ অর্জনের লক্ষ্যে কূটনীতি চালিয়ে যেতে প্রস্তুত রয়েছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সাতটি শর্ত পেশ করেছিল ইরান। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরবর্তী সময়ে জানান, ওয়াশিংটন ইরানের দেওয়া সেসব শর্ত গ্রহণ করেনি।




























