ঢাকা ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খুলনায় দেড় মাসের ব্যবধানে বাবা-ছেলে খুন, আতঙ্কে এলাকাবাসী শ্যামনগরে স্কাউটিং বিষয়ক ৬৯৫ তম ওরিয়েন্টেশন কোর্স সম্পন্ন ঢাবি হলের নয়তলা থেকে ঝাঁপ দিয়েও প্রাণে বাঁচলেন শিক্ষার্থী দুর্গাপূজায় সরকারি চাকরিজীবীদের টানা সাত দিনের ছুটি ঘোষণা এশিয়ার বাজারে তেলের দামে বড় ছাড় দিলো সৌদি আরব শারদীয় দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটির ঘোষণা সরকারের দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি, অফিস খোলা ১৭ অক্টোবর ডিএইতে চেয়ার দখলে কর্মকর্তাদের ‘ফ্যাসিস্ট’ তকমা দেওয়ার অভিযোগ কুষ্টিয়ায় এনসিপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পুলিশের বাধা পিরোজপুরে গৃহবধূকে গণধর্ষণ ও হত্যার প্রধান আসামি মাদারীপুরে গ্রেপ্তার

শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ড নিয়ে ভারতের কাছে প্রশ্ন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি দিল্লিতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ড নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন। সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬’-এর সমাপনী দিনে বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী প্রশ্ন রাখেন, ভারতের ক্ষেত্রে যদি বাংলাদেশে বসে কেউ অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করত, তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কি ঢাকা সফর করতেন? তিনি ভারতে বসে শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ডকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন। হুমায়ুন কবির বলেন, দিল্লিতে বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন। তিনি ভারতে অবস্থানরত অন্যান্য অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণের বিষয়টির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, এক দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে অন্য দেশের বিরুদ্ধে কর্মকাণ্ড চালানো হলে তা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ভারত থেকে কেউ বাংলাদেশে এসে ভারতীয় সরকারের বিরুদ্ধে একই ধরনের কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করলে বাংলাদেশ তা হতে দেবে না, একইভাবে ভারতও এমনটা হতে দেবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কখনো বলেননি যে তিনি ভারত যাবেন না। সফরে গেলে শীর্ষ পর্যায়ের সংলাপ হবে, তবে তার আগে কর্মকর্তা পর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে হবে। নভেম্বরে সফরের নির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে তিনি বলেন, এটি এক-দুই দিনে নির্ধারণ করার বিষয় নয়। জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। এছাড়া গঙ্গা চুক্তি নবায়নের ক্ষেত্রেও ঢাকার স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে বলে তিনি জানান।

প্রতিমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ভারত বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা খুবই জরুরি। সংলাপ ও কূটনীতির দরজা সবসময় খোলা থাকবে এবং ইতিবাচক আলোচনার মাধ্যমেই বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলোর সমাধান সম্ভব।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ড নিয়ে ভারতের কাছে প্রশ্ন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৭:৩৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি দিল্লিতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ড নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন। সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬’-এর সমাপনী দিনে বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী প্রশ্ন রাখেন, ভারতের ক্ষেত্রে যদি বাংলাদেশে বসে কেউ অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করত, তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কি ঢাকা সফর করতেন? তিনি ভারতে বসে শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ডকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন। হুমায়ুন কবির বলেন, দিল্লিতে বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন। তিনি ভারতে অবস্থানরত অন্যান্য অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণের বিষয়টির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, এক দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে অন্য দেশের বিরুদ্ধে কর্মকাণ্ড চালানো হলে তা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ভারত থেকে কেউ বাংলাদেশে এসে ভারতীয় সরকারের বিরুদ্ধে একই ধরনের কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করলে বাংলাদেশ তা হতে দেবে না, একইভাবে ভারতও এমনটা হতে দেবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কখনো বলেননি যে তিনি ভারত যাবেন না। সফরে গেলে শীর্ষ পর্যায়ের সংলাপ হবে, তবে তার আগে কর্মকর্তা পর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে হবে। নভেম্বরে সফরের নির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে তিনি বলেন, এটি এক-দুই দিনে নির্ধারণ করার বিষয় নয়। জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। এছাড়া গঙ্গা চুক্তি নবায়নের ক্ষেত্রেও ঢাকার স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে বলে তিনি জানান।

প্রতিমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ভারত বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা খুবই জরুরি। সংলাপ ও কূটনীতির দরজা সবসময় খোলা থাকবে এবং ইতিবাচক আলোচনার মাধ্যমেই বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলোর সমাধান সম্ভব।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin