জনগণের প্রত্যাশা পূরণই নির্বাচিত সরকারের মূল দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৬:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারকে তাদের প্রত্যাশা পূরণে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধিরা পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন এবং মেয়াদ শেষে তাদের আবারও জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়। তাই জনগণের সেবা নিশ্চিত করা এবং নিজেদের কাজের জন্য জবাবদিহি করা নির্বাচিত সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
শনিবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের সমবায় ভবনের মাল্টিপারপাস হলরুমে স্থানীয় সরকার বিভাগ আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘সৌর বিদ্যুৎ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও উন্নয়ন কর্মসূচি’ সংক্রান্ত এই সভায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান উল্লেখ করেন, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধি—উভয়ের লক্ষ্যই হওয়া উচিত জনগণের সেবা করা। সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে দ্রুততার সঙ্গে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করতে হবে।
বিদ্যুৎ সংকটের সমাধানে সৌরবিদ্যুতের গুরুত্ব তুলে ধরে এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদের ভবনের ছাদের পাশাপাশি গ্রামীণ পর্যায়ে সাধারণ মানুষের বাড়ির ছাদেও সৌর প্যানেল স্থাপনে উৎসাহিত করতে হবে। দিনের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যাটারিতে জমা রেখে রাতে ব্যবহার করা গেলে জাতীয় গ্রিডের ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, প্রশাসনে পদায়ন ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে সততা ও কর্মদক্ষতাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিজ কর্মস্থলকে নিজের এলাকা মনে করে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সরকারের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী চার বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে সব পরিবার ও কৃষকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়া সার ডিলারদের তালিকা যাচাই-বাছাই শেষে দ্রুত লাইসেন্স ইস্যু করা হবে বলেও জানান তিনি।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিজ মিরানা মাহরুখসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া দেশের সব সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলার স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (ডিএলজি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পৌরসভার প্রশাসকরাও এই সভায় অংশ নেন।




























