ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিজেদের প্রয়োজনে বিমান কিনছে বাংলাদেশ, কোনো পক্ষকে খুশি করতে নয় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪.৬ শতাংশ কটিয়াদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে জামায়াতের কর্মসূচি ১০টি উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সাথে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই মতিঝিলের আলোচিত বাংলার বাণী ভবন এখন প্রতিমন্ত্রীর কব্জায় সৌদির দুই বিমানবন্দরে হুতি হামলা, নিহত ৩ ও আহত ৩৬ বগুড়ায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য: পাঁচ মাসে ৩৯ খুন ভুল করে নাটোর স্টেশনে নেমে ল্যাপটপ ও ক্যামেরা হারালেন জার্মান পর্যটক যশোরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার ওপর হামলা, পাঁচ দিনেও অধরা আসামিরা রাঙ্গামাটিতে ছাত্রলীগের সাবেক নেতাসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

জামালপুর ও শেরপুরে ১১টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ ৯ জন গ্রেপ্তার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:০২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে জামালপুর ও শেরপুরের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে ১১টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই অভিযানে চক্রের ৯ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মোছাঃ ফারহানা ইয়াসমিন। পুলিশ সুপার মোছাঃ ফারহানা ইয়াসমিনের দিকনির্দেশনায় ডিবির উপপরিদর্শক মো. সোহাগ রানা ও উপপরিদর্শক মো. শাহজাহানের নেতৃত্বে এই অভিযানগুলো পরিচালিত হয়।

গত ৬ সেপ্টেম্বর জামালপুর সদর থানায় দায়ের করা একটি চুরির মামলার সূত্র ধরে পুলিশ এই চক্রের সন্ধান পায়। তদন্তে জানা যায়, চক্রের সদস্য নীরব হোসেন বিভিন্ন স্থান থেকে সুযোগ বুঝে মোটরসাইকেল চুরি করতেন। এরপর আরেক সদস্য আবু বকর সিদ্দিকের মাধ্যমে সেসব চোরাই বাইক জামালপুর, মেলান্দহ, শেরপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করা হতো। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জামালপুর সদর, মেলান্দহ, শেরপুর সদর ও শ্রীবরদী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন জামালপুর সদরের নীরব হোসেন, মাহফুজ আহমেদ ও রবিউল ইসলাম সোহাগ; মেলান্দহের মো. বরকতউল্লাহ ওরফে সবুজ ও আবু বকর সিদ্দিক; শেরপুর সদরের মো. ওমর ফারুক এবং শ্রীবরদীর মো. সাদ্দাম হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক ও আমির হোসেন। পুলিশ তাদের কাছ থেকে বাজাজ ডিসকভার, টিভিএস অ্যাপাচি আরটিআর, হিরো হাঙ্ক ও বাজাজ পালসার মডেলের মোট ১১টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত প্রতিটি মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বর মিলিয়ে প্রকৃত মালিকানা যাচাইয়ের কাজ চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে এসব মোটরসাইকেল তাদের প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

পুরো অভিযানটি নিয়ে পুলিশ সুপার মোছাঃ ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, মোটরসাইকেল চুরি সাধারণ মানুষের জন্য কেবল আর্থিক ক্ষতি নয়, এটি তাদের নিরাপত্তাবোধ ও আস্থার ওপরও বড় ধরনের আঘাত। এ চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার ও বাইকগুলো উদ্ধার করা পুলিশের নিরলস প্রচেষ্টার ফল। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচা করাও আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ। তাই বৈধ কাগজপত্র ভালোভাবে যাচাই করে তবেই পুরনো মোটরসাইকেল কেনার জন্য তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন। পুলিশ সুপার একই সাথে সন্দেহজনক কোনো তথ্য পেলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, জনগণের সহযোগিতায় এই চক্রের পলাতক বাকি সদস্যদেরও খুব দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং তাদের এই অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

জামালপুর ও শেরপুরে ১১টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ ৯ জন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৮:০২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে জামালপুর ও শেরপুরের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে ১১টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই অভিযানে চক্রের ৯ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মোছাঃ ফারহানা ইয়াসমিন। পুলিশ সুপার মোছাঃ ফারহানা ইয়াসমিনের দিকনির্দেশনায় ডিবির উপপরিদর্শক মো. সোহাগ রানা ও উপপরিদর্শক মো. শাহজাহানের নেতৃত্বে এই অভিযানগুলো পরিচালিত হয়।

গত ৬ সেপ্টেম্বর জামালপুর সদর থানায় দায়ের করা একটি চুরির মামলার সূত্র ধরে পুলিশ এই চক্রের সন্ধান পায়। তদন্তে জানা যায়, চক্রের সদস্য নীরব হোসেন বিভিন্ন স্থান থেকে সুযোগ বুঝে মোটরসাইকেল চুরি করতেন। এরপর আরেক সদস্য আবু বকর সিদ্দিকের মাধ্যমে সেসব চোরাই বাইক জামালপুর, মেলান্দহ, শেরপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করা হতো। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জামালপুর সদর, মেলান্দহ, শেরপুর সদর ও শ্রীবরদী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন জামালপুর সদরের নীরব হোসেন, মাহফুজ আহমেদ ও রবিউল ইসলাম সোহাগ; মেলান্দহের মো. বরকতউল্লাহ ওরফে সবুজ ও আবু বকর সিদ্দিক; শেরপুর সদরের মো. ওমর ফারুক এবং শ্রীবরদীর মো. সাদ্দাম হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক ও আমির হোসেন। পুলিশ তাদের কাছ থেকে বাজাজ ডিসকভার, টিভিএস অ্যাপাচি আরটিআর, হিরো হাঙ্ক ও বাজাজ পালসার মডেলের মোট ১১টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত প্রতিটি মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বর মিলিয়ে প্রকৃত মালিকানা যাচাইয়ের কাজ চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে এসব মোটরসাইকেল তাদের প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

পুরো অভিযানটি নিয়ে পুলিশ সুপার মোছাঃ ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, মোটরসাইকেল চুরি সাধারণ মানুষের জন্য কেবল আর্থিক ক্ষতি নয়, এটি তাদের নিরাপত্তাবোধ ও আস্থার ওপরও বড় ধরনের আঘাত। এ চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার ও বাইকগুলো উদ্ধার করা পুলিশের নিরলস প্রচেষ্টার ফল। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচা করাও আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ। তাই বৈধ কাগজপত্র ভালোভাবে যাচাই করে তবেই পুরনো মোটরসাইকেল কেনার জন্য তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন। পুলিশ সুপার একই সাথে সন্দেহজনক কোনো তথ্য পেলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, জনগণের সহযোগিতায় এই চক্রের পলাতক বাকি সদস্যদেরও খুব দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং তাদের এই অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh