ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীতে হত্যা মামলায় পান দোকানিকে ফাঁসানোর অভিযোগ, পরিবারের সংবাদ সম্মেলন উয়েফার বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার ও হয়রানির’ অভিযোগ আনল ফিফা ক্যালিফোর্নিয়ার সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত হলো দুই ঈদ মনপুরায় ১০০ ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক রণবীরের জন্মদিনে আলিয়ার বিশেষ পোস্ট, নেটদুনিয়ায় মুগ্ধতা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা সংসার সাজানোর আগেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন চিকিৎসক আঁচল রায় জয়পুরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ধ্বংসস্তূপের মাঝেও টিকে আছে গাজার মানুষের জীবন ও স্বপ্ন উগান্ডায় নতুন রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হচ্ছেন সাংবাদিক এডওয়ার্ড রুকিদি

ক্যালিফোর্নিয়ার সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত হলো দুই ঈদ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সরকারি ছুটির তালিকায় আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। এতদিন অঙ্গরাজ্যের সরকারি ছুটির আইনে মুসলিমদের এই দুই প্রধান উৎসবের আলাদা কোনো স্বীকৃতি ছিল না। এই অবস্থার পরিবর্তনের লক্ষ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম গত ২৭ সেপ্টেম্বর অ্যাসেম্বলি বিল ২০১৭ (এবি ২০১৭)-তে স্বাক্ষর করেছেন। সান ফ্রান্সিসকোর ডেমোক্র্যাট অ্যাসেম্বলি সদস্য ম্যাট হ্যানি ‘স্টেট হলিডেজ: ঈদ’ শিরোনামের এই বিলটি উত্থাপন করেছিলেন।

নতুন এই আইনের অধীনে শাওয়াল মাসের প্রথম দিনকে ঈদুল ফিতর এবং জিলহজ মাসের ১০ তারিখকে ঈদুল আজহা হিসেবে গণ্য করে রাষ্ট্রীয় ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইংরেজি ক্যালেন্ডারে ঈদের তারিখ প্রতিবছর পরিবর্তিত হয় বলে আইনে নির্দিষ্ট কোনো ইংরেজি তারিখের পরিবর্তে ইসলামিক চন্দ্র মাসকে ভিত্তি ধরা হয়েছে। আইনের ব্যাখ্যায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এটি একটি বেসামরিক বা সরকারি ক্যালেন্ডারভিত্তিক স্বীকৃতি। এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কোনো ধরনের ধর্মীয় আচার বা কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে বাধ্য করা হবে না।

আইনটির ফলে মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুবিধা তৈরি হয়েছে। এখন থেকে দুই ঈদ পালনের জন্য মুসলিম শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিতিকে ‘অনুমোদিত অনুপস্থিতি’ হিসেবে গণ্য করা হবে। এর ফলে ঈদের নামাজ বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী ক্লাস বা পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকলে তার আইনি ভিত্তি থাকবে। এছাড়া স্থানীয়ভাবে আলোচনার মাধ্যমে স্কুল বা কমিউনিটি কলেজগুলো ঈদের দিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিতে পারবে, তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়।

উল্লেখ্য যে, এই আইনের অর্থ এই নয় যে ঈদের দিন সব সরকারি অফিস, স্কুল, আদালত বা বেসরকারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ থাকবে। এটি মূলত সরকারি ক্যালেন্ডারে ঈদকে স্বীকৃতি দেওয়ার একটি প্রক্রিয়া মাত্র। প্রতিষ্ঠান বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষই চূড়ান্তভাবে সিদ্ধান্ত নেবে যে তারা এই দিনে ছুটি ঘোষণা করবে কি না।

আইনটি প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় ম্যাট হ্যানি ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বিলটি উত্থাপন করেন। বিভিন্ন কমিটির অনুমোদনের পর ২৬ মে বিলটি অ্যাসেম্বলিতে ৬৪-১ ভোটে পাস হয়। পরবর্তীতে সিনেটের অনুমোদন ও সংশোধনী শেষে ১০ সেপ্টেম্বর বিলটি গভর্নরের কাছে পাঠানো হয়েছিল। বিলটির সহ-উদ্যোক্তা হিসেবে আইনপ্রণেতা আশ কালরা, স্টেফানি নগুয়েন ও আইশা ওয়াহাব কাজ করেছেন। এছাড়া কেয়ার-ক্যালিফোর্নিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া কমিশন অন এশিয়ান অ্যান্ড প্যাসিফিক আইল্যান্ডার আমেরিকান অ্যাফেয়ার্স এবং মুসলিম ইমপ্যাক্ট কাউন্সিল এই বিলের পক্ষে জোরালো ভূমিকা পালন করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ক্যালিফোর্নিয়ার সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত হলো দুই ঈদ

আপডেট সময় : ০৪:২৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সরকারি ছুটির তালিকায় আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। এতদিন অঙ্গরাজ্যের সরকারি ছুটির আইনে মুসলিমদের এই দুই প্রধান উৎসবের আলাদা কোনো স্বীকৃতি ছিল না। এই অবস্থার পরিবর্তনের লক্ষ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম গত ২৭ সেপ্টেম্বর অ্যাসেম্বলি বিল ২০১৭ (এবি ২০১৭)-তে স্বাক্ষর করেছেন। সান ফ্রান্সিসকোর ডেমোক্র্যাট অ্যাসেম্বলি সদস্য ম্যাট হ্যানি ‘স্টেট হলিডেজ: ঈদ’ শিরোনামের এই বিলটি উত্থাপন করেছিলেন।

নতুন এই আইনের অধীনে শাওয়াল মাসের প্রথম দিনকে ঈদুল ফিতর এবং জিলহজ মাসের ১০ তারিখকে ঈদুল আজহা হিসেবে গণ্য করে রাষ্ট্রীয় ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইংরেজি ক্যালেন্ডারে ঈদের তারিখ প্রতিবছর পরিবর্তিত হয় বলে আইনে নির্দিষ্ট কোনো ইংরেজি তারিখের পরিবর্তে ইসলামিক চন্দ্র মাসকে ভিত্তি ধরা হয়েছে। আইনের ব্যাখ্যায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এটি একটি বেসামরিক বা সরকারি ক্যালেন্ডারভিত্তিক স্বীকৃতি। এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কোনো ধরনের ধর্মীয় আচার বা কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে বাধ্য করা হবে না।

আইনটির ফলে মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুবিধা তৈরি হয়েছে। এখন থেকে দুই ঈদ পালনের জন্য মুসলিম শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিতিকে ‘অনুমোদিত অনুপস্থিতি’ হিসেবে গণ্য করা হবে। এর ফলে ঈদের নামাজ বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী ক্লাস বা পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকলে তার আইনি ভিত্তি থাকবে। এছাড়া স্থানীয়ভাবে আলোচনার মাধ্যমে স্কুল বা কমিউনিটি কলেজগুলো ঈদের দিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিতে পারবে, তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়।

উল্লেখ্য যে, এই আইনের অর্থ এই নয় যে ঈদের দিন সব সরকারি অফিস, স্কুল, আদালত বা বেসরকারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ থাকবে। এটি মূলত সরকারি ক্যালেন্ডারে ঈদকে স্বীকৃতি দেওয়ার একটি প্রক্রিয়া মাত্র। প্রতিষ্ঠান বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষই চূড়ান্তভাবে সিদ্ধান্ত নেবে যে তারা এই দিনে ছুটি ঘোষণা করবে কি না।

আইনটি প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় ম্যাট হ্যানি ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বিলটি উত্থাপন করেন। বিভিন্ন কমিটির অনুমোদনের পর ২৬ মে বিলটি অ্যাসেম্বলিতে ৬৪-১ ভোটে পাস হয়। পরবর্তীতে সিনেটের অনুমোদন ও সংশোধনী শেষে ১০ সেপ্টেম্বর বিলটি গভর্নরের কাছে পাঠানো হয়েছিল। বিলটির সহ-উদ্যোক্তা হিসেবে আইনপ্রণেতা আশ কালরা, স্টেফানি নগুয়েন ও আইশা ওয়াহাব কাজ করেছেন। এছাড়া কেয়ার-ক্যালিফোর্নিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া কমিশন অন এশিয়ান অ্যান্ড প্যাসিফিক আইল্যান্ডার আমেরিকান অ্যাফেয়ার্স এবং মুসলিম ইমপ্যাক্ট কাউন্সিল এই বিলের পক্ষে জোরালো ভূমিকা পালন করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo